hadith book logo

ব্যক্তি ও সমাজ সংশোধনে ইসলামি দিক নির্দেশনা

লেখকঃ মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৬২

কতল বা হত্যা:

অনেক সময় গান শ্রবণ করতে করতে উত্তেজিত হয়ে একে অপরকে কতল করে ফেলে। তখন অপরাধ আড়াল করার জন্য বলে, তার মধ্যে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল যে হত্যা করা ছাড়া উপায় ছিল না। হত্যা থেকে বিরত থাকা তার ক্ষমতার বাইরে ছিল। আসলে এমন সব পরিস্থিতি ও মজলিসে শয়তান উপস্থিত হয়। আর যাদের উপর শয়তান বেশি প্রভাব বিস্তার করতে পারে, তারা অন্যদের কতল করে ফেলে।

গান বাজনা শ্রবণে অন্তরের কোনো লাভ হয় না, তাতে কোনো উপকারও নেই, বরং উল্টো তাতে আছে গোমরাহী ও অনিষ্ট। গান অন্তরাত্মার জন্য সেরকম ক্ষতিকর যেমন মদ শরীরের জন্য । ফলে যারা সঙ্গীত শ্রবণে অভ্যস্ত হয়ে যায় তাদের নেশা মদ্যপায়ীর নেশা থেকেও মারাত্মক হয়। তারা গান-বাজনায় যে মজা পায় তা মদ্যপায়ীর মদ থেকেও অনেক বেশি।

শয়তানও তাদের নিয়ে খেলা করে। এই অবস্থায় তারা আগুনে প্রবেশ করে, কেউ গরম লোহা শরীরে কিংবা জিহবায় প্রবেশ করায়। অথবা এ জাতীয় অনিষ্টকর কাজে প্রবৃত্ত হয়। এমন লোকদের সালাত আদায় কিংবা কোরআন তেলাওয়াত কালে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয় না। এর মূল কারণ হচ্ছে, সালাত, জিকির, কোরআন তেলাওয়াত হচ্ছে শরিয়ত সম্মত ইবাদত, ঈমান বিষয়ক কাজ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাজ, যা শয়তানকে দূরে সরিয়ে দেয়। আর গান-বাজনা, ঢোল-তবলা ইবাদতের নামে বিদআত। এতে আছে শিরক ও শয়তানি সব কাজ, যাতে শয়তানরা সহজেই আকৃষ্ট হয়।