১
ব্যক্তি ও সমাজ সংশোধনে ইসলামি দিক নির্দেশনা
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
সন্তানদের সালাত শিক্ষা দেয়া
১। অল্প বয়স থেকেই ছেলে মেয়েদেরকে সালাত শিক্ষা দেয়া ওয়াজিব, যাতে বয়োপ্রাপ্ত হলে সর্বদা তা আদায়ে সচেষ্ট থাকে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সম্বন্ধে বলেছেন:
عَلِّمُواأولاَدَكُمْ الصَّلاةَ إذا بَلَغُوا سَبْعًا واضْرِبُوهم عَلَيْهَا إذا بَلَغُوأ عَشَرًا وَفَرقُّوا بَيْنَهُم فيِ الْمَضَاجِعِ ( صحيح رواه أحمد )
তোমাদের সন্তানদেরকে সালাত শেখাবে যখন তারা সাত বছর বয়সে উপনীত হয়, আর বয়স দশ বছর হয়ে গেলে তার জন্য তাদের প্রহার করবে। এবং বিছানায় তাদেরকে আলাদা করে দিবে। (সহিহ, বর্ণনায় আহমাদ)
সালাতের তালীম দিতে গিয়ে তাদেরকে প্রথমে অজু শেখাবে, তাদের সম্মুখে সালাত আদায় করবে, যা দেখে তারা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। তাদেরকে সাথে নিয়ে মসজিদে গমন করা। আর তাদের সেসব কিতাব পড়তে উদ্বুদ্ধ করা যাতে সালাতের সহিহ নিয়মাবলী আছে, যেন পরিবারের সকলে সালাতের নিয়মাবলী শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। এটা শিক্ষক ও পিতামাতা উভয়েরই দায়িত্ব। যদি এতে কোনো গাফেলতি করা হয়, তাহলে এ ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।
২। সন্তানদের কোরআন শেখাতে হবে। প্রথমে সূরা ফাতিহা ও অন্যান্য ছোট ছোট সূরাগুলি অর্থসহ শিক্ষা দিতে হবে। সালাতের নিয়মাবলী ও মাসনূন দোয়া যেমন আত্তাহিয়াতু, দরূদ ইত্যাদি শিক্ষা দিতে হবে। কোরআনের কায়দা-কানুন তথা তাজবিদ, কোরআন হিফজ ও প্রয়োজনীয় হাদিসের শিক্ষা দানের জন্য শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।
৩। সন্তানদের জুমুআ ও মসজিদে গিয়ে জামাতে সালাত আদায় করার ব্যাপারে উৎসাহিত করা। যদি সমজিদে গিয়ে তারা কোন ভুল ত্রুটি করে তবে মিষ্টি ভাষায় ভুল সংশোধন করে দেয়া। কোনো ধমক বা ভৎসনা না করা, যাতে তারা সালাত পরিত্যাগ করার কোনো অজুহাত তুলতে না পারে। তাহলেতো আমরা অপরাধী হয়ে যাব। আমরা যদি আমাদের শৈশবের ভুল ত্রুটি ও খেল তামাশার কথাগুলো স্মরণ করি, তাহলে সহজেই তাদের ক্ষমা করতে পারব।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সম্বন্ধে বলেছেন:
عَلِّمُواأولاَدَكُمْ الصَّلاةَ إذا بَلَغُوا سَبْعًا واضْرِبُوهم عَلَيْهَا إذا بَلَغُوأ عَشَرًا وَفَرقُّوا بَيْنَهُم فيِ الْمَضَاجِعِ ( صحيح رواه أحمد )
তোমাদের সন্তানদেরকে সালাত শেখাবে যখন তারা সাত বছর বয়সে উপনীত হয়, আর বয়স দশ বছর হয়ে গেলে তার জন্য তাদের প্রহার করবে। এবং বিছানায় তাদেরকে আলাদা করে দিবে। (সহিহ, বর্ণনায় আহমাদ)
সালাতের তালীম দিতে গিয়ে তাদেরকে প্রথমে অজু শেখাবে, তাদের সম্মুখে সালাত আদায় করবে, যা দেখে তারা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। তাদেরকে সাথে নিয়ে মসজিদে গমন করা। আর তাদের সেসব কিতাব পড়তে উদ্বুদ্ধ করা যাতে সালাতের সহিহ নিয়মাবলী আছে, যেন পরিবারের সকলে সালাতের নিয়মাবলী শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। এটা শিক্ষক ও পিতামাতা উভয়েরই দায়িত্ব। যদি এতে কোনো গাফেলতি করা হয়, তাহলে এ ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।
২। সন্তানদের কোরআন শেখাতে হবে। প্রথমে সূরা ফাতিহা ও অন্যান্য ছোট ছোট সূরাগুলি অর্থসহ শিক্ষা দিতে হবে। সালাতের নিয়মাবলী ও মাসনূন দোয়া যেমন আত্তাহিয়াতু, দরূদ ইত্যাদি শিক্ষা দিতে হবে। কোরআনের কায়দা-কানুন তথা তাজবিদ, কোরআন হিফজ ও প্রয়োজনীয় হাদিসের শিক্ষা দানের জন্য শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।
৩। সন্তানদের জুমুআ ও মসজিদে গিয়ে জামাতে সালাত আদায় করার ব্যাপারে উৎসাহিত করা। যদি সমজিদে গিয়ে তারা কোন ভুল ত্রুটি করে তবে মিষ্টি ভাষায় ভুল সংশোধন করে দেয়া। কোনো ধমক বা ভৎসনা না করা, যাতে তারা সালাত পরিত্যাগ করার কোনো অজুহাত তুলতে না পারে। তাহলেতো আমরা অপরাধী হয়ে যাব। আমরা যদি আমাদের শৈশবের ভুল ত্রুটি ও খেল তামাশার কথাগুলো স্মরণ করি, তাহলে সহজেই তাদের ক্ষমা করতে পারব।