১
ব্যক্তি ও সমাজ সংশোধনে ইসলামি দিক নির্দেশনা
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
মিথ্যাবাদী দজ্জালদের বিশ্বাস করো না
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
مَنْ اَتي عَرَّافاً أوْ كَاهِنًا فَصَدَّقَهُ بِمَا يَقُوْلُ فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أنْزِلَ عَلي مُحَمَّدٍ ( صحيح رواه أحمد )
যে ব্যক্তি কোনো গণক কিংবা (জিন পুজারি) ভবিষ্যদ্বক্তার নিকট গমন করল এবং সে যা বলে তা বিশ্বাস করল, তবে সে সেইসব বিষয়কে অস্বীকার করল যা রাসূলের সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপর অবতীর্ণ হয়েছে। ( মুসনাদ আহমাদ, সনদ সহিহ)
এ কারণে গণক, জিন পূজারি, যাদুকর এবং এই জাতীয় ব্যক্তি, যারা দাবী করে যে মানুষের অন্তরের খবর, রোগের ঔষধ কিংবা ভবিষ্যতের খবর তারা জানে, তাদের কথা বিশ্বাস করা হারাম। কারণ এ জাতীয় বিষয়াদি সম্বন্ধে একমাত্র আল্লাহ তাআলাই জ্ঞাত আছেন।
যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন:
(আরবি)
আর তিনি অন্তরসমূহের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত। (সূরা হাদিদ : ৬ )
অন্যত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন:
(আরবি)
বল আসমান ও জমিনে আল্লাহ ব্যতীত এমন কেউ নেই যে গায়েবের কথা জানে। (সূরা নামল : ৬৫ )
এ জাতীয় দাজ্জালদের নিকট হতে যেসব কথা বের হয়, তা হচ্ছে ধোকা ও প্রতারণা, অনুমান নির্ভর কথা। তাদের বেশিরভাগ কথা হচ্ছে শয়তানের তরফ হতে মিথ্যা ও বানোয়াট।
কেবলমাত্র স্বল্প বুদ্ধির লোকেরাই এইসব ধোকায় পতিত হয় । যদি তারা সত্যিই গায়েবের খবর জানত, তবে অবশ্যই মাটির নিচের গুপ্ত ধন সম্পদ বের করে নিত। ফলে তারা আর দরিদ্র থাকত না। প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের টাকা-পয়সা আত্মসাৎ করতে হত না। আর যদি তারা প্রকৃত অর্থেই সত্যবাদী হত, তবে তারা ইহুদিদের গোপন খবরাদি ও ষড়যন্ত্র সম্বন্ধে আমাদের জানিয়ে দিত, যদ্দ্বারা আমরা তাদের পরাজিত করতে পারতাম।
مَنْ اَتي عَرَّافاً أوْ كَاهِنًا فَصَدَّقَهُ بِمَا يَقُوْلُ فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أنْزِلَ عَلي مُحَمَّدٍ ( صحيح رواه أحمد )
যে ব্যক্তি কোনো গণক কিংবা (জিন পুজারি) ভবিষ্যদ্বক্তার নিকট গমন করল এবং সে যা বলে তা বিশ্বাস করল, তবে সে সেইসব বিষয়কে অস্বীকার করল যা রাসূলের সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপর অবতীর্ণ হয়েছে। ( মুসনাদ আহমাদ, সনদ সহিহ)
এ কারণে গণক, জিন পূজারি, যাদুকর এবং এই জাতীয় ব্যক্তি, যারা দাবী করে যে মানুষের অন্তরের খবর, রোগের ঔষধ কিংবা ভবিষ্যতের খবর তারা জানে, তাদের কথা বিশ্বাস করা হারাম। কারণ এ জাতীয় বিষয়াদি সম্বন্ধে একমাত্র আল্লাহ তাআলাই জ্ঞাত আছেন।
যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন:
(আরবি)
আর তিনি অন্তরসমূহের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত। (সূরা হাদিদ : ৬ )
অন্যত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন:
(আরবি)
বল আসমান ও জমিনে আল্লাহ ব্যতীত এমন কেউ নেই যে গায়েবের কথা জানে। (সূরা নামল : ৬৫ )
এ জাতীয় দাজ্জালদের নিকট হতে যেসব কথা বের হয়, তা হচ্ছে ধোকা ও প্রতারণা, অনুমান নির্ভর কথা। তাদের বেশিরভাগ কথা হচ্ছে শয়তানের তরফ হতে মিথ্যা ও বানোয়াট।
কেবলমাত্র স্বল্প বুদ্ধির লোকেরাই এইসব ধোকায় পতিত হয় । যদি তারা সত্যিই গায়েবের খবর জানত, তবে অবশ্যই মাটির নিচের গুপ্ত ধন সম্পদ বের করে নিত। ফলে তারা আর দরিদ্র থাকত না। প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের টাকা-পয়সা আত্মসাৎ করতে হত না। আর যদি তারা প্রকৃত অর্থেই সত্যবাদী হত, তবে তারা ইহুদিদের গোপন খবরাদি ও ষড়যন্ত্র সম্বন্ধে আমাদের জানিয়ে দিত, যদ্দ্বারা আমরা তাদের পরাজিত করতে পারতাম।