১
ব্যক্তি ও সমাজ সংশোধনে ইসলামি দিক নির্দেশনা
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৫
শ্রুতিমধুর কন্ঠস্বরের মাধ্যমে মেয়েদের ফিৎনা
সাহাবি বারাহ ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহুর কন্ঠস্বর ছিল মধুর। কোনো কোনো সফরে রাসূলের সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে চলার সময় ধর্মীয় গান গাইতেন। একদা যখন তিনি গান গাচ্ছিলেন, আর মহিলারা নিকটে এসে পড়ল, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, মেয়েদের থেকে সাবধান! ফলে তিনি নিশ্চুপ হয়ে পড়লেন। তার কণ্ঠস্বর মেয়েরা শ্রবণ করুক তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পসন্দ করেননি। (হাকেম)।
যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আশঙ্কা করে থাকেন যে, বাগানে গিয়ে সুর করে কবিতা পড়লে মেয়েদের মধ্যে ফিৎনা হবে, তাহলে বর্তমান যুগে মহিলারা রেডিও টেলিভিশনে যে ধরণের গান বাজনা করে, তাদের গান বাজনা শুনলে কি বলতেন? এই ধরনের গায়িকারা বেশির ভাগই নানা ধরনের ফাসেক ও নগ্ন কার্যকলাপে লিপ্ত থাকে, আর শরীরের নানাবিধ বর্ণনা দিয়ে যে ছন্দ পাঠ করে তাতে বিবিধ ধরনের অবস্থার ও নফসিয়াতের উদ্রেক করে। ফলে অন্তরে এমন রোগের সৃষ্টি হয় যা তাদেরকে উৎসাহিত করে লজ্জা শরম বির্সজন দিতে ও বেহায়াপনায় লিপ্ত হতে। যদি এই গানের সাথে মাতাল করা সুরের মিশ্রণ ঘটে, তবে তো তাদের বুদ্ধির বিভ্রম ঘটায়। যারাই গানের নেশায় পতিত হয়, গান তাদের সে রকম ক্ষতিই করে যা মদ পান করার মাধ্যমে হয়ে থাকে।
যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আশঙ্কা করে থাকেন যে, বাগানে গিয়ে সুর করে কবিতা পড়লে মেয়েদের মধ্যে ফিৎনা হবে, তাহলে বর্তমান যুগে মহিলারা রেডিও টেলিভিশনে যে ধরণের গান বাজনা করে, তাদের গান বাজনা শুনলে কি বলতেন? এই ধরনের গায়িকারা বেশির ভাগই নানা ধরনের ফাসেক ও নগ্ন কার্যকলাপে লিপ্ত থাকে, আর শরীরের নানাবিধ বর্ণনা দিয়ে যে ছন্দ পাঠ করে তাতে বিবিধ ধরনের অবস্থার ও নফসিয়াতের উদ্রেক করে। ফলে অন্তরে এমন রোগের সৃষ্টি হয় যা তাদেরকে উৎসাহিত করে লজ্জা শরম বির্সজন দিতে ও বেহায়াপনায় লিপ্ত হতে। যদি এই গানের সাথে মাতাল করা সুরের মিশ্রণ ঘটে, তবে তো তাদের বুদ্ধির বিভ্রম ঘটায়। যারাই গানের নেশায় পতিত হয়, গান তাদের সে রকম ক্ষতিই করে যা মদ পান করার মাধ্যমে হয়ে থাকে।