hadith book logo

ছোটদের আকীদাহ ও আখলাক

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৩২

১৩০. রাসূল ﷺ এর চারিত্রিক গুণাবলী কেমন ছিল?

রাসূল ﷺ ছিলেন অধিক ধৈর্যশীল।

তিনি ছিলেন খুবই সাহসী।

আল্লাহ ছাড়া কাউকে তিনি ভয় করতেন না।

তিনি ছিলেন মানুষের মধ্যে ন্যায়-ইনসাফ প্রতিষ্ঠাকারী।

কোন ব্যাপারে তিনি পক্ষপাতিত্ব করতেন না।

আপন-পর, ধনী-গরীব সবার সাথে তিনি সমান ব্যবহার করতেন।

তিনি ছিলেন ক্ষমাশীল, কেউ অন্যায় করলেও ক্ষমা করে দিতেন।

তিনি নিজের জুতা নিজেই সেলাই করতেন।

কাপড়ে তালি লাগাতেন।

ঘরে থাকলে স্ত্রীদের সাথে কাজে শরীক হতেন।

সালাতের সময় উপস্থিত হলে মসজিদে চলে যেতেন।

তিনি বড়ই লজ্জাশীল ছিলেন।

কেউ হাদিয়া দিলে তিনি তা গ্রহণ করতেন।

মিসকিনের দাওয়াতও তিনি গ্রহণ করতেন।

নিজের কোন স্বার্থের জন্য কারও উপর রাগ করতেন না।

হালাল কোন জিনিস পরিত্যাগ করতেন না।

তিনি হেলান দিয়ে খেতেন না এবং টেবিলের উপরে রেখেও খেতেন না।

তিনি খাবার পর পায়ের নিচে হাত মুছতেন।

কেউ মারা গেলে জানাযায় শরীক হতেন।

তিনি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে নরম স্বভাবের ছিলেন।

তিনি সুগন্ধি ভালবাসতেন।

মিসকিনদের সঙ্গে খাবার খেতেন, সম্মানিত লোকদেরকে তিনি সম্মান করতেন।

সকল আত্মীয়কে তিনি সমানভাবে দেখতেন ও তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখতেন।

কারও উপর কঠোরতা করতেন না।

কেউ কোন দোষ করে ওজর পেশ করলে তিনি ক্ষমা করে দিতেন।

কোন কোন সময় সত্য কথা দ্বারা কৌতুক করতেন।

তিনি যা খেতেন ও পরতেন দাস-দাসীদেরকেও তাই দিতেন।

তিনি তাঁর সাহাবীদের বাগানে যাতায়াত করতেন।

তিনি কোন মিসকিনকে হেয়প্রতিপন্ন করতেন না।

আবার কোন বাদশাকেও ভয় করতেন না।

রাসূল ﷺ কোন মুমিনকে কখনো গালি দেননি।

কোন স্ত্রীকে বা খাদেমকে তিরস্কার বা লানত করেননি।

আল্লাহর পথে জিহাদ ছাড়া তিনি কোনদিন কাউকে প্রহার করেননি।

আল্লাহর হক ছাড়া তিনি কারও কাছ থেকে প্রতিশোধ নেননি।

দু’টি কাজের মধ্যে এখতিয়ার দেয়া হলে তিনি সহজটি গ্রহণ করতেন।

গুনাহ বা আত্মীয়তার সম্পর্ক নষ্ট হয় এমন কাজ থেকে তিনি দূরে থাকতেন।

তিনি কর্কষভাষী ছিলেন না এবং কঠোর হৃদয়ের অধিকারীও ছিলেন না।

তিনি বাজারে গোলমালকারী ছিলেন না।

তিনি মন্দের বদলা মন্দ দিয়ে দিতেন না।