১
ছোটদের আকীদাহ ও আখলাক
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩৭
সামাজিক ভুল-ভ্রান্তি ১৩৫. কোন্ কোন্ কাজ শুদ্ধ নয় অথচ সমাজে চালু আছে?
তাহিয়্যাতুল মসজিদের সালাত না পড়ে মসজিদে বসা শুদ্ধ নয়।
জামাআত শুরু হয়ে গেলে আর সুন্নাত পড়া শুদ্ধ নয়।
কারুকার্যপূর্ণ জায়নামায ব্যবহার করা শুদ্ধ নয়।
কাতার সোজা করতে না বলে সালাত শুরু করা শুদ্ধ নয়।
মুক্তাদী একজন হলে একটু পিছনে দাড়ানো শুদ্ধ নয়।
ইমামের পেছনে সূরা ফাতিহা পাঠ না করা ঠিক নয়।
বিরতিহীনভাবে সূরা ফাতিহা পাঠ করা ঠিক নয়।
কেউ জোরে আমীন বললে তাকে ঘৃণা করা ঠিক নয়।
সূরা পাঠ করার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা শর্ত নয়।
সুযোগ থাকলে স্থান পরিবর্তন না করে সুন্নাত পড়া ঠিক নয়।
সুন্নাত-নফল থেকে ঘরকে খালি রাখা উচিত নয়।
মসজিদে দ্বিতীয় জামাআত না করা শুদ্ধ নয়।
দ্বিতীয় জামাআতে ইকামত না দেয়া শুদ্ধ নয়।
সালাতের দু‘আসমূহ মনে মনে পড়া শুদ্ধ নয়।
মাগরিবের আযানের সাথে সাথেই জামাআত শুরু করা শুদ্ধ নয়।
জামাআতে শরীক হওয়ার জন্য দৌড়ে যাওয়া শুদ্ধ নয়।
ইমামের অনুসরণের ক্ষেত্রে অগ্রগামী হওয়া শুদ্ধ নয়।
জুমু‘আর দ্বিতীয় আযান মিম্বরের পাশে দেয়া শুদ্ধ নয়।
মিম্বরে দাঁড়িয়ে সালাম না দিয়ে বসা শুদ্ধ নয়।
খুতবার সময় টাকা-পয়সা উঠানো শুদ্ধ নয়।
ঈদের সালাত শেষে সম্মিলিত মুনাজাত শুদ্ধ নয়।
জানাযার সালাতে সূরা ফাতিহা না পড়া ঠিক নয়।
কোনো উঁচু জিনিসের উপর সিজদা দেয়া শুদ্ধ নয়।
নারী-পুরুষের সালাতের মধ্যে পদ্ধতিগত পার্থক্য শুদ্ধ নয়।
মহিলাদেরকে জামাআতে শরীক হতে বাধা দেয়া ঠিক নয়।
মাথায় হাত দিয়ে দু‘আ পড়া শুদ্ধ নয়।
উমরি কাযা সালাত আদায় করার ভিত্তি নেই।
বিশ্ব ইজতেমাকে হজ্জের সাথে তুলনা করা শুদ্ধ নয়।
সহীহ কি না তা না জেনে হাদীস বর্ণনা করা শুদ্ধ নয়।
হাদীসের ৬টি কিতাবকে ছিহাহ সিত্তা বলা শুদ্ধ নয়। (কুতুস্সিত্তাহ বলবে)
প্রস্রাব করে ঢিলা নিয়ে জনসমক্ষে হাঁটা নির্লজ্জতা।
পায়ের টাখনোর নিচে কাপড় পরা হারাম।
সাত নামের তালিকা করে কুরবানী করা শুদ্ধ নয়।
কুরবানীর ভাগে আক্বীক্বা দেয়া শুদ্ধ নয়।
মুসলিমদের জন্য বিভিন্ন দিবস পালন করা ঠিক নয়।
শুধু ২৭ তরিখই শবে কদর মনে করা শুদ্ধ নয়।
কালেমার মর্মার্থ না বুঝে ঈমানদার দাবি করা ঠিক নয়।
আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে তাকবীর দেয়া ঠিক নয়।
সহীহ হাদীসের উপর আমলকারীকে তিরস্কার করা ঠিক নয়।
জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস- বলা সঠিক নয়।
ধর্মনিরপেক্ষ হওয়া শুদ্ধ নয়।
উৎসব যার যার আনন্দ সবার- বলা শুদ্ধ নয়।
কুরআন পাঠের সাথে অন্য ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা শুদ্ধ নয়।
আগে সালাম না দিয়ে বক্তৃতা শুরু করা শুদ্ধ নয়।
জামাআত শুরু হয়ে গেলে আর সুন্নাত পড়া শুদ্ধ নয়।
কারুকার্যপূর্ণ জায়নামায ব্যবহার করা শুদ্ধ নয়।
কাতার সোজা করতে না বলে সালাত শুরু করা শুদ্ধ নয়।
মুক্তাদী একজন হলে একটু পিছনে দাড়ানো শুদ্ধ নয়।
ইমামের পেছনে সূরা ফাতিহা পাঠ না করা ঠিক নয়।
বিরতিহীনভাবে সূরা ফাতিহা পাঠ করা ঠিক নয়।
কেউ জোরে আমীন বললে তাকে ঘৃণা করা ঠিক নয়।
সূরা পাঠ করার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা শর্ত নয়।
সুযোগ থাকলে স্থান পরিবর্তন না করে সুন্নাত পড়া ঠিক নয়।
সুন্নাত-নফল থেকে ঘরকে খালি রাখা উচিত নয়।
মসজিদে দ্বিতীয় জামাআত না করা শুদ্ধ নয়।
দ্বিতীয় জামাআতে ইকামত না দেয়া শুদ্ধ নয়।
সালাতের দু‘আসমূহ মনে মনে পড়া শুদ্ধ নয়।
মাগরিবের আযানের সাথে সাথেই জামাআত শুরু করা শুদ্ধ নয়।
জামাআতে শরীক হওয়ার জন্য দৌড়ে যাওয়া শুদ্ধ নয়।
ইমামের অনুসরণের ক্ষেত্রে অগ্রগামী হওয়া শুদ্ধ নয়।
জুমু‘আর দ্বিতীয় আযান মিম্বরের পাশে দেয়া শুদ্ধ নয়।
মিম্বরে দাঁড়িয়ে সালাম না দিয়ে বসা শুদ্ধ নয়।
খুতবার সময় টাকা-পয়সা উঠানো শুদ্ধ নয়।
ঈদের সালাত শেষে সম্মিলিত মুনাজাত শুদ্ধ নয়।
জানাযার সালাতে সূরা ফাতিহা না পড়া ঠিক নয়।
কোনো উঁচু জিনিসের উপর সিজদা দেয়া শুদ্ধ নয়।
নারী-পুরুষের সালাতের মধ্যে পদ্ধতিগত পার্থক্য শুদ্ধ নয়।
মহিলাদেরকে জামাআতে শরীক হতে বাধা দেয়া ঠিক নয়।
মাথায় হাত দিয়ে দু‘আ পড়া শুদ্ধ নয়।
উমরি কাযা সালাত আদায় করার ভিত্তি নেই।
বিশ্ব ইজতেমাকে হজ্জের সাথে তুলনা করা শুদ্ধ নয়।
সহীহ কি না তা না জেনে হাদীস বর্ণনা করা শুদ্ধ নয়।
হাদীসের ৬টি কিতাবকে ছিহাহ সিত্তা বলা শুদ্ধ নয়। (কুতুস্সিত্তাহ বলবে)
প্রস্রাব করে ঢিলা নিয়ে জনসমক্ষে হাঁটা নির্লজ্জতা।
পায়ের টাখনোর নিচে কাপড় পরা হারাম।
সাত নামের তালিকা করে কুরবানী করা শুদ্ধ নয়।
কুরবানীর ভাগে আক্বীক্বা দেয়া শুদ্ধ নয়।
মুসলিমদের জন্য বিভিন্ন দিবস পালন করা ঠিক নয়।
শুধু ২৭ তরিখই শবে কদর মনে করা শুদ্ধ নয়।
কালেমার মর্মার্থ না বুঝে ঈমানদার দাবি করা ঠিক নয়।
আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে তাকবীর দেয়া ঠিক নয়।
সহীহ হাদীসের উপর আমলকারীকে তিরস্কার করা ঠিক নয়।
জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস- বলা সঠিক নয়।
ধর্মনিরপেক্ষ হওয়া শুদ্ধ নয়।
উৎসব যার যার আনন্দ সবার- বলা শুদ্ধ নয়।
কুরআন পাঠের সাথে অন্য ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা শুদ্ধ নয়।
আগে সালাম না দিয়ে বক্তৃতা শুরু করা শুদ্ধ নয়।