১
ছোটদের আকীদাহ ও আখলাক
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৮
২৬. তাওহীদ কত প্রকার ও কী কী ?
তাওহীদ তিন প্রকার। যথা-
(১) تَوْحِيْدُ الرُّبُوْبِيَّةِ (তাওহীদুর রুবুবিয়্যাহ)
এই তাওহীদের মূল কথা হচ্ছে, কেবল আল্লাহকেই রব হিসেবে বিশবাস করা এবং স্বীকৃতি দেয়া। দুনিয়া জুড়ে সমগ্র সৃষ্টিকে লালনপালন করতে যা কিছুর প্রয়োজন হয়, সবকিছু কেবল একজনই করছেন। তিনি হলেন আল্লাহ। এক্ষেত্রে আল্লাহর সাথে অন্য কেউ অংশগ্রহণকারী নেই বা শরীক নেই। মহান আল্লাহ বলেন :
﴿يَاۤ أَيُّهَا النَّاسُ اذْكُرُوْا نِعْمَتَ اللهِ عَلَيْكُمْ ۚ هَلْ مِنْ خَالِقٍ غَيْرُ اللهِ يَرْزُقُكُمْ مِّنَ السَّمَآءِ وَالْأَرْضِ ۚ لَاۤ إِلٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ فَأَنّٰى تُؤْفَكُوْنَ﴾
হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহের কথা স্মরণ করো। তিনি ছাড়া কোন সৃষ্টিকর্তা আছে কি- যিনি তোমাদেরকে আকাশ ও জমিন থেকে রিযিক দান করেন? তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই। সুতরাং তোমরা কীভাবে প্রতারিত হচ্ছো। (সূরা ফাতির- ৩)
(২) تَوْحِيْدُ الْاَسْمَاءِ وَ الصِّفَاتِ (তাওহীদুল আসমাই ওয়াস-সিফাত)
‘তাওহীদুল আসমা ওয়াস সিফাত’ এর তাৎপর্য হলো : আল্লাহর সুন্দর সুন্দর নাম ও গুণাবলির ক্ষেত্রে তাঁর এককত্ব। আর তা হলো, পবিত্র কুরআন ও সহীহ হাদীসে আল্লাহ তা‘আলার যে সকল সুন্দর নাম ও উন্নত গুণাবলির বিবরণ এসেছে তা হুবহু আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত- এ কথা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে হবে। মহান আল্লাহ বলেন :
﴿اَللهُ لَاۤ إِلٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ لَهُ الْأَسْمَآءُ الْحُسْنٰى﴾
আল্লাহ! তিনি ছাড়া অন্য কোন (সত্য) মাবুদ নেই, সমস্ত উত্তম নাম তাঁরই। (সূরা ত্বাহা- ৮)
(৩) تَوْحِيْدُ الْاُلُوْهِيَّةِ (তাওহীদুল উলুহিয়্যাহ)
সমগ্র সৃষ্টিকুলের ইবাদাতের হকদার একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা- এ কথা জানা, বিশ্বাস করা এবং বাস্তবে আমল করা। মহান আল্লাহর জন্যই সমগ্র দ্বীনকে খালিস করা এবং কেবল আল্লাহর জন্যই যে কোন ইবাদাত পালন করাকে তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ বলে।
আল্লাহ তা‘আলা শিখাচ্ছেনঃ
﴿إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِيْنُ﴾
আমরা কেবল আপনারই ইবাদাত করি এবং আপনারই নিকট সাহায্য চাই। (সূরা ফাতিহা- ৫)
(১) تَوْحِيْدُ الرُّبُوْبِيَّةِ (তাওহীদুর রুবুবিয়্যাহ)
এই তাওহীদের মূল কথা হচ্ছে, কেবল আল্লাহকেই রব হিসেবে বিশবাস করা এবং স্বীকৃতি দেয়া। দুনিয়া জুড়ে সমগ্র সৃষ্টিকে লালনপালন করতে যা কিছুর প্রয়োজন হয়, সবকিছু কেবল একজনই করছেন। তিনি হলেন আল্লাহ। এক্ষেত্রে আল্লাহর সাথে অন্য কেউ অংশগ্রহণকারী নেই বা শরীক নেই। মহান আল্লাহ বলেন :
﴿يَاۤ أَيُّهَا النَّاسُ اذْكُرُوْا نِعْمَتَ اللهِ عَلَيْكُمْ ۚ هَلْ مِنْ خَالِقٍ غَيْرُ اللهِ يَرْزُقُكُمْ مِّنَ السَّمَآءِ وَالْأَرْضِ ۚ لَاۤ إِلٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ فَأَنّٰى تُؤْفَكُوْنَ﴾
হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহের কথা স্মরণ করো। তিনি ছাড়া কোন সৃষ্টিকর্তা আছে কি- যিনি তোমাদেরকে আকাশ ও জমিন থেকে রিযিক দান করেন? তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই। সুতরাং তোমরা কীভাবে প্রতারিত হচ্ছো। (সূরা ফাতির- ৩)
(২) تَوْحِيْدُ الْاَسْمَاءِ وَ الصِّفَاتِ (তাওহীদুল আসমাই ওয়াস-সিফাত)
‘তাওহীদুল আসমা ওয়াস সিফাত’ এর তাৎপর্য হলো : আল্লাহর সুন্দর সুন্দর নাম ও গুণাবলির ক্ষেত্রে তাঁর এককত্ব। আর তা হলো, পবিত্র কুরআন ও সহীহ হাদীসে আল্লাহ তা‘আলার যে সকল সুন্দর নাম ও উন্নত গুণাবলির বিবরণ এসেছে তা হুবহু আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত- এ কথা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে হবে। মহান আল্লাহ বলেন :
﴿اَللهُ لَاۤ إِلٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ لَهُ الْأَسْمَآءُ الْحُسْنٰى﴾
আল্লাহ! তিনি ছাড়া অন্য কোন (সত্য) মাবুদ নেই, সমস্ত উত্তম নাম তাঁরই। (সূরা ত্বাহা- ৮)
(৩) تَوْحِيْدُ الْاُلُوْهِيَّةِ (তাওহীদুল উলুহিয়্যাহ)
সমগ্র সৃষ্টিকুলের ইবাদাতের হকদার একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা- এ কথা জানা, বিশ্বাস করা এবং বাস্তবে আমল করা। মহান আল্লাহর জন্যই সমগ্র দ্বীনকে খালিস করা এবং কেবল আল্লাহর জন্যই যে কোন ইবাদাত পালন করাকে তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ বলে।
আল্লাহ তা‘আলা শিখাচ্ছেনঃ
﴿إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِيْنُ﴾
আমরা কেবল আপনারই ইবাদাত করি এবং আপনারই নিকট সাহায্য চাই। (সূরা ফাতিহা- ৫)