১
অন্য-পথের-কন্যারা
লেখকঃ Mrs. Carol. L. Anway M.S. Ed. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
নতুন পথ সম্বন্ধে কন্যাদের জ্ঞান লাভ
আমার প্রশ্নপত্রে যারা সাড়া দিয়েছিল তাদের ৬৩% ধর্মান্তরিত হবার আগে কোন মুসলিমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিল। বিয়ের সময়ে ইসলামের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গী- এক ধরনের ভয় থেকে নিয়ে ভালো মতো নিজেই ইসলাম সম্বন্ধে জানা, এর মাঝে সব ধরনের শ্রেণীভুক্তই ছিল। ২৩% বিয়ের আগেই ধর্মান্তরিত হয়েছে এবং পরে একজন মুসলিমের সাথে দেখা হয়েছে এবং তাকে বিয়ে করেছে। মেয়েদের ৬% রয়েছে এমন, যারা ইসলাম গ্রহণ করেছে কিন্তু এখনো বিয়ে করেনি। মাত্র একজন, আমেরিকান শ্বেতাঙ্গ অমুসলিমের স্ত্রী হয়েও ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হয়েছে।
মেয়েদের কেউই ইসলাম সম্বন্ধে জানার ব্যাপারে বা ধর্মান্তরিত হবার ব্যাপারে তাদের স্বামীর তরফ থেকে তাদের বাধ্য করা হয়েছে- এমন কোন অনুভবের কথা বলেনি। অনেক ক্ষেত্রেই উল্টো স্ত্রীর অনুসন্ধানই বরং স্বামীকে তার স্বীয় ধর্মের অনুশীলনে ফিরিয়ে এনেছে। এইসব মুসলিম স্বামীরা (যারা প্রায় ক্ষেত্রেই অনুশীলনরত ছিল না) মনে হয়, তাদের ধর্ম সম্বন্ধে বেশ অবগত ছিল। এটা ঠিক ইসলাম কি, তা না জানার ব্যাপার ছিল না- এটা ছিল নিজের পরিবার এবং দেশ থেকে দূরে একটা স্থানে বসবাসের ব্যাপার। যেখানে ইসলামের অনুশীলন কষ্টকর ছিল। পরিবারের দায়িত্ব এবং একজন অনুসন্ধিৎসু, সমর্থনকারিণী স্ত্রী স্বভাবতই তাদের আবার তাদের বিশ্বাসের অনুশীলনের মাঝে টেনে নিয়ে আসে।
যদিও খুঁটিনাটি বিচারে এই সমস্ত মেয়েদের কাহিনী স্বাতন্ত্র বহন করে। তবু ইসলামের সাথে তাদের পরিচয় ও ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে তাদের ঘটনাবলীর অনেক সাদৃশ্যও রয়েছে। অধিকাংশ মেয়েদের ইসলামের সাথে পরিচয় হয় তাদের স্বামীদের মাধ্যমে। অন্যদের পরিচয় হয় তারা কলেজে যে বিষয় বেছে নিয়েছিল তার মাধ্যমে এবং অল্প সংখ্যক এমন রয়েছে- যাদের ইসলাম সম্বন্ধে জানার সূত্রপাত তাদের মুসলিম পড়শীদের মাধ্যমে অথবা তারা যখন কোন মুসলিম দেশে বেড়াতে গিয়েছিল সেখান থেকে। ইসলাম তাদের হৃদয়ের একটা প্রয়োজনকে ছুঁয়ে গেছে। প্রত্যেকে নিজের মতো করে ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং শাহাদা উচ্চারণ করেছে- যা কিনা নাই কোন ঈশ্বর, আল্লাহ ছাড়া এবং মুহাম্মদ আল্লাহর প্রেরিত রসূল” এই ঘোষণা দিয়ে নিজেকে মুসলিম বলে ঘোষণা করা। নীচের ঘটনাগুলোতে তারা যে বিভিন্নভাবে ইসলাম সম্বন্ধে জেনেছে এবং যে সমস্ত অভিজ্ঞতার ভিতর দিয়ে তারা ধর্মান্তরিত হয়েছে এবং ঘোষণা দেয়ার পর্যায়ে এসেছে, সে সম্বন্ধে আমাদের একটা ধারণা তৈরি হবে।
মেয়েদের কেউই ইসলাম সম্বন্ধে জানার ব্যাপারে বা ধর্মান্তরিত হবার ব্যাপারে তাদের স্বামীর তরফ থেকে তাদের বাধ্য করা হয়েছে- এমন কোন অনুভবের কথা বলেনি। অনেক ক্ষেত্রেই উল্টো স্ত্রীর অনুসন্ধানই বরং স্বামীকে তার স্বীয় ধর্মের অনুশীলনে ফিরিয়ে এনেছে। এইসব মুসলিম স্বামীরা (যারা প্রায় ক্ষেত্রেই অনুশীলনরত ছিল না) মনে হয়, তাদের ধর্ম সম্বন্ধে বেশ অবগত ছিল। এটা ঠিক ইসলাম কি, তা না জানার ব্যাপার ছিল না- এটা ছিল নিজের পরিবার এবং দেশ থেকে দূরে একটা স্থানে বসবাসের ব্যাপার। যেখানে ইসলামের অনুশীলন কষ্টকর ছিল। পরিবারের দায়িত্ব এবং একজন অনুসন্ধিৎসু, সমর্থনকারিণী স্ত্রী স্বভাবতই তাদের আবার তাদের বিশ্বাসের অনুশীলনের মাঝে টেনে নিয়ে আসে।
যদিও খুঁটিনাটি বিচারে এই সমস্ত মেয়েদের কাহিনী স্বাতন্ত্র বহন করে। তবু ইসলামের সাথে তাদের পরিচয় ও ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে তাদের ঘটনাবলীর অনেক সাদৃশ্যও রয়েছে। অধিকাংশ মেয়েদের ইসলামের সাথে পরিচয় হয় তাদের স্বামীদের মাধ্যমে। অন্যদের পরিচয় হয় তারা কলেজে যে বিষয় বেছে নিয়েছিল তার মাধ্যমে এবং অল্প সংখ্যক এমন রয়েছে- যাদের ইসলাম সম্বন্ধে জানার সূত্রপাত তাদের মুসলিম পড়শীদের মাধ্যমে অথবা তারা যখন কোন মুসলিম দেশে বেড়াতে গিয়েছিল সেখান থেকে। ইসলাম তাদের হৃদয়ের একটা প্রয়োজনকে ছুঁয়ে গেছে। প্রত্যেকে নিজের মতো করে ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং শাহাদা উচ্চারণ করেছে- যা কিনা নাই কোন ঈশ্বর, আল্লাহ ছাড়া এবং মুহাম্মদ আল্লাহর প্রেরিত রসূল” এই ঘোষণা দিয়ে নিজেকে মুসলিম বলে ঘোষণা করা। নীচের ঘটনাগুলোতে তারা যে বিভিন্নভাবে ইসলাম সম্বন্ধে জেনেছে এবং যে সমস্ত অভিজ্ঞতার ভিতর দিয়ে তারা ধর্মান্তরিত হয়েছে এবং ঘোষণা দেয়ার পর্যায়ে এসেছে, সে সম্বন্ধে আমাদের একটা ধারণা তৈরি হবে।