১
অন্য-পথের-কন্যারা
লেখকঃ Mrs. Carol. L. Anway M.S. Ed. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৮
গ্রহণযোগ্যতা কোন পারিবারিক ইস্যু নয়
ধর্মান্তরিত দু’জন মেয়ের মতে, তাদের সিদ্ধান্ত সম্বন্ধে তাদের আদি পরিবারের বলার কিছু ছিল না। তারা অনুভব করেছে যে, এটা তাদের পরিবারের কোন ব্যাপার ছিল না। আর মেয়ের সিদ্ধান্তে যদি তারা বিচলিত হয়েই থাকে, তবে সেটা পরিবারের সমস্যা, মেয়ের নয়।
আমার পরিবারের উপর এসবের প্রভাবের কোন অস্তিত্ব নেই। আমি একজন প্রাপ্তবয়স্কা এবং আমি কি করবো, তা আমিই ঠিক করি। আমরা প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবেই আচরণ করি, আর আমাদের জীবন কিভাবে যাপন করবে, তার অনুমতি নিতে যাই না। ধর্ম আমার বাবা-মার জীবনের কোন দৃশ্যমান অংশ নয়। আর কেউ জিজ্ঞেস না করলে, আমরা ধর্ম নিয়ে কথাও বলি না। আমরা যখন বিদেশে চলে যাবো, আমার মনে হয় তারা বুঝবে। কিন্তু যদি তারা না বোঝে, তবে ব্যাপারটা তাদের নিজেদেরই সামলাতে হবে।
আমার পরিবারের সাথে আমার সম্পর্কের উপর আমার মুসলিম হওয়ার কোন প্রভাব নেই। তারা জানতো, তারা আমার ধর্মকে মেনে নিতে পারে অথবা প্রত্যাখ্যান করতে পারে- তাতে কিছুই আসে যায় না। আমার স্বামী (অমুসলিম), আমার পরিবর্তনসমূহ মেনে নিয়েছে। কারণ সে আমাকে সম্মান করে।
আমি আমেরিকার পশ্চিম অংশে থাকি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা পূর্ব অথবা মধ্য-পশ্চিমে থাকে। আমার বোধ হয়, তারা বুঝিবা কখনই পুরোপুরি বুঝবে না। কিন্তু তারা যখন জানলো যে, আমি মুসলিম এবং আমাকে কেউ প্রভাবান্বিত করেনি এই সিদ্ধান্ত নিতে, তারা মেনে নিয়েছে যে আল্লাহ্ (SWT) যাকে ইচ্ছা তাকেই হেদায়েত দেন।
প্রশ্নমালার কোন উত্তরের ক্ষেত্রেই এমন কোন আভাস পাওয়া যায়নি যে, মেয়েরা তাদের বাবা-মাকে বা পরিবারকে রাগাতে বা তাদের উপর কোন প্রতিশোধ নিতে মুসলিম হচ্ছিল। বেশীর ভাগেরই ধারণা ছিল যে, তাদের কাজকর্মে সম্পর্কের অবনতি ঘটবে আর তাই তারা চেষ্টা করেছে, তাদের ধর্মান্তরিত হবার খবর যেন অপেক্ষাকৃত কোমলভাবে প্রকাশিত হয়, তার উপায় বের করতে। কিন্তু এইসব মেয়েদের জন্য, এই নতুন লাভ করা বিশ্বাসের জন্য, যদি পরিবারকে হারানোই একমাত্র পরিণতি হতো, তবে তারা তার বিনিময়েও তাদের বিশ্বাসকেই মূল্যবান বা আকাক্ষিত মনে করতো। তারা তাদের পথ বেছে নিয়েছিল এবং সেই পথে পাড়ি জমাবার সংকল্পও করেছিল।
আমার পরিবারের উপর এসবের প্রভাবের কোন অস্তিত্ব নেই। আমি একজন প্রাপ্তবয়স্কা এবং আমি কি করবো, তা আমিই ঠিক করি। আমরা প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবেই আচরণ করি, আর আমাদের জীবন কিভাবে যাপন করবে, তার অনুমতি নিতে যাই না। ধর্ম আমার বাবা-মার জীবনের কোন দৃশ্যমান অংশ নয়। আর কেউ জিজ্ঞেস না করলে, আমরা ধর্ম নিয়ে কথাও বলি না। আমরা যখন বিদেশে চলে যাবো, আমার মনে হয় তারা বুঝবে। কিন্তু যদি তারা না বোঝে, তবে ব্যাপারটা তাদের নিজেদেরই সামলাতে হবে।
আমার পরিবারের সাথে আমার সম্পর্কের উপর আমার মুসলিম হওয়ার কোন প্রভাব নেই। তারা জানতো, তারা আমার ধর্মকে মেনে নিতে পারে অথবা প্রত্যাখ্যান করতে পারে- তাতে কিছুই আসে যায় না। আমার স্বামী (অমুসলিম), আমার পরিবর্তনসমূহ মেনে নিয়েছে। কারণ সে আমাকে সম্মান করে।
আমি আমেরিকার পশ্চিম অংশে থাকি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা পূর্ব অথবা মধ্য-পশ্চিমে থাকে। আমার বোধ হয়, তারা বুঝিবা কখনই পুরোপুরি বুঝবে না। কিন্তু তারা যখন জানলো যে, আমি মুসলিম এবং আমাকে কেউ প্রভাবান্বিত করেনি এই সিদ্ধান্ত নিতে, তারা মেনে নিয়েছে যে আল্লাহ্ (SWT) যাকে ইচ্ছা তাকেই হেদায়েত দেন।
প্রশ্নমালার কোন উত্তরের ক্ষেত্রেই এমন কোন আভাস পাওয়া যায়নি যে, মেয়েরা তাদের বাবা-মাকে বা পরিবারকে রাগাতে বা তাদের উপর কোন প্রতিশোধ নিতে মুসলিম হচ্ছিল। বেশীর ভাগেরই ধারণা ছিল যে, তাদের কাজকর্মে সম্পর্কের অবনতি ঘটবে আর তাই তারা চেষ্টা করেছে, তাদের ধর্মান্তরিত হবার খবর যেন অপেক্ষাকৃত কোমলভাবে প্রকাশিত হয়, তার উপায় বের করতে। কিন্তু এইসব মেয়েদের জন্য, এই নতুন লাভ করা বিশ্বাসের জন্য, যদি পরিবারকে হারানোই একমাত্র পরিণতি হতো, তবে তারা তার বিনিময়েও তাদের বিশ্বাসকেই মূল্যবান বা আকাক্ষিত মনে করতো। তারা তাদের পথ বেছে নিয়েছিল এবং সেই পথে পাড়ি জমাবার সংকল্পও করেছিল।