১
অন্য-পথের-কন্যারা
লেখকঃ Mrs. Carol. L. Anway M.S. Ed. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
ইসলাম সম্বন্ধে একটা ইসলামী দেশে অবস্থান সূত্রে জানা
কিছু মেয়েরা সত্যি সত্যি ইসলামী দেশ ঘুরেছিল এবং সেখানকার অধিবাসী ও তাদের ইসলামিক জীবনধারা, এদের উপর গভীর প্রভাব বিস্তার করেছিল। ইসলামের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা সভ্যতায় স্বাভাবিক আচারআচরণ ও জীবন ধারা এরা নিরীক্ষণ করেছিল।
আমার বয়স যখন ১৮, তখন আমি আমার ছেলে-বন্ধুকে বিয়ে করি, কারণ সে ভিয়েতনামে যাচ্ছিল। আমি ঠিক করলাম সেনা মেডিকেল কোর-এ নাম লেখাবো। এ সময় আমি ইহুদীবাদ পড়ছিলাম (যদিও তখন আমি একজন খৃস্টান ছিলাম)। প্রধানতঃ কারণ তারা JESUS-কে সকল পাপ মোচনকারী বলে মানে । কিন্তু আমি বুঝলাম যে আমি JESUS-কে নবী মানি, কিন্তু ইহুদীরা তা মানে । আমি কুমারীর সন্তান প্রসবও মানি, কিন্তু ইহুদীরা তাও মানে না। এছাড়া তাদের প্রায় সব বিশ্বাসই আমার জন্য চলনসই ছিল- খৃস্টান ধর্ম যাজকদের সাথে আমার যে তর্ক-বিতর্ক হতো, তারচেয়ে তো অবশ্যই স্বতন্ত্র। তাই আমি নিজেকে মনে মনে একজন অ-ইহুদী ইহুদী বলে মনে করতাম।
আমি যুদ্ধ ক্ষেত্রের জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন নার্স ছিলাম এবং সায়গনের পতনের ঠিক আগের দিনগুলোতে ভিয়েতনামে ছিলাম (হা, প্রকৃত ভিয়েতনাম ফেরত- একটি ব্রোঞ্জ তারকা এবং দুইটি বেগুনি হার্ট প্রাপ্ত)। একটা রিলিফ কার্যক্রমে, জাতিসংঘের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত লোকবলের প্রয়োজন হলে, ১৯৭৮ সালে আমাকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছিল- ঐ সময় কলেরার মহামারী সৌদি আরবের দক্ষিণ অঞ্চল, ওমান এবং ইয়েমেন জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, আর সে জন্য টিকাদান ও সেবার জরুরী প্রয়োজন পড়ে। বুড়ো মানুষের মতো অনেক শিশুরাও মারা যাচ্ছিল। যখন সময় হতো, আমি বেদুঈনদের নামাজ পড়া চেয়ে দেখতাম, যদিও শুধু একটা শব্দই, ‘আল্লাহ’, আমি বুঝতে পারতাম, তবু তাদের একাগ্রতা আমাকে মুগ্ধ করতো।
১৯৮০ সালের গোড়ার দিকে আমি আমার স্বামীকে নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ভ্রমণে যাই। আমি যখন ইসলাম সম্বন্ধে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলাম, তার এক পর্যায়ে CAIRO-তে আমার ‘আলোর বাল্ব’ মৃদু থেকে উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে উঠলো। আমার বিয়ে ভেঙ্গে যাবার পর্যায়ে ছিল। আর যখন বিবাহ বিচ্ছেদ সত্যি এলো, তখন আমার একটা স্নায়বিক ভাঙ্গন বা মানসিক ধ্বস নামলো। কারণ আমার এবং আমার স্বামীর পরিবার আমাকে ঐ বিপজ্জনক ‘ধর্মীয়তন্ত্রের’ (CULT) হাত থেকে রক্ষা করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল, যার প্রতি আমি মুগ্ধ বোধ করছিলাম। এসবের চাপে আমি দ্বিধা-সংশয়ে ভেঙ্গে পড়ি। কঠিন চিকিৎসার পরে, আমি দক্ষিণে কলেজে ফিরে যাই, আমার অর্ধ। সমাপ্ত ব্যাচেলর ডিগ্রী শেষ করতে। সেখানে আমার সাথে অনেক মুসলিম শিক্ষার্থীর দেখা হয়। যারা তাদের ধর্মে আমার জ্ঞান দেখে অবাক হয়ে যায়। ৬ মাস পরে আমি সার্বক্ষণিক কোরআন পড়ছিলাম এবং ১৯৮৯'র রমজান মাসে আমি আমার শাহাদা’ গ্রহণ করি।
আমার ধর্মান্তরকরণ শুরু হয় যখন আমি PURDUE UNIVERSITY-তে একটা ধর্মের ক্লাস নিই। ইসলামের সাথে প্রথম পরিচয়ই আমার মনে দোলা দেয় এবং আমার জানা সব ধর্মের চেয়ে বেশী অর্থবহ মনে হয়। তারপরে আমি গ্রীষ্মকালীন এক শিক্ষা সফরে মিসরে যাবার সিদ্ধান্ত নেই, যাতে একটা মুসলিম দেশ, মসজিদ এবং মুসলিম সাধারণ মানুষকে সরাসরি দেখতে পারি। এই ভ্রমণ দারুণভাবে আমার মানস চক্ষু খুলে দেয়। মিসর থেকে ফিরে : আমি স্থানীয় মসজিদে যাই এবং মুসলিম বোনেরা আমাকে জীবনের জ্ঞানের পথে যাত্রা শুরু করতে সাহায্য করে। ১৯৯৩ সালে আমি ধর্মান্তরিত হই এবং আমার জীবনের শান্তি খুঁজে পাই। ধর্মান্তরিত হবার আগে আমি ধার্মিক ছিলাম না। আমি মদ খেতাম এবং উচ্ছল জীবন যাপন করতাম। ইসলাম আমাকে শিক্ষা দিয়েছে যে এই জীবন আগামী জীবনের জন্য বিচারক্ষেত্র আর আল্লাহকে সন্তুষ্ট করাটাই সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাপার।
AFRICAN AND MIDDLE EASTERN STUDIES-9 fegits মুখ্য বিষয়ের অংশ হিসেবে আমি ইসলাম সম্বন্ধে পড়ি- আমি বিশ্বাস করতাম না যে এ যুগেও সত্যি সত্যি কেউ ইসলাম সম্মতভাবে চলতে পারে।
স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে আমি পশ্চিম আফ্রিকায় যাই এবং সেখানে ৩ মাস অবস্থান করি। ঐ সময়ে আমি সত্যিকার মুসলিমদের দেখা পাই। আজান শুনলে তারা মসজিদে দৌড়ে যেতো। নিজের মৌলিক প্রয়োজন মিটিয়ে কারো বাড়তি অর্থ থাকলে তারা তা কম সৌভাগ্যবানদের দান করতো। তাদের জিহ্বায় সব সময় আল্লাহর নাম থাকতো। তাদের সাথে থাকাটা আমার যত বেশী হতে লাগলো, আমি ততই বেশী করে ইসলাম গ্রহণ করতে চাইতে লাগলাম।
আমি এক সময় খুব অসুস্থ হয়ে পড়লাম এবং আমাকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার প্রয়োজন পড়লো (রাজধানীতে)। আমাকে সান্ত্বনা দেয়ার কেউ ছিল না। আমার সব বন্ধুরাই দূরে ছিল। আমি কেবল প্রার্থনাই করতে পারতাম। প্রায় তিনদিন আমি সারাক্ষণই প্রার্থনা করি। YUSUF ISLAM (CAT STEVENS)-এর ধর্মান্তরিত হবার গল্প আমার মনে পড়ছিল; তিনি তলিয়ে যাচ্ছিলেন এবং তিনি ঈশ্বরের কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, তিনি তার জীবন ঈশ্বরের পথে উৎসর্গ করবেন, যদি ঈশ্বর তাকে তার জীবন ফিরিয়ে দেন। আমিও একই কাজ করলাম। দুইদিনের ভিতর আমি গ্রামে আমার মুসলিম বন্ধুদের কাছে ফিরে গেলাম। কিন্তু তখনও ধর্ম পরিবর্তন প্রতিরোধ করলাম।
যখন আমেরিকায় ফিরে আসলাম, তখন আমার অবস্থা করুণ হয়ে দাঁড়ালো। আমি যা চাইতাম তার চেয়ে দারুণভাবে বিচ্যুত একটা সমাজে বসবাস করা আমার জন্য দুরূহ হয়ে উঠলো। আমার সাথে বেশ কিছু আমেরিকান এবং আরব মুসলমানদের দেখা হয়- যারা খুব ভদ্রভাবে সব ত্যাগ করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের অনুপ্রেরণা দিতো। ইসলামের টান প্রতিরোধ করার চেষ্টায় আমি এতোই পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম যে, শেষ পর্যন্ত ২১শে জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে আমি ধর্মান্তরিত হই।
এই সমস্ত মেয়েরা ইসলামিক দেশে যা দেখেছে, তাতে তারা অভিভূত হয়ে গিয়েছে বলে মনে হয়। তারা যা দেখেছে এবং অনুভব করেছে, তাতে তাদের মাঝে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আর তাই তারা যা জেনেছে তার অংশ বিশেষ হয়ে গিয়ে তার প্রতি সাড়া দিয়েছে।
আমার বয়স যখন ১৮, তখন আমি আমার ছেলে-বন্ধুকে বিয়ে করি, কারণ সে ভিয়েতনামে যাচ্ছিল। আমি ঠিক করলাম সেনা মেডিকেল কোর-এ নাম লেখাবো। এ সময় আমি ইহুদীবাদ পড়ছিলাম (যদিও তখন আমি একজন খৃস্টান ছিলাম)। প্রধানতঃ কারণ তারা JESUS-কে সকল পাপ মোচনকারী বলে মানে । কিন্তু আমি বুঝলাম যে আমি JESUS-কে নবী মানি, কিন্তু ইহুদীরা তা মানে । আমি কুমারীর সন্তান প্রসবও মানি, কিন্তু ইহুদীরা তাও মানে না। এছাড়া তাদের প্রায় সব বিশ্বাসই আমার জন্য চলনসই ছিল- খৃস্টান ধর্ম যাজকদের সাথে আমার যে তর্ক-বিতর্ক হতো, তারচেয়ে তো অবশ্যই স্বতন্ত্র। তাই আমি নিজেকে মনে মনে একজন অ-ইহুদী ইহুদী বলে মনে করতাম।
আমি যুদ্ধ ক্ষেত্রের জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন নার্স ছিলাম এবং সায়গনের পতনের ঠিক আগের দিনগুলোতে ভিয়েতনামে ছিলাম (হা, প্রকৃত ভিয়েতনাম ফেরত- একটি ব্রোঞ্জ তারকা এবং দুইটি বেগুনি হার্ট প্রাপ্ত)। একটা রিলিফ কার্যক্রমে, জাতিসংঘের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত লোকবলের প্রয়োজন হলে, ১৯৭৮ সালে আমাকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছিল- ঐ সময় কলেরার মহামারী সৌদি আরবের দক্ষিণ অঞ্চল, ওমান এবং ইয়েমেন জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, আর সে জন্য টিকাদান ও সেবার জরুরী প্রয়োজন পড়ে। বুড়ো মানুষের মতো অনেক শিশুরাও মারা যাচ্ছিল। যখন সময় হতো, আমি বেদুঈনদের নামাজ পড়া চেয়ে দেখতাম, যদিও শুধু একটা শব্দই, ‘আল্লাহ’, আমি বুঝতে পারতাম, তবু তাদের একাগ্রতা আমাকে মুগ্ধ করতো।
১৯৮০ সালের গোড়ার দিকে আমি আমার স্বামীকে নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ভ্রমণে যাই। আমি যখন ইসলাম সম্বন্ধে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলাম, তার এক পর্যায়ে CAIRO-তে আমার ‘আলোর বাল্ব’ মৃদু থেকে উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে উঠলো। আমার বিয়ে ভেঙ্গে যাবার পর্যায়ে ছিল। আর যখন বিবাহ বিচ্ছেদ সত্যি এলো, তখন আমার একটা স্নায়বিক ভাঙ্গন বা মানসিক ধ্বস নামলো। কারণ আমার এবং আমার স্বামীর পরিবার আমাকে ঐ বিপজ্জনক ‘ধর্মীয়তন্ত্রের’ (CULT) হাত থেকে রক্ষা করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল, যার প্রতি আমি মুগ্ধ বোধ করছিলাম। এসবের চাপে আমি দ্বিধা-সংশয়ে ভেঙ্গে পড়ি। কঠিন চিকিৎসার পরে, আমি দক্ষিণে কলেজে ফিরে যাই, আমার অর্ধ। সমাপ্ত ব্যাচেলর ডিগ্রী শেষ করতে। সেখানে আমার সাথে অনেক মুসলিম শিক্ষার্থীর দেখা হয়। যারা তাদের ধর্মে আমার জ্ঞান দেখে অবাক হয়ে যায়। ৬ মাস পরে আমি সার্বক্ষণিক কোরআন পড়ছিলাম এবং ১৯৮৯'র রমজান মাসে আমি আমার শাহাদা’ গ্রহণ করি।
আমার ধর্মান্তরকরণ শুরু হয় যখন আমি PURDUE UNIVERSITY-তে একটা ধর্মের ক্লাস নিই। ইসলামের সাথে প্রথম পরিচয়ই আমার মনে দোলা দেয় এবং আমার জানা সব ধর্মের চেয়ে বেশী অর্থবহ মনে হয়। তারপরে আমি গ্রীষ্মকালীন এক শিক্ষা সফরে মিসরে যাবার সিদ্ধান্ত নেই, যাতে একটা মুসলিম দেশ, মসজিদ এবং মুসলিম সাধারণ মানুষকে সরাসরি দেখতে পারি। এই ভ্রমণ দারুণভাবে আমার মানস চক্ষু খুলে দেয়। মিসর থেকে ফিরে : আমি স্থানীয় মসজিদে যাই এবং মুসলিম বোনেরা আমাকে জীবনের জ্ঞানের পথে যাত্রা শুরু করতে সাহায্য করে। ১৯৯৩ সালে আমি ধর্মান্তরিত হই এবং আমার জীবনের শান্তি খুঁজে পাই। ধর্মান্তরিত হবার আগে আমি ধার্মিক ছিলাম না। আমি মদ খেতাম এবং উচ্ছল জীবন যাপন করতাম। ইসলাম আমাকে শিক্ষা দিয়েছে যে এই জীবন আগামী জীবনের জন্য বিচারক্ষেত্র আর আল্লাহকে সন্তুষ্ট করাটাই সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাপার।
AFRICAN AND MIDDLE EASTERN STUDIES-9 fegits মুখ্য বিষয়ের অংশ হিসেবে আমি ইসলাম সম্বন্ধে পড়ি- আমি বিশ্বাস করতাম না যে এ যুগেও সত্যি সত্যি কেউ ইসলাম সম্মতভাবে চলতে পারে।
স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে আমি পশ্চিম আফ্রিকায় যাই এবং সেখানে ৩ মাস অবস্থান করি। ঐ সময়ে আমি সত্যিকার মুসলিমদের দেখা পাই। আজান শুনলে তারা মসজিদে দৌড়ে যেতো। নিজের মৌলিক প্রয়োজন মিটিয়ে কারো বাড়তি অর্থ থাকলে তারা তা কম সৌভাগ্যবানদের দান করতো। তাদের জিহ্বায় সব সময় আল্লাহর নাম থাকতো। তাদের সাথে থাকাটা আমার যত বেশী হতে লাগলো, আমি ততই বেশী করে ইসলাম গ্রহণ করতে চাইতে লাগলাম।
আমি এক সময় খুব অসুস্থ হয়ে পড়লাম এবং আমাকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার প্রয়োজন পড়লো (রাজধানীতে)। আমাকে সান্ত্বনা দেয়ার কেউ ছিল না। আমার সব বন্ধুরাই দূরে ছিল। আমি কেবল প্রার্থনাই করতে পারতাম। প্রায় তিনদিন আমি সারাক্ষণই প্রার্থনা করি। YUSUF ISLAM (CAT STEVENS)-এর ধর্মান্তরিত হবার গল্প আমার মনে পড়ছিল; তিনি তলিয়ে যাচ্ছিলেন এবং তিনি ঈশ্বরের কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, তিনি তার জীবন ঈশ্বরের পথে উৎসর্গ করবেন, যদি ঈশ্বর তাকে তার জীবন ফিরিয়ে দেন। আমিও একই কাজ করলাম। দুইদিনের ভিতর আমি গ্রামে আমার মুসলিম বন্ধুদের কাছে ফিরে গেলাম। কিন্তু তখনও ধর্ম পরিবর্তন প্রতিরোধ করলাম।
যখন আমেরিকায় ফিরে আসলাম, তখন আমার অবস্থা করুণ হয়ে দাঁড়ালো। আমি যা চাইতাম তার চেয়ে দারুণভাবে বিচ্যুত একটা সমাজে বসবাস করা আমার জন্য দুরূহ হয়ে উঠলো। আমার সাথে বেশ কিছু আমেরিকান এবং আরব মুসলমানদের দেখা হয়- যারা খুব ভদ্রভাবে সব ত্যাগ করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের অনুপ্রেরণা দিতো। ইসলামের টান প্রতিরোধ করার চেষ্টায় আমি এতোই পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম যে, শেষ পর্যন্ত ২১শে জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে আমি ধর্মান্তরিত হই।
এই সমস্ত মেয়েরা ইসলামিক দেশে যা দেখেছে, তাতে তারা অভিভূত হয়ে গিয়েছে বলে মনে হয়। তারা যা দেখেছে এবং অনুভব করেছে, তাতে তাদের মাঝে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আর তাই তারা যা জেনেছে তার অংশ বিশেষ হয়ে গিয়ে তার প্রতি সাড়া দিয়েছে।