১
অন্য-পথের-কন্যারা
লেখকঃ Mrs. Carol. L. Anway M.S. Ed. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৪
তারা পিছনে যা ফেলে এসেছে
মুসলিম পথে যাত্রা করতে গিয়ে আমাদের আলোচ্য মেয়েদের অনেক কিছুকে পিছনে ফেলে আসতে হয়েছে, যেসবের সাথে হয়তো তারা বেড়ে উঠেছিল। মেয়েরা এমন কোন আভাস দেয়নি যে, ইসলামে ধর্মান্তরিত হতে গিয়ে তারা যা পিছনে ফেলে এসেছে, তার জন্য খুব দুঃখিত। বেশীরভাগই শুকরিয়া আদায় করেছে যে, তারা জীবন ধারণের এই পথ খুঁজে পেয়েছে। কিন্তু কিছু সংখ্যক স্বীকার করেছে যে, নতুন জীবনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে গিয়ে তাদের এমন কিছু ত্যাগ করতে হয়েছে যা আগে তারা উপভোগ করতো।
যে জীবন আমি পিছনে ফেলে এসেছি’ তার জন্য আমার কোন হারানোর অনুভূতি বা কষ্ট হয় না। আমার মনে হয় না আমি কিছু পিছনে ফেলে এসেছি। আমার শুধু মনে হয়, আমি যা হতে চেয়েছিলাম তার দিকে পরিপূর্ণতা লাভ করেছি কেবল। আমি অবশ্য জানি না যে, আগের মতো চলতে থাকলে আমি শেষ পর্যন্ত কি হতাম বা কোথায় গিয়ে দাঁড়াতাম- কিন্তু আমি সব সময়ই আমার জীবন যেভাবে চলছিল এবং সমাজের যে অবস্থা বিরাজমান ছিল, তার থেকে পরিত্রাণ পাবার জিকির">দোয়া করতাম।
সবচেয়ে কষ্টকর অভিজ্ঞতা ছিল, যখন আমি শুধুমাত্র হালাল মাংস খেতে শুরু করলাম, পরিবারের সাথে খেতে বসে আসল পদগুলোই খেতে পারতাম। যখন আমি ধর্মান্তরিত হই, তখন শুরুতে আমাদের নিজেদের খাবারের জন্য ভেড়া বা মুরগী কাটা-বাছার ব্যবস্থা আমাদেরই করতে হতো, আর ব্যাপারটা ঝামেলার ছিল।
আমার স্বামীর পূর্বে বা ইসলামের পূর্বে, আমার জীবনে এমন কিছুই ছিল না আমি যার অভাববোধ করি। আমি সব সময়ই আমার ধর্মীয় প্রশ্নাবলীর যুক্তিযুক্ত সমাধান এবং শান্তিতে গবেষণা করার সামর্থ চাইতাম। ধর্ম হচ্ছে অসীমের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন ও অনুগত হবার প্রতিষ্ঠান। এবং আমি ইসলামে এমন কিছু পেয়েছি যা আমার হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে এবং যার অনুভব আমার কাছে শ্বাসপ্রশ্বাসের মতোই স্বাভাবিক মনে হয়।
আমার জীবনে এমন কোন ক্ষেত্র নেই যা আমি পিছনে ফেলে এসেছি বা হারিয়েছি বলে মনে হয় এবং যার জন্য আমি দুঃখ করি। আমার কেবল একটাই আফসোেস- আমার পরিবার যেন ইসলামে আসে।
CHRISTMAS-এর সময়টায় আমার কষ্টের এবং হারানার অনুভূতি হয়- যদিও তা আগের চেয়ে অনেক কমে এসেছে। আমি ঐ সময় ধর্মীয় গান গাইতে পছন্দ করতাম। আমি সব সময়ই আল্লাহর প্রতি অনুগত ছিলাম (কলেজের সেই ক’টি বছর ছাড়া) এবং আমি এখনো খুব আধ্যাত্মিক।
খৃষ্টধর্মের একটা জিনিসের কথাই আমার পিছনে ফিরে তাকালে মনে পড়ে- CHRISTMAS-এর সাজ-সজ্জা এবং উপহার আদান-প্রদান। ব্যস আর কিছু না।
যে ক্ষেত্রে আমি কিছু হারিয়েছি বলে মনে হয়, তা হচ্ছে সাঁতার কাটাকারণ আমি সাঁতার কাটতে খুবই ভালোবাসি, কিন্তু আমার স্বামী সাঁতার জানে না। আমি চাই আমার ছেলে জানুক। সাঁতার কত মজার একটা ব্যাপার। এখন অবশ্য আমি যে তাকে সাঁতার শেখাবো তার কোন উপায় নেই, কেবল কোন আগন্তুক কর্তৃক শেখানো ছাড়া আর কিছু করার নেই।
আমার চুলের ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া হাওয়ার অভাববোধ করি, কারণ আমি এখন হিজাব পরি। কিন্তু আমি নিজেকে শক্ত ঈমান রাখতে বলি এবং এও বলি যে, আল্লাহ্ নিশ্চয়ই আমাকে পুরস্কৃত করবেন।
পিছনে ফেলে আসা কোন কিছুর অভাববোধ করি বলে মনে করতে পারি না আমি। ইসলামের সংস্পর্শে আসার ঠিক আগে, পার্টির দৃশ্যে আমার মন ইতোমধ্যে উঠে গিয়েছিল এবং আমি বিয়ের ও গর্ভধারণের আকাঙ্খ করতাম । আমি স্পষ্ট দেখতে পাই, আমার আগের জীবন নিম্নমুখী ছিল। আমি কিছুটা অকর্মণ্যই ছিলাম, যাহোক হিজাব ধারণ করতে আমার কয়েক বছর লেগে গিয়েছে।
কখনো সখনো একটা শূকরের মাংসের স্যান্ডউইচ খেতে পারলে ভালো লাগতো।
যা পিছনে ফেলে আসতে কষ্ট হয়, তা হচ্ছে খুব ঘনিষ্ঠ এবং অর্থবহ বন্ধুত্বের সম্পর্ক।
কিছু ফেলে আসতে আমার খারাপ লাগেনি, কেবল মনে হয় সসেজের পিত্যা ছাড়া- কিন্তু তখন থেকেই আমাদের এলাকায় একটা দোকানের সন্ধান পেয়েছি, যারা হালাল গরুর মাংসের সসেজ, পিত্তা বিক্রি করে।
ধর্মান্তরিত হবার পর থেকেই আমি হিজাব পরি। যদিও আমি এর সংরক্ষণের দিকটা বুঝি, তবু সামনের মুদির দোকানে হিজাব ছাড়া ছুটে যাবার ইচ্ছা আমার হয়েছে। সমুদ্র সৈকত, সাঁতার এবং সূর্যস্নান-"এক হারানোর অনুভূতি হয় আমার।
আমার জীবনের সব কিছুকেই আল্লাহর সাথে সম্পর্কযুক্ত করাটাই ইসলামের সবচেয়ে অর্থবহ ব্যাপার মনে হয়। নামাজের শৃঙ্খলা এবং আর বাকী যা কিছু ইসলাম দাবি করে, আমি সবকিছুই ভালোবাসি এবং আমার এই সব কিছুরই প্রয়োজন রয়েছে। আমি এখন হিজাব ভালোবাসি এবং আমি আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ যে, তিনি আমাকে আমি যে দিকে যাচ্ছিলাম সে দিক থেকে ফিরিয়ে এনেছেন, যেখানে আমার অনেক বন্ধুই আটকা পড়ে গেছে।
ইসলাম গ্রহণ করা মেয়েটি, পৃথিবীর সাথে বা পারিপার্শ্বিকতার সাথে সব ব্যাপারে নতুনভাবে সম্পর্ক স্থাপন করে। সে এমন সব আচার-আচরণ গ্রহণ করছে যা স্থানভেদে বা সভ্যতা ভেদে পরিবর্তিত হলেও মূলতঃ বিশ্বজনীন। স্বামীর সংস্কৃতির সঙ্গে, ইসলামিক আচার-আচরণের সঙ্গে এবং উম্মার সঙ্গে (যা এখন তার সমর্থনকারী শক্তি) পশ্চিমে বড় হওয়া নিজের ব্যক্তি সত্তাকে মিশিয়ে নেয়া হচ্ছে এখন তার একটি প্রধান কাজ। এসব তো তাকে করতেই হবে, তাছাড়া নিজের আদি পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনও তাকে করতে হবে।
ইসলাম গ্রহণ করা একটি মেয়েকে মুসলিম মেয়েরা যে পরিবেশে রয়েছে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশেই হোক, ধর্মান্তরিতদের মাঝেই হোক অথবা আমেরিকান অভিবাসনকারীদের মাঝেই হোক- সেই পরিবেশে তাদের প্রাপ্য অধিকারের ব্যাখ্যা দেয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়। নতুন ধর্মান্তরিতদের শিক্ষা দানের ব্যাপারে অথবা নতুন মুসলিম অভিবাসনকারীদের প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়ানোর ব্যাপারে সে অগ্রণী ভূমিকা নেয়। আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারী ধর্মান্তরিতদের জন্য, তারা ইসলামের রীতি-নীতি পালন করে যেভাবে আল্লাহর প্রতি আনুগত্য দেখাতে সংগ্রাম করে, তা জিহাদকে এক ব্যক্তিগত বাস্তবতায় পরিণত করে। >I JAMILAH KOLOCOTRONIS, ISLAMIC JIHAD : AN
HISTORICAL PERSPECTIVE (INDIANAPOLIS : AMERICAN
TRUST PUBLICATION, 1990) RI ISLAMIC SISTERS INTERNATIONAL, VOL 2 NO. 7 DI RIFFAT HASSAN, "THE ISSUE OF WOMAN-MAN EQUALITY
IN ISLAMIC TRADITION", IN WOMEN'S AND MEN'S LIBERATION TESTIMONIES OF SPIRIT ed LEONARD GROB. RIFFAT HASSAN AND HAIM GORDON (NY : GREENWOOD
PRESS1991), P 68 ৪। IBID, P 66 ৫। IBID, P 66
যে জীবন আমি পিছনে ফেলে এসেছি’ তার জন্য আমার কোন হারানোর অনুভূতি বা কষ্ট হয় না। আমার মনে হয় না আমি কিছু পিছনে ফেলে এসেছি। আমার শুধু মনে হয়, আমি যা হতে চেয়েছিলাম তার দিকে পরিপূর্ণতা লাভ করেছি কেবল। আমি অবশ্য জানি না যে, আগের মতো চলতে থাকলে আমি শেষ পর্যন্ত কি হতাম বা কোথায় গিয়ে দাঁড়াতাম- কিন্তু আমি সব সময়ই আমার জীবন যেভাবে চলছিল এবং সমাজের যে অবস্থা বিরাজমান ছিল, তার থেকে পরিত্রাণ পাবার জিকির">দোয়া করতাম।
সবচেয়ে কষ্টকর অভিজ্ঞতা ছিল, যখন আমি শুধুমাত্র হালাল মাংস খেতে শুরু করলাম, পরিবারের সাথে খেতে বসে আসল পদগুলোই খেতে পারতাম। যখন আমি ধর্মান্তরিত হই, তখন শুরুতে আমাদের নিজেদের খাবারের জন্য ভেড়া বা মুরগী কাটা-বাছার ব্যবস্থা আমাদেরই করতে হতো, আর ব্যাপারটা ঝামেলার ছিল।
আমার স্বামীর পূর্বে বা ইসলামের পূর্বে, আমার জীবনে এমন কিছুই ছিল না আমি যার অভাববোধ করি। আমি সব সময়ই আমার ধর্মীয় প্রশ্নাবলীর যুক্তিযুক্ত সমাধান এবং শান্তিতে গবেষণা করার সামর্থ চাইতাম। ধর্ম হচ্ছে অসীমের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন ও অনুগত হবার প্রতিষ্ঠান। এবং আমি ইসলামে এমন কিছু পেয়েছি যা আমার হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে এবং যার অনুভব আমার কাছে শ্বাসপ্রশ্বাসের মতোই স্বাভাবিক মনে হয়।
আমার জীবনে এমন কোন ক্ষেত্র নেই যা আমি পিছনে ফেলে এসেছি বা হারিয়েছি বলে মনে হয় এবং যার জন্য আমি দুঃখ করি। আমার কেবল একটাই আফসোেস- আমার পরিবার যেন ইসলামে আসে।
CHRISTMAS-এর সময়টায় আমার কষ্টের এবং হারানার অনুভূতি হয়- যদিও তা আগের চেয়ে অনেক কমে এসেছে। আমি ঐ সময় ধর্মীয় গান গাইতে পছন্দ করতাম। আমি সব সময়ই আল্লাহর প্রতি অনুগত ছিলাম (কলেজের সেই ক’টি বছর ছাড়া) এবং আমি এখনো খুব আধ্যাত্মিক।
খৃষ্টধর্মের একটা জিনিসের কথাই আমার পিছনে ফিরে তাকালে মনে পড়ে- CHRISTMAS-এর সাজ-সজ্জা এবং উপহার আদান-প্রদান। ব্যস আর কিছু না।
যে ক্ষেত্রে আমি কিছু হারিয়েছি বলে মনে হয়, তা হচ্ছে সাঁতার কাটাকারণ আমি সাঁতার কাটতে খুবই ভালোবাসি, কিন্তু আমার স্বামী সাঁতার জানে না। আমি চাই আমার ছেলে জানুক। সাঁতার কত মজার একটা ব্যাপার। এখন অবশ্য আমি যে তাকে সাঁতার শেখাবো তার কোন উপায় নেই, কেবল কোন আগন্তুক কর্তৃক শেখানো ছাড়া আর কিছু করার নেই।
আমার চুলের ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া হাওয়ার অভাববোধ করি, কারণ আমি এখন হিজাব পরি। কিন্তু আমি নিজেকে শক্ত ঈমান রাখতে বলি এবং এও বলি যে, আল্লাহ্ নিশ্চয়ই আমাকে পুরস্কৃত করবেন।
পিছনে ফেলে আসা কোন কিছুর অভাববোধ করি বলে মনে করতে পারি না আমি। ইসলামের সংস্পর্শে আসার ঠিক আগে, পার্টির দৃশ্যে আমার মন ইতোমধ্যে উঠে গিয়েছিল এবং আমি বিয়ের ও গর্ভধারণের আকাঙ্খ করতাম । আমি স্পষ্ট দেখতে পাই, আমার আগের জীবন নিম্নমুখী ছিল। আমি কিছুটা অকর্মণ্যই ছিলাম, যাহোক হিজাব ধারণ করতে আমার কয়েক বছর লেগে গিয়েছে।
কখনো সখনো একটা শূকরের মাংসের স্যান্ডউইচ খেতে পারলে ভালো লাগতো।
যা পিছনে ফেলে আসতে কষ্ট হয়, তা হচ্ছে খুব ঘনিষ্ঠ এবং অর্থবহ বন্ধুত্বের সম্পর্ক।
কিছু ফেলে আসতে আমার খারাপ লাগেনি, কেবল মনে হয় সসেজের পিত্যা ছাড়া- কিন্তু তখন থেকেই আমাদের এলাকায় একটা দোকানের সন্ধান পেয়েছি, যারা হালাল গরুর মাংসের সসেজ, পিত্তা বিক্রি করে।
ধর্মান্তরিত হবার পর থেকেই আমি হিজাব পরি। যদিও আমি এর সংরক্ষণের দিকটা বুঝি, তবু সামনের মুদির দোকানে হিজাব ছাড়া ছুটে যাবার ইচ্ছা আমার হয়েছে। সমুদ্র সৈকত, সাঁতার এবং সূর্যস্নান-"এক হারানোর অনুভূতি হয় আমার।
আমার জীবনের সব কিছুকেই আল্লাহর সাথে সম্পর্কযুক্ত করাটাই ইসলামের সবচেয়ে অর্থবহ ব্যাপার মনে হয়। নামাজের শৃঙ্খলা এবং আর বাকী যা কিছু ইসলাম দাবি করে, আমি সবকিছুই ভালোবাসি এবং আমার এই সব কিছুরই প্রয়োজন রয়েছে। আমি এখন হিজাব ভালোবাসি এবং আমি আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ যে, তিনি আমাকে আমি যে দিকে যাচ্ছিলাম সে দিক থেকে ফিরিয়ে এনেছেন, যেখানে আমার অনেক বন্ধুই আটকা পড়ে গেছে।
ইসলাম গ্রহণ করা মেয়েটি, পৃথিবীর সাথে বা পারিপার্শ্বিকতার সাথে সব ব্যাপারে নতুনভাবে সম্পর্ক স্থাপন করে। সে এমন সব আচার-আচরণ গ্রহণ করছে যা স্থানভেদে বা সভ্যতা ভেদে পরিবর্তিত হলেও মূলতঃ বিশ্বজনীন। স্বামীর সংস্কৃতির সঙ্গে, ইসলামিক আচার-আচরণের সঙ্গে এবং উম্মার সঙ্গে (যা এখন তার সমর্থনকারী শক্তি) পশ্চিমে বড় হওয়া নিজের ব্যক্তি সত্তাকে মিশিয়ে নেয়া হচ্ছে এখন তার একটি প্রধান কাজ। এসব তো তাকে করতেই হবে, তাছাড়া নিজের আদি পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনও তাকে করতে হবে।
ইসলাম গ্রহণ করা একটি মেয়েকে মুসলিম মেয়েরা যে পরিবেশে রয়েছে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশেই হোক, ধর্মান্তরিতদের মাঝেই হোক অথবা আমেরিকান অভিবাসনকারীদের মাঝেই হোক- সেই পরিবেশে তাদের প্রাপ্য অধিকারের ব্যাখ্যা দেয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়। নতুন ধর্মান্তরিতদের শিক্ষা দানের ব্যাপারে অথবা নতুন মুসলিম অভিবাসনকারীদের প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়ানোর ব্যাপারে সে অগ্রণী ভূমিকা নেয়। আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারী ধর্মান্তরিতদের জন্য, তারা ইসলামের রীতি-নীতি পালন করে যেভাবে আল্লাহর প্রতি আনুগত্য দেখাতে সংগ্রাম করে, তা জিহাদকে এক ব্যক্তিগত বাস্তবতায় পরিণত করে। >I JAMILAH KOLOCOTRONIS, ISLAMIC JIHAD : AN
HISTORICAL PERSPECTIVE (INDIANAPOLIS : AMERICAN
TRUST PUBLICATION, 1990) RI ISLAMIC SISTERS INTERNATIONAL, VOL 2 NO. 7 DI RIFFAT HASSAN, "THE ISSUE OF WOMAN-MAN EQUALITY
IN ISLAMIC TRADITION", IN WOMEN'S AND MEN'S LIBERATION TESTIMONIES OF SPIRIT ed LEONARD GROB. RIFFAT HASSAN AND HAIM GORDON (NY : GREENWOOD
PRESS1991), P 68 ৪। IBID, P 66 ৫। IBID, P 66