১
অন্য-পথের-কন্যারা
লেখকঃ Mrs. Carol. L. Anway M.S. Ed. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৮
শেষ কথা
JODI যখন ঐ THANKSGIVING-এর দিন বেড়াতে বাড়ি এসেছিল এবং আমাদের তার ইসলামে ধর্মান্তরিত হবার খবর জানিয়েছিল, আমাদের মনে হয়েছিল সে যেন আমাদের ছুরিকাহত করলো। আমাদের মিষ্টি মেয়েটা এমন একটা পাগলামি কি করে করতে পারলো? আমার স্বামী JOE এবং আমি দুজনেই গভীরভাবে আহত বোধ করেছিলাম। নিশ্চিতভাবেই JODI আমাদের আঘাত দিতে চায়নি। কিন্তু সে দিয়েছে। আর আমরা বুঝতে অক্ষম ছিলাম সে আসলে কি করেছে। আমরা কেমন যেন অসাড় হয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু আমাদের রাগও হচ্ছিল এবং আমরা আমাদের মেয়েকে পরিবারের একটা অংশ হিসেবে আর চাই কিনা, সেটাও সঠিক বুঝতে পারছিলাম না। একটা সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল। আমরা কি ধরে নেবো যে, সে আর আমাদের বাড়িতে স্বাগত নয় এবং তার সাথে এমন আচরণ করবো যে সে মৃত।
বাবা-মার ঐতিহ্যের পরিপন্থী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তাদের হতাশ করার ব্যাপারে JODI-ই সর্বপ্রথম মেয়ে নয়। সত্যি বলতে কি, ছেলেমেয়েরা কদাচিৎই এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, যেগুলো বাবা-মার আকাঙ্খর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। আমরা আবিষ্কার করেছি যে, প্রায়ই বাবা-মার প্রতিক্রিয়া “বেরিয়ে যাও, আর কখনো ফিরে এসো না, আমাদের পরিবারের জন্য তুমি মৃত”- এই ধরণের হয়ে থাকে। আমরা খুবই সৌভাগ্যবান যে, আমরা এ ধরণের একটা কিছু বলার তাড়নাটা চেপে যেতে পেরেছিলাম। একটা সমাধান খুঁজে বের করা গিয়েছিল। পরিবার হিসেবে আমরা বোঝার চেষ্টা করলাম, আর সে চেষ্টা করতে গিয়ে আমরাও একটা ভিন্ন পথে যাত্রা করেছি এবং এমন একটা জীবনযাত্রা আবিষ্কার করেছি যা, আমেরিকানদের কাছে অজানা হলেও অনেক মানুষ যারা মুসলিম হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের জন্য পরিপূর্ণ জীবন যাত্রা এবং তৃপ্তিদায়কও বটে।
আমাদের ঐ আবিষ্কারের একটা অংশ ছিল এই যে, গণমাধ্যমগুলো, ইসলামকে যেভাবে উপস্থাপন করে থাকে, যা সাধারণতঃ নেতিবাচক, তাতে ইতিবাচক ঘটনাবলী একদমই জানা হয় না। আর নেতিবাচক বিষয়বস্তুর কাটতিও প্রচুর। তাই প্রায়ই যে দৃষ্টিভঙ্গীর প্রকাশ প্রচার মাধ্যমে ঘটে থাকে তা, আমি এই প্রকল্পের আওতায় যে সমস্ত চমৎকার, দৃঢ়, আত্মবিশ্বাসী মেয়েদের সাক্ষাৎ পেয়েছিযারা নিছক ব্যক্তিগত লালসা ও তাৎক্ষণিক তৃপ্তির পথকে প্রতিরোধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের কথা একদমই বিবেচনা করে না।
আমেরিকায় ইসলাম গ্রহণ করাটা কোন সহজ পথ নয়। বেশীর ভাগ আমেরিকানরাই মুসলিমদের আগন্তুক ভেবে থাকে। ওড়না পরা, সামাজিক অনুষ্ঠানে মদ্যপান না করা, জুয়া না খেলা, আমেরিকা বা কানাডার প্রতি দেশপ্রেম
থাকা- এই সমস্ত বৈশিষ্ট্য বন্ধু লাভের উপায় নয়। কেউ কেউ যারা ধর্মান্তরিত হয়েছে, তাদের চালাক-চতুর বা বুদ্ধিমান নয়' বলে নাকচ করে থাকে। এদেশের মুসলিমদের নিয়ে গবেষণা করলে তাদের মাঝে নিঃসন্দেহে খুব বেশী সংখ্যার পেশাজীবী পাওয়া যাবে- ডাক্তার, প্রকৌশলী, সেবিকা, অধ্যাপক, ব্যবসায়ী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকা- তার সাথে কর্মজীবী, ছাত্র ও নির্মাণকার্যে নিয়োজিত মানুষজনও রয়েছে।
আমেরিকানদের প্রচলিত ধারণা হচ্ছে এই যে, মুসলিমরা সন্ত্রাসবাদী এবং যখনই কোথাও কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটে, তখনই তড়িঘড়ি করে তাদের দোষারোপ করা হয়। ১৯৯৫ সালের এপ্রিল মাসে OKLAHOMA CITY-তে বোমা বিস্ফোরণের পরে এই প্রচলিত বদ্ধমূল ধারণার কারণে মুসলিমরা অনেক ক্ষেত্রেই আক্রান্ত হয়েছে- গণমাধ্যমগুলো যেভাবে তড়িঘড়ি করে মুসলিম সন্ত্রাসবাদীদের দোষারোপ করেছিল, তাতে সারা দেশ জুড়ে মুসলিমরা হেয় প্রতিপন্ন হয়েছে। এমন আচরণ যদিও বা বেশীর ভাগ আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব না করেও থাকে, তবুও এটা দেশের এক ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট বৈষম্যমূলক আচরণ প্রকাশ করে।
আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এমন ব্যক্তিত্বদের দ্বারা, যারা মুক্তভাবে এবং নিজেদের ইচ্ছানুযায়ী উপাসনা করার সুযোেগ চেয়েছিলেন। আমরা যারা আজ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, তারা সব সময়ই আমাদের ধর্মীয় স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে গর্ববোধ করে এসেছি। আমরা ঐ স্বাধীনতাকে সমানভাবে ভাগ করে নিতে চাই কি না, তা পরীক্ষা হবে যখন ইসলাম এবং অন্যান্য প্রাচ্যের ধর্মসমূহের বিস্তৃতি ঘটবে এবং তারা আমাদের এই সমাজে তাদের স্থান করে নেবে। উত্তর আমেরিকা মহাদেশে ইসলাম হচ্ছে সবচেয়ে দ্রুত বেড়ে ওঠা ধর্মের একটি। আর এই মানুষগুলো, যারা আমাদের মাঝে জীবন ধারণ করতে এবং সুখী হতে চায়, তাদের জানা এবং বোঝাটা জরুরী।
কখনো আমরা যাদের ভালোবাসি, তারা এমন সিদ্ধান্ত নেয়; যা আমাদের মাঝে গৃহ-ভাঙ্গা থেকে শুরু করে হৃদয়গ্রাহী পর্যন্ত সব স্তরের প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে। কোন কোন সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য সহ্য করা কষ্টকর হতে পারে, আর আমরা FIDDLER ON THE ROOF-এর TEvYA যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল তেমন একটা প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারি- যেখানে তার তৃতীয় কন্যার বিয়েতে সে ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, তার আর কোন উপায় ছিল না, কারণ সে যদি আর নমনীয় হতে চায় (মেয়ে যা করেছে বা যাকে বিয়ে করেছে সে সব মেনে নিতে), তবে সে ভেঙ্গে যাবে। অপরদিকে আমাদের মেয়েদের (এবং ছেলেদের) নেয়া কিছু সিদ্ধান্ত, আমাদের জন্য, আমাদের চারপাশের জগতের দ্বার খুলে দিতে পারে, যদি আমরা নতুন আবিষ্কারের প্রেরণা নিয়ে, আমাদের এই নতুন পথকে জানার চেষ্টা করতে দিতে রাজি হই। ইসলাম অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে JODI, আমার স্বামী ও আমার জন্য, এমনই এক যাত্রার সূচনা করেছিল।
আমাদের যাত্রায় আমরা বই চমৎকার মানুষের সন্ধান পেয়েছি, যারা সাধারণ গতানুগতিক আচার-আচরণ ত্যাগ করে এবং তাদের সন্তানদের ঈশ্বরের প্রতি ও অন্যের অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন শিক্ষা দিয়ে বড় করার চেষ্টার মাধ্যমে, পরিপূর্ণ জীবন যাপনের চেষ্টা করে চলেছে। আমাদের নির্বাচনের সুযোগ ছিল, হয় মেনে নেয়া নয় প্রত্যাখ্যান করা এবং ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে আমরা মেনে নেয়ার বা গ্রহণ করার রাস্তা বেছে নিয়েছিলাম। এইসব অন্য পথের কন্যাদের কাছ থেকে তাদের অভিজ্ঞতা সম্বন্ধে জানতে পেরে এবং সে সবের সাথে সহমর্মিতা বোধ করে, আমাদের সেই যাত্রা এক আনন্দময় ও তৃপ্তিদায়ক যাত্রা হয়েছে।
বাবা-মার ঐতিহ্যের পরিপন্থী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তাদের হতাশ করার ব্যাপারে JODI-ই সর্বপ্রথম মেয়ে নয়। সত্যি বলতে কি, ছেলেমেয়েরা কদাচিৎই এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, যেগুলো বাবা-মার আকাঙ্খর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। আমরা আবিষ্কার করেছি যে, প্রায়ই বাবা-মার প্রতিক্রিয়া “বেরিয়ে যাও, আর কখনো ফিরে এসো না, আমাদের পরিবারের জন্য তুমি মৃত”- এই ধরণের হয়ে থাকে। আমরা খুবই সৌভাগ্যবান যে, আমরা এ ধরণের একটা কিছু বলার তাড়নাটা চেপে যেতে পেরেছিলাম। একটা সমাধান খুঁজে বের করা গিয়েছিল। পরিবার হিসেবে আমরা বোঝার চেষ্টা করলাম, আর সে চেষ্টা করতে গিয়ে আমরাও একটা ভিন্ন পথে যাত্রা করেছি এবং এমন একটা জীবনযাত্রা আবিষ্কার করেছি যা, আমেরিকানদের কাছে অজানা হলেও অনেক মানুষ যারা মুসলিম হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের জন্য পরিপূর্ণ জীবন যাত্রা এবং তৃপ্তিদায়কও বটে।
আমাদের ঐ আবিষ্কারের একটা অংশ ছিল এই যে, গণমাধ্যমগুলো, ইসলামকে যেভাবে উপস্থাপন করে থাকে, যা সাধারণতঃ নেতিবাচক, তাতে ইতিবাচক ঘটনাবলী একদমই জানা হয় না। আর নেতিবাচক বিষয়বস্তুর কাটতিও প্রচুর। তাই প্রায়ই যে দৃষ্টিভঙ্গীর প্রকাশ প্রচার মাধ্যমে ঘটে থাকে তা, আমি এই প্রকল্পের আওতায় যে সমস্ত চমৎকার, দৃঢ়, আত্মবিশ্বাসী মেয়েদের সাক্ষাৎ পেয়েছিযারা নিছক ব্যক্তিগত লালসা ও তাৎক্ষণিক তৃপ্তির পথকে প্রতিরোধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের কথা একদমই বিবেচনা করে না।
আমেরিকায় ইসলাম গ্রহণ করাটা কোন সহজ পথ নয়। বেশীর ভাগ আমেরিকানরাই মুসলিমদের আগন্তুক ভেবে থাকে। ওড়না পরা, সামাজিক অনুষ্ঠানে মদ্যপান না করা, জুয়া না খেলা, আমেরিকা বা কানাডার প্রতি দেশপ্রেম
থাকা- এই সমস্ত বৈশিষ্ট্য বন্ধু লাভের উপায় নয়। কেউ কেউ যারা ধর্মান্তরিত হয়েছে, তাদের চালাক-চতুর বা বুদ্ধিমান নয়' বলে নাকচ করে থাকে। এদেশের মুসলিমদের নিয়ে গবেষণা করলে তাদের মাঝে নিঃসন্দেহে খুব বেশী সংখ্যার পেশাজীবী পাওয়া যাবে- ডাক্তার, প্রকৌশলী, সেবিকা, অধ্যাপক, ব্যবসায়ী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকা- তার সাথে কর্মজীবী, ছাত্র ও নির্মাণকার্যে নিয়োজিত মানুষজনও রয়েছে।
আমেরিকানদের প্রচলিত ধারণা হচ্ছে এই যে, মুসলিমরা সন্ত্রাসবাদী এবং যখনই কোথাও কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটে, তখনই তড়িঘড়ি করে তাদের দোষারোপ করা হয়। ১৯৯৫ সালের এপ্রিল মাসে OKLAHOMA CITY-তে বোমা বিস্ফোরণের পরে এই প্রচলিত বদ্ধমূল ধারণার কারণে মুসলিমরা অনেক ক্ষেত্রেই আক্রান্ত হয়েছে- গণমাধ্যমগুলো যেভাবে তড়িঘড়ি করে মুসলিম সন্ত্রাসবাদীদের দোষারোপ করেছিল, তাতে সারা দেশ জুড়ে মুসলিমরা হেয় প্রতিপন্ন হয়েছে। এমন আচরণ যদিও বা বেশীর ভাগ আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব না করেও থাকে, তবুও এটা দেশের এক ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট বৈষম্যমূলক আচরণ প্রকাশ করে।
আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এমন ব্যক্তিত্বদের দ্বারা, যারা মুক্তভাবে এবং নিজেদের ইচ্ছানুযায়ী উপাসনা করার সুযোেগ চেয়েছিলেন। আমরা যারা আজ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, তারা সব সময়ই আমাদের ধর্মীয় স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে গর্ববোধ করে এসেছি। আমরা ঐ স্বাধীনতাকে সমানভাবে ভাগ করে নিতে চাই কি না, তা পরীক্ষা হবে যখন ইসলাম এবং অন্যান্য প্রাচ্যের ধর্মসমূহের বিস্তৃতি ঘটবে এবং তারা আমাদের এই সমাজে তাদের স্থান করে নেবে। উত্তর আমেরিকা মহাদেশে ইসলাম হচ্ছে সবচেয়ে দ্রুত বেড়ে ওঠা ধর্মের একটি। আর এই মানুষগুলো, যারা আমাদের মাঝে জীবন ধারণ করতে এবং সুখী হতে চায়, তাদের জানা এবং বোঝাটা জরুরী।
কখনো আমরা যাদের ভালোবাসি, তারা এমন সিদ্ধান্ত নেয়; যা আমাদের মাঝে গৃহ-ভাঙ্গা থেকে শুরু করে হৃদয়গ্রাহী পর্যন্ত সব স্তরের প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে। কোন কোন সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য সহ্য করা কষ্টকর হতে পারে, আর আমরা FIDDLER ON THE ROOF-এর TEvYA যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল তেমন একটা প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারি- যেখানে তার তৃতীয় কন্যার বিয়েতে সে ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, তার আর কোন উপায় ছিল না, কারণ সে যদি আর নমনীয় হতে চায় (মেয়ে যা করেছে বা যাকে বিয়ে করেছে সে সব মেনে নিতে), তবে সে ভেঙ্গে যাবে। অপরদিকে আমাদের মেয়েদের (এবং ছেলেদের) নেয়া কিছু সিদ্ধান্ত, আমাদের জন্য, আমাদের চারপাশের জগতের দ্বার খুলে দিতে পারে, যদি আমরা নতুন আবিষ্কারের প্রেরণা নিয়ে, আমাদের এই নতুন পথকে জানার চেষ্টা করতে দিতে রাজি হই। ইসলাম অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে JODI, আমার স্বামী ও আমার জন্য, এমনই এক যাত্রার সূচনা করেছিল।
আমাদের যাত্রায় আমরা বই চমৎকার মানুষের সন্ধান পেয়েছি, যারা সাধারণ গতানুগতিক আচার-আচরণ ত্যাগ করে এবং তাদের সন্তানদের ঈশ্বরের প্রতি ও অন্যের অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন শিক্ষা দিয়ে বড় করার চেষ্টার মাধ্যমে, পরিপূর্ণ জীবন যাপনের চেষ্টা করে চলেছে। আমাদের নির্বাচনের সুযোগ ছিল, হয় মেনে নেয়া নয় প্রত্যাখ্যান করা এবং ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে আমরা মেনে নেয়ার বা গ্রহণ করার রাস্তা বেছে নিয়েছিলাম। এইসব অন্য পথের কন্যাদের কাছ থেকে তাদের অভিজ্ঞতা সম্বন্ধে জানতে পেরে এবং সে সবের সাথে সহমর্মিতা বোধ করে, আমাদের সেই যাত্রা এক আনন্দময় ও তৃপ্তিদায়ক যাত্রা হয়েছে।