১
অন্য-পথের-কন্যারা
লেখকঃ Mrs. Carol. L. Anway M.S. Ed. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫০
খাবার এবং পানীয় সংক্রান্ত বিবেচনা
অনুশীলনরত মুসলিমরা শূকরের মাংস সম্বলিত খাবার এবং মদকে হারাম (নিষিদ্ধ) মনে করে থাকে। খাদ্যদ্রব্য কেনার সময় তারা লেবেল দেখে নিশ্চিত হয় যে, খাবারে ঐ ধরণের কোন উপাদান মিশ্রিত নেই।
এ ছাড়া বহু অনুশীলনরত মুসলিম কেবল মাত্র সঠিক উপায়ে জবাই করা হালাল মাংস খেতে চেষ্টা করে। এসব মাংস বিশেষ দোকান থেকে কেনা হয় অথবা একটা পরিবার নিজেরাই পশু জবাই করে মাংসের ব্যবস্থা করে।
কোন মুসলিম পরিবার বেড়াতে এলে কী খেতে দিলে সবচেয়ে ভালো হয়, তা তাদের সাথে আলাপ করে ঠিক করাটাই শ্রেয়। নিরামিষ বা মাছ পরিবেশন একটা বিকল্প উপায় হতে পারে অথবা তারা একটা হালাল খাবার, প্রধান পদ হিসেবে সঙ্গে করে নিয়ে আসতে পারে; তার সাথে ঘরে যা তৈরি করা হয়েছে তাও পরিবেশন করা হলো। কিছু মেয়েরা পরিবারের সাথে দেখা করতে গেলে, সেখানে পরিবেশিত খাবার নিয়ে উদ্বেগের কথা প্রকাশ করেছে।
আমি যখন আমার মা-বাবার সাথে দেখা করতে যাই, তখন সাধারণতঃ অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়তে হয়। আমরা যেহেতু শুধুমাত্র মুসলিম উপায়ে জবাই করা হালাল মাংস খাই, অন্যকিছু খেতে আমরা অনিচ্ছুক, তাই সাধারণত আমরা নিজেদের খাবার সঙ্গে নিয়ে যাই। আমরা যদিও ইসলামিক মতে জবাই করার ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করেছি, তবু আমাদের খাবার নিয়ে যাওয়াটা তাদের কাছে অস্বস্তিকর। তারা ভাবলেন এটাও আরেকটা প্রত্যাখ্যান, বুঝি বা তাদের খাবার আমাদের উপযোগী নয় অথবা তা অপরিষ্কার বলে মনে করা হচ্ছে। যাহোক, তার যখন আমার বাসায় আসেন, তখন আমি যা রান্না করি তাই তারা খেয়ে থাকেন এবং আমাদের সময়টা যেন অনেক বেশী সুখকর এবং কম অস্বস্তিকরভাবে কেটে যায়।
আমি কখনো আমার বাচ্চাকে আমার মা-বাবার কাছে রাখতে যাবো । ঐ বাড়িতে শূকরের মাংসের খুব বেশী ছড়াছড়ি।
নিজের পরিবারকে দেখতে যাওয়ার সবচেয়ে খারাপ দিক হচ্ছে খাওয়া-দাওয়া। তারা কি খাচ্ছেন সেদিকে তাদের কোন ঐক্ষেপ নেই। আমার বাবা-মা কখনো রেগে আগুন হয়ে যান, যখন আমি তাদের বলি যে, তারা যা খাচ্ছেন আমি তা খেতে পারবো না।
আমি আমার ছেলেমেয়েকে আমার পরিবারের কাছে রাখি না। আমি মুসলিম হবার পরে কখনো তাদের কাছে দু'ঘন্টার বেশী সময়ের জন্য যাইনি। এভাবে আমি একটা সম্ভাব্য সমস্যা এড়িয়ে চলি- হালাল খাদ্য সামগ্রী নিয়ে যে সমস্যা হয়। আমার মা-বাবা হালাল/হারাম এর ধারণাটা বুঝতে বা মানতে চান না। আমরা এই ইস্যুটা এড়িয়ে চলি এবং তাদের বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া করি না।
অধিকাংশ মুসলিমের জন্যই মদ জাতীয় পানীয় আপত্তিকর এবং তাদের উপস্থিতিতে তা পরিবেশন (অন্য কাউকেও) না করলেই তারা স্বস্তিবোধ করে। তারা এমনকি সে সব রেস্তোরাও এড়িয়ে চলতে পারে, যেখানে বার রয়েছে বা মদ বিক্রি করা হয়। তারা প্রায়ই হয়তো ব্যবসা ভিত্তিক বা কোম্পানির ভোজসভা এড়িয়ে যেতে চাইবে, যদি তাতে মদ জাতীয় পানীয় দ্বারা আপ্যায়নের আয়োজন থাকে।
এ ছাড়া বহু অনুশীলনরত মুসলিম কেবল মাত্র সঠিক উপায়ে জবাই করা হালাল মাংস খেতে চেষ্টা করে। এসব মাংস বিশেষ দোকান থেকে কেনা হয় অথবা একটা পরিবার নিজেরাই পশু জবাই করে মাংসের ব্যবস্থা করে।
কোন মুসলিম পরিবার বেড়াতে এলে কী খেতে দিলে সবচেয়ে ভালো হয়, তা তাদের সাথে আলাপ করে ঠিক করাটাই শ্রেয়। নিরামিষ বা মাছ পরিবেশন একটা বিকল্প উপায় হতে পারে অথবা তারা একটা হালাল খাবার, প্রধান পদ হিসেবে সঙ্গে করে নিয়ে আসতে পারে; তার সাথে ঘরে যা তৈরি করা হয়েছে তাও পরিবেশন করা হলো। কিছু মেয়েরা পরিবারের সাথে দেখা করতে গেলে, সেখানে পরিবেশিত খাবার নিয়ে উদ্বেগের কথা প্রকাশ করেছে।
আমি যখন আমার মা-বাবার সাথে দেখা করতে যাই, তখন সাধারণতঃ অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়তে হয়। আমরা যেহেতু শুধুমাত্র মুসলিম উপায়ে জবাই করা হালাল মাংস খাই, অন্যকিছু খেতে আমরা অনিচ্ছুক, তাই সাধারণত আমরা নিজেদের খাবার সঙ্গে নিয়ে যাই। আমরা যদিও ইসলামিক মতে জবাই করার ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করেছি, তবু আমাদের খাবার নিয়ে যাওয়াটা তাদের কাছে অস্বস্তিকর। তারা ভাবলেন এটাও আরেকটা প্রত্যাখ্যান, বুঝি বা তাদের খাবার আমাদের উপযোগী নয় অথবা তা অপরিষ্কার বলে মনে করা হচ্ছে। যাহোক, তার যখন আমার বাসায় আসেন, তখন আমি যা রান্না করি তাই তারা খেয়ে থাকেন এবং আমাদের সময়টা যেন অনেক বেশী সুখকর এবং কম অস্বস্তিকরভাবে কেটে যায়।
আমি কখনো আমার বাচ্চাকে আমার মা-বাবার কাছে রাখতে যাবো । ঐ বাড়িতে শূকরের মাংসের খুব বেশী ছড়াছড়ি।
নিজের পরিবারকে দেখতে যাওয়ার সবচেয়ে খারাপ দিক হচ্ছে খাওয়া-দাওয়া। তারা কি খাচ্ছেন সেদিকে তাদের কোন ঐক্ষেপ নেই। আমার বাবা-মা কখনো রেগে আগুন হয়ে যান, যখন আমি তাদের বলি যে, তারা যা খাচ্ছেন আমি তা খেতে পারবো না।
আমি আমার ছেলেমেয়েকে আমার পরিবারের কাছে রাখি না। আমি মুসলিম হবার পরে কখনো তাদের কাছে দু'ঘন্টার বেশী সময়ের জন্য যাইনি। এভাবে আমি একটা সম্ভাব্য সমস্যা এড়িয়ে চলি- হালাল খাদ্য সামগ্রী নিয়ে যে সমস্যা হয়। আমার মা-বাবা হালাল/হারাম এর ধারণাটা বুঝতে বা মানতে চান না। আমরা এই ইস্যুটা এড়িয়ে চলি এবং তাদের বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া করি না।
অধিকাংশ মুসলিমের জন্যই মদ জাতীয় পানীয় আপত্তিকর এবং তাদের উপস্থিতিতে তা পরিবেশন (অন্য কাউকেও) না করলেই তারা স্বস্তিবোধ করে। তারা এমনকি সে সব রেস্তোরাও এড়িয়ে চলতে পারে, যেখানে বার রয়েছে বা মদ বিক্রি করা হয়। তারা প্রায়ই হয়তো ব্যবসা ভিত্তিক বা কোম্পানির ভোজসভা এড়িয়ে যেতে চাইবে, যদি তাতে মদ জাতীয় পানীয় দ্বারা আপ্যায়নের আয়োজন থাকে।