১
নির্বাচিত হাদীস চতুর্থ খণ্ড
লেখকঃ ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
ইসলাম অভিসম্পাত এবং গালিগালাজ করার ধর্ম নয়
7 -عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ يَقُوْلُ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " لاَ يَكُوْنُ اللَّعَّانُوْنَ شُفَعَاءَ وَلاَ شُهَدَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ".
( صحيح مسلم , رقم الحديث 85 - (2598),).
7 - অর্থ: আবুদ্দারদা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “অতি অভিসম্পাতকারীরা কিয়ামতের দিবসে সুপারিশকারী এবং সাক্ষ্যপ্রদানকারী হতে পারবে না”।
[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 85 -(2598) ]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয়:
আবুদ্দারদা, তিনি ওয়াইমের বিন কাইস আল্ খাজরাজী আল আনসারী, একজন বিখ্যাত সাহাবী। বদরের যুদ্ধের দিন তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। এই উম্মতের একজন বিশিষ্ট বিচক্ষণ ব্যক্তি ( حكيم هذه الأمة ) হিসেবে তিনি উপাধি লাভ করেছেন। দামেশকে তিনি বিচারপতি ও পবিত্র কুরআনের কারীগণের মধ্যে প্রধান ব্যক্তি হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তিনি আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর জীবদ্দশাতে পবিত্র কুরআনের একত্রিকরণ, সংরক্ষণ সংক্রান্ত এবং মুখস্থকরণের কাজে নিয়োজিত ছিলেন [রাদিয়াল্লাহু আনহু] ।
হাদীস গ্রন্থে তাঁর কাছ থেকে বর্ণিত 179 টি হাদীস পাওয়া যায়। তিনি সন 32 হিজরীতে অথবা 31 হিজরীতে 72 বছর বয়সে তৃতীয় খলিফা ওসমান বিন আফ্ফানের শাহাদতবরণের তিন বছর পূর্বে মৃত্যুবরণ করেন।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। এই হাদীসটির ব্যাখ্যার বিবরণে কতকগুলি উক্তি রয়েছে, তার মধ্যে থেকে এখানে কয়েকটি উক্তি পেশ করা হলো:
ক। অতি অভিসম্পাতকারীরা এই দুনিয়াতে সাক্ষ্যপ্রদানকারী হতে পারবে না; কেননা তাদের সাক্ষ্য ইসলামী আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে না; তাদের পাপ ও দুর্ব্যবহারের কারণে।
খ। তারা (অতি অভিসম্পাতকারীরা) আল্লাহর পথে পবিত্র জেহাদে শহীদ হওয়ার সুযোগ পাবে না।
গ। তারা (অতি অভিসম্পাতকারীরা) কিয়ামতের দিবসে ওই সময় সুপারিশকারী হতে পারবে না, যে সময় ঈমানদার মুসলিমগণ অন্য ওই সকল মুসলিমগণকে জাহান্নামের আগুন থেকে বের করার জন্য সুপারিশ করবে, যে সমস্ত মুসলিমগণ জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করবে।
2। এই হাদীসটি অতি অভিসম্পাত করা হতে কঠোরতার সহিত সতর্ক করা হয়েছে; কেননা অতি অভিসম্পাত করার বিষয়টি সচ্চরিত্র এবং সুনীতির অনুকূলে পড়ছে না।
3। ইসলাম একটি সৎকর্ম ও আল্লাহর আনুগত্যের কাজে সহযোগিতা এবং পরস্পর সহানুভূতিশীল হওয়ার ধর্ম, অভিসম্পাত এবং গালিগালাজ করার ধর্ম নয়।
( صحيح مسلم , رقم الحديث 85 - (2598),).
7 - অর্থ: আবুদ্দারদা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “অতি অভিসম্পাতকারীরা কিয়ামতের দিবসে সুপারিশকারী এবং সাক্ষ্যপ্রদানকারী হতে পারবে না”।
[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 85 -(2598) ]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয়:
আবুদ্দারদা, তিনি ওয়াইমের বিন কাইস আল্ খাজরাজী আল আনসারী, একজন বিখ্যাত সাহাবী। বদরের যুদ্ধের দিন তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। এই উম্মতের একজন বিশিষ্ট বিচক্ষণ ব্যক্তি ( حكيم هذه الأمة ) হিসেবে তিনি উপাধি লাভ করেছেন। দামেশকে তিনি বিচারপতি ও পবিত্র কুরআনের কারীগণের মধ্যে প্রধান ব্যক্তি হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তিনি আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর জীবদ্দশাতে পবিত্র কুরআনের একত্রিকরণ, সংরক্ষণ সংক্রান্ত এবং মুখস্থকরণের কাজে নিয়োজিত ছিলেন [রাদিয়াল্লাহু আনহু] ।
হাদীস গ্রন্থে তাঁর কাছ থেকে বর্ণিত 179 টি হাদীস পাওয়া যায়। তিনি সন 32 হিজরীতে অথবা 31 হিজরীতে 72 বছর বয়সে তৃতীয় খলিফা ওসমান বিন আফ্ফানের শাহাদতবরণের তিন বছর পূর্বে মৃত্যুবরণ করেন।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। এই হাদীসটির ব্যাখ্যার বিবরণে কতকগুলি উক্তি রয়েছে, তার মধ্যে থেকে এখানে কয়েকটি উক্তি পেশ করা হলো:
ক। অতি অভিসম্পাতকারীরা এই দুনিয়াতে সাক্ষ্যপ্রদানকারী হতে পারবে না; কেননা তাদের সাক্ষ্য ইসলামী আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে না; তাদের পাপ ও দুর্ব্যবহারের কারণে।
খ। তারা (অতি অভিসম্পাতকারীরা) আল্লাহর পথে পবিত্র জেহাদে শহীদ হওয়ার সুযোগ পাবে না।
গ। তারা (অতি অভিসম্পাতকারীরা) কিয়ামতের দিবসে ওই সময় সুপারিশকারী হতে পারবে না, যে সময় ঈমানদার মুসলিমগণ অন্য ওই সকল মুসলিমগণকে জাহান্নামের আগুন থেকে বের করার জন্য সুপারিশ করবে, যে সমস্ত মুসলিমগণ জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করবে।
2। এই হাদীসটি অতি অভিসম্পাত করা হতে কঠোরতার সহিত সতর্ক করা হয়েছে; কেননা অতি অভিসম্পাত করার বিষয়টি সচ্চরিত্র এবং সুনীতির অনুকূলে পড়ছে না।
3। ইসলাম একটি সৎকর্ম ও আল্লাহর আনুগত্যের কাজে সহযোগিতা এবং পরস্পর সহানুভূতিশীল হওয়ার ধর্ম, অভিসম্পাত এবং গালিগালাজ করার ধর্ম নয়।