১
নির্বাচিত হাদীস চতুর্থ খণ্ড
লেখকঃ ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
শুধু শুক্রবারে বা জুমার দিনে রোজা রাখা ভালো কর্ম নয়
16 - عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ : " لاَ يَصُوْمُ أَحَدُكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ , إلاَّ يَوْما قَبْلَهُ , أَوْ بَعْدَهُ " .
( صحيح البخاري , رقم الحديث 1985, وصحيح مسلم , رقم الحديث 147- (1144), واللفظ للبخاري ).
16 - অর্থ: আবু হুরায়রা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, আমি নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে থেকে কোনো ব্যক্তি যেন শুধু জুমার দিনে রোজা না রাখে। তবে যদি সে জুমার দিনের সাথে সাথে একদিন আগে কিংবা একদিন পরে রোজা রাখে তাহলে তা অবৈধ নয়”।
[সহীহ বুখারী, হাদীস নং 1985 এবং সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 147 -(1144), তবে হাদীসের শব্দগুলি সহীহ বুখারী থেকে নেওয়া হয়েছে]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 13 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। কোনো মুসলিম ব্যক্তির জন্য এটা জায়েজ নয় যে, সে শুধু শুক্রবারে বা জুমার দিনে রোজা রাখবে। তবে কোনো ব্যক্তির কোনো রোজা রাখার অভ্যাস থাকলে, সে ব্যক্তি শুধু জুমার দিনে রোজা রাখতে পারবে।
2। শুক্রবার বা জুমার দিনটি হলো জিকির">দোয়া, জিকির এবং আল্লাহর উপাসনা বা ইবাদতে মগ্ন থাকার দিন এবং পবিত্র ও হালাল রুজি উপার্জন করার দিন; সুতরাং শুধু এই দিনে রোজা রাখা ভালো কর্ম নয়। তাই মহান আল্লাহ বলেছেন:
ﭽ ﭨ ﭩ ﭪ ﭫ ﭬ ﭭ ﭮ ﭯ ﭰ ﭱ ﭲ ﭳ ﭴ ﭼ , ( سورة الجمعة , الآية 10).
ভাবার্থের অনুবাদ: “অতএব যখন জুমার নামাজ পড়া শেষ হয়ে যাবে, তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে এবং আল্লাহর প্রদত্ত জীবিকার্জনের কাজে তৎপর থাকবে। এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করবে” । (সূরা আল জুমুয়া, আয়াত নং 10 এর অংশবিশেষ) ।
( صحيح البخاري , رقم الحديث 1985, وصحيح مسلم , رقم الحديث 147- (1144), واللفظ للبخاري ).
16 - অর্থ: আবু হুরায়রা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, আমি নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে থেকে কোনো ব্যক্তি যেন শুধু জুমার দিনে রোজা না রাখে। তবে যদি সে জুমার দিনের সাথে সাথে একদিন আগে কিংবা একদিন পরে রোজা রাখে তাহলে তা অবৈধ নয়”।
[সহীহ বুখারী, হাদীস নং 1985 এবং সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 147 -(1144), তবে হাদীসের শব্দগুলি সহীহ বুখারী থেকে নেওয়া হয়েছে]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 13 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। কোনো মুসলিম ব্যক্তির জন্য এটা জায়েজ নয় যে, সে শুধু শুক্রবারে বা জুমার দিনে রোজা রাখবে। তবে কোনো ব্যক্তির কোনো রোজা রাখার অভ্যাস থাকলে, সে ব্যক্তি শুধু জুমার দিনে রোজা রাখতে পারবে।
2। শুক্রবার বা জুমার দিনটি হলো জিকির">দোয়া, জিকির এবং আল্লাহর উপাসনা বা ইবাদতে মগ্ন থাকার দিন এবং পবিত্র ও হালাল রুজি উপার্জন করার দিন; সুতরাং শুধু এই দিনে রোজা রাখা ভালো কর্ম নয়। তাই মহান আল্লাহ বলেছেন:
ﭽ ﭨ ﭩ ﭪ ﭫ ﭬ ﭭ ﭮ ﭯ ﭰ ﭱ ﭲ ﭳ ﭴ ﭼ , ( سورة الجمعة , الآية 10).
ভাবার্থের অনুবাদ: “অতএব যখন জুমার নামাজ পড়া শেষ হয়ে যাবে, তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে এবং আল্লাহর প্রদত্ত জীবিকার্জনের কাজে তৎপর থাকবে। এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করবে” । (সূরা আল জুমুয়া, আয়াত নং 10 এর অংশবিশেষ) ।