১
নির্বাচিত হাদীস চতুর্থ খণ্ড
লেখকঃ ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
শিরক ও তার অমেধ্য থেকে একত্ববাদের (তাওহীদের) রক্ষণাবেক্ষণ
4 - عَنْ حُذَيْفَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : " لاَ تَقُوْلُوْا : مَا شَاءَ اللهُ وَشَاءَ فُلاَنٌ؛ وَلكِنْ قُوْلُوْا : مَا شَاءَ اللهُ، ثُمَّ شَاءَ فُلاَنٌ ".
( سنن أبي داود , رقم الحديث 4980, وصححه الألباني ).
4 - অর্থ: হুজায়ফা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] হতে বর্ণনা করেছেন, নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “হে মুসলিম সমাজ! তোমরা কোনো সময় এই কথা বলবে না যে, আল্লাহ এবং অমুক ব্যক্তি যা ইচ্ছা করেছে। কিন্তু এই কথা বলতে পারবে যে, আল্লাহ অতঃপর অমুক ব্যক্তি যা ইচ্ছা করেছে”।
[সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং 4980। আল্লামা নাসেরুদ্দিন আল্ আলবাণী এই হাদীসটিকে সহীহ (সঠিক) বলেছেন]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয়:
হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান বিন হোসাইল আল আবসী [রাদিয়াল্লাহু আনহু] একজন সম্ভ্রান্ত ও সাহসী সাহাবী ছিলেন। তিনি অনেক দেশ বিজয়ের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর গোপন কথার তিনি সংরক্ষণকারী সাহাবী। এই কারণে তাকে সাহিবু সির্রি রাসূলিল্লাহ বলা হয়। হাদীস গ্রন্থে তাঁর 255 টি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। খন্দকের যুদ্ধে এবং খন্দকের যুদ্ধের পর যে সমস্ত যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে,সে সব যুদ্ধে তিনি অংশ গ্রহণ করেছেন। আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর কাছে তাঁর বিরাট মর্যাদা ও উচ্চ স্থান ছিল। তিনি ইরাকে সন 36 হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন [রাদিয়াল্লাহু আনহু] ।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। সকল প্রকার শিরক ও তার অমেধ্য সমস্ত বস্তু থেকে বিশুদ্ধ একত্ববাদের মতবাদটির রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রতি এই হাদীসটি উৎসাহ প্রদান করে।
2। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, নিশ্চয় আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয় এবং তিনিই হলেন সৃষ্টি জগতের মঙ্গলদায়ক আশ্রয়স্থল, তাঁর অস্তিত্ব, সত্তা, নাম, গুণাবলী, কর্ম এবং আদেশ প্রদানে কোনো অংশীদার নেই।
3। সর্বশক্তিমান আল্লাহর একত্ববাদের বিপরীত শব্দ ব্যবহার করা হতে এই হাদীসটি সতর্ক করে।
( سنن أبي داود , رقم الحديث 4980, وصححه الألباني ).
4 - অর্থ: হুজায়ফা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] হতে বর্ণনা করেছেন, নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “হে মুসলিম সমাজ! তোমরা কোনো সময় এই কথা বলবে না যে, আল্লাহ এবং অমুক ব্যক্তি যা ইচ্ছা করেছে। কিন্তু এই কথা বলতে পারবে যে, আল্লাহ অতঃপর অমুক ব্যক্তি যা ইচ্ছা করেছে”।
[সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং 4980। আল্লামা নাসেরুদ্দিন আল্ আলবাণী এই হাদীসটিকে সহীহ (সঠিক) বলেছেন]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয়:
হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান বিন হোসাইল আল আবসী [রাদিয়াল্লাহু আনহু] একজন সম্ভ্রান্ত ও সাহসী সাহাবী ছিলেন। তিনি অনেক দেশ বিজয়ের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর গোপন কথার তিনি সংরক্ষণকারী সাহাবী। এই কারণে তাকে সাহিবু সির্রি রাসূলিল্লাহ বলা হয়। হাদীস গ্রন্থে তাঁর 255 টি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। খন্দকের যুদ্ধে এবং খন্দকের যুদ্ধের পর যে সমস্ত যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে,সে সব যুদ্ধে তিনি অংশ গ্রহণ করেছেন। আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর কাছে তাঁর বিরাট মর্যাদা ও উচ্চ স্থান ছিল। তিনি ইরাকে সন 36 হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন [রাদিয়াল্লাহু আনহু] ।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। সকল প্রকার শিরক ও তার অমেধ্য সমস্ত বস্তু থেকে বিশুদ্ধ একত্ববাদের মতবাদটির রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রতি এই হাদীসটি উৎসাহ প্রদান করে।
2। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, নিশ্চয় আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয় এবং তিনিই হলেন সৃষ্টি জগতের মঙ্গলদায়ক আশ্রয়স্থল, তাঁর অস্তিত্ব, সত্তা, নাম, গুণাবলী, কর্ম এবং আদেশ প্রদানে কোনো অংশীদার নেই।
3। সর্বশক্তিমান আল্লাহর একত্ববাদের বিপরীত শব্দ ব্যবহার করা হতে এই হাদীসটি সতর্ক করে।