১
নির্বাচিত হাদীস চতুর্থ খণ্ড
লেখকঃ ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
মানুষ তার সমস্ত অবস্থায় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর মুখাপেক্ষী
5 - عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا , أَنَّهَا سُئِلَتْ عَمَّا كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدْعُوْ بِهِ اللهَ؛ قَالَتْ : كَانَ يَقُوْلُ : " اللَّهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَمِلْتُ، وَمِنْ شَرِّ مَا لَمْ أَعْمَلْ ".
( صحيح مسلم , رقم الحديث 66 - (2716),).
5 - অর্থ: নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর প্রিয়তমা আয়েশা [রাদিয়াল্লাহু আনহা] থেকে বর্ণিত যে, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো: আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] কিসের দ্বারা আল্লাহর নিকটে প্রার্থনা করেন? তিনি বললেন যে, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এই দোয়াটির দ্বারা আল্লাহর নিকটে প্রার্থনা করতেন:
" اللَّهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَمِلْتُ، وَمِنْ شَرِّ مَا لَمْ أَعْمَلْ ".
অর্থ: “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকটে আশ্রয় চাচ্ছি যে কর্ম সম্পাদন করেছি তার অমঙ্গল হতে এবং যে কর্ম বর্জন করছি তারও অমঙ্গল হতে”।
[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 66 -(2716) ]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারিণী সাহাবীয়ার পরিচয়:
উম্মুল মুমেনীন আয়েশা বিনতে আবী বাক্র আসসিদ্দীক [রাদিয়াল্লাহু আনহা] হিজরতের পূর্বে নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি মাদীনায় হিজরত করার পর নয় বছর বয়সে আল্লাহর রাসূলের সঙ্গে সংসার আরম্ভ করেন। আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] যখন মৃত্যুবরণ করেন তখন তাঁর বয়স ছিল 18 বছর। তিনি সাহাবীগণের মধ্যে অধিক বুদ্ধিমতি, জ্ঞান এবং রায় প্রদানের ক্ষেত্রে ছিলেন সর্বোত্তম ব্যক্তি। দানশীলতা ও উদারতায় তাকে উত্তম নমুনা হিসেবে উল্লেখ করা হতো। তিনি অনেক হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাঁর বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা 2210 টি। তিনি রামাজান বা শাওয়াল মাসের 17 তারিখে মাদীনাতে সন 57 অথবা 58 হিজরীতে রোজ মঙ্গলবার মৃত্যুবরণ করেন। আবু হুরায়রা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] তাঁর জানাজার নামাজ পড়িয়েছিলেন এবং তাঁকে আল বাকী কবরস্থানে দাফন করা হয় [রাদিয়াল্লাহু আনহা] ।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। প্রকৃত মুসলিম ব্যক্তির উচিত যে, সে যেন সকল প্রকারের পাপ বর্জন করে। কেননা পাপ হলো তার অমঙ্গল ও দুর্ভাগ্য সৃষ্টি করার উপাদান।
2। মানুষ নিজের পাপের অমঙ্গল হতে সুরক্ষিত হওয়ার জন্য পরাক্রমশালী আল্লাহর শরণ নেওয়ার প্রতি এই হাদীসটি উৎসাহ প্রদান করে। কেননা মানুষ তো তার সমস্ত অবস্থায় তার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর মুখাপেক্ষী।
3। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, মঙ্গলদায়ক আশ্রয়স্থল হলো এক মাত্র পরাক্রমশালী মহান আল্লাহ, সৃষ্টি জগতের অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তু নয়।
( صحيح مسلم , رقم الحديث 66 - (2716),).
5 - অর্থ: নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর প্রিয়তমা আয়েশা [রাদিয়াল্লাহু আনহা] থেকে বর্ণিত যে, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো: আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] কিসের দ্বারা আল্লাহর নিকটে প্রার্থনা করেন? তিনি বললেন যে, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এই দোয়াটির দ্বারা আল্লাহর নিকটে প্রার্থনা করতেন:
" اللَّهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَمِلْتُ، وَمِنْ شَرِّ مَا لَمْ أَعْمَلْ ".
অর্থ: “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকটে আশ্রয় চাচ্ছি যে কর্ম সম্পাদন করেছি তার অমঙ্গল হতে এবং যে কর্ম বর্জন করছি তারও অমঙ্গল হতে”।
[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 66 -(2716) ]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারিণী সাহাবীয়ার পরিচয়:
উম্মুল মুমেনীন আয়েশা বিনতে আবী বাক্র আসসিদ্দীক [রাদিয়াল্লাহু আনহা] হিজরতের পূর্বে নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি মাদীনায় হিজরত করার পর নয় বছর বয়সে আল্লাহর রাসূলের সঙ্গে সংসার আরম্ভ করেন। আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] যখন মৃত্যুবরণ করেন তখন তাঁর বয়স ছিল 18 বছর। তিনি সাহাবীগণের মধ্যে অধিক বুদ্ধিমতি, জ্ঞান এবং রায় প্রদানের ক্ষেত্রে ছিলেন সর্বোত্তম ব্যক্তি। দানশীলতা ও উদারতায় তাকে উত্তম নমুনা হিসেবে উল্লেখ করা হতো। তিনি অনেক হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাঁর বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা 2210 টি। তিনি রামাজান বা শাওয়াল মাসের 17 তারিখে মাদীনাতে সন 57 অথবা 58 হিজরীতে রোজ মঙ্গলবার মৃত্যুবরণ করেন। আবু হুরায়রা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] তাঁর জানাজার নামাজ পড়িয়েছিলেন এবং তাঁকে আল বাকী কবরস্থানে দাফন করা হয় [রাদিয়াল্লাহু আনহা] ।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। প্রকৃত মুসলিম ব্যক্তির উচিত যে, সে যেন সকল প্রকারের পাপ বর্জন করে। কেননা পাপ হলো তার অমঙ্গল ও দুর্ভাগ্য সৃষ্টি করার উপাদান।
2। মানুষ নিজের পাপের অমঙ্গল হতে সুরক্ষিত হওয়ার জন্য পরাক্রমশালী আল্লাহর শরণ নেওয়ার প্রতি এই হাদীসটি উৎসাহ প্রদান করে। কেননা মানুষ তো তার সমস্ত অবস্থায় তার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর মুখাপেক্ষী।
3। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, মঙ্গলদায়ক আশ্রয়স্থল হলো এক মাত্র পরাক্রমশালী মহান আল্লাহ, সৃষ্টি জগতের অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তু নয়।