১
নির্বাচিত হাদীস চতুর্থ খণ্ড
লেখকঃ ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
পানাহারের পর পঠনীয় দোয়া
9 - عَنْ أَبِيْ أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ , قَالَ : كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَكَلَ أَوْ شَرِبَ قَالَ : " الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِيْ أَطْعَمَ وَسَقَى، وَسَوَّغَهُ، وَجَعَلَ لَهُ مَخْرَجا ".
( سنن أبي داود , رقم الحديث 3851, وصححه الألباني ).
9 - অর্থ: আবু আইয়ুব আল্ আনসারী [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] যখন পানাহার করতেন তখন এই জিকির">দোয়াটি বলতেন:
" الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِيْ أَطْعَمَ وَسَقَى، وَسَوَّغَهُ، وَجَعَلَ لَهُ مَخْرَجا ".
অর্থ: “সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য, যিনি খাদ্য দ্রব্য ও পানীয় দ্রব্য প্রদান করেছেন। এবং সেগুলিকে গলাধঃকরণ করিয়েছেন। অতঃপর দেহ থেকে সেগুলির বের হওয়ার পথও করে দিয়েছেন”।
[সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং 3851। আল্লামা নাসেরুদ্দিন আল্ আলবাণী এই হাদীসটিকে সহীহ (সঠিক) বলেছেন]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয়:
আবু আইয়ুব আল্ আনসারী [রাদিয়াল্লাহু আনহু], তিনি হলেন খালিদ বিন য্যাইদ বিন কোল্যাইব আল্ খাজরাজী, একজন বিশিষ্ট ও বিখ্যাত সাহাবী। তিনি আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর সাথে আকাবার দ্বিতীয় বাইয়াত বা অঙ্গীকারে যোগদান করেছিলেন এবং বদরের যুদ্ধে, ওহুদের যুদ্ধে এবং আরো সমস্ত যুদ্ধে নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর সাথে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি আল্লাহর পথে ধৈর্যের সহিত জেহাদ করতে ভালো বাসতেন।
আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] যখন হিজরত করে মাদীনা শহরে আগমন করেছিলেন, তখন তিনি এই সাহাবীর বাড়িতেই অবস্থান করেছিলেন। এবং আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর বাড়িঘর এবং মাসজিদ নির্মিত হওয়া পর্যন্ত তিনি সেই সাহাবীর বাড়িতেই অবস্থান করেছিলেন।
তাঁর বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা 155 টি।
আবু আইয়ুব আল্ আনসারী [রাদিয়াল্লাহু আনহু], ইয়াজিদের নেতৃত্বে কনস্টানটিনোপল (বর্তমানে তুরস্ক দেশের ইস্তাম্বুল নগরী) শহরের যুদ্ধের সময় 52 হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জানাজার নামাজ পড়িয়েছিলেন সেই যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ইয়াজিদ। এবং তাঁকে কনস্টানটিনোপল (বর্তমানে তুরস্ক দেশের ইস্তাম্বুল নগরী) শহরের প্রাচীরের নিকটে সমাহিত করা হয়েছিলো।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। জীবনযাত্রার সমস্ত ভালো ও পবিত্র রুজি বা জীবিকা সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রদত্ত নেয়ামত; তাই মুসলিম ব্যক্তির উচিত যে, সে যেন মহান আল্লাহর প্রশংসা করে এই সমস্ত নেয়ামত প্রাপ্ত হওয়ার কারণে।
2। সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রদত্ত নেয়ামতের স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাতে গভীরভাবে গবেষণা করে তার তত্ত্বজ্ঞান লাভ করা মহান আল্লাহর একটি বড়ো উপাসনা বা ইবাদত।
3। মুসলিম ব্যক্তির উচিত যে, সে যেন তার সৃষ্টিকর্তা এবং রুজিদাতা মহান আল্লাহর সঠিক জ্ঞানলাভ করে, তাঁর প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং তাঁকে না ভুলে।
( سنن أبي داود , رقم الحديث 3851, وصححه الألباني ).
9 - অর্থ: আবু আইয়ুব আল্ আনসারী [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] যখন পানাহার করতেন তখন এই জিকির">দোয়াটি বলতেন:
" الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِيْ أَطْعَمَ وَسَقَى، وَسَوَّغَهُ، وَجَعَلَ لَهُ مَخْرَجا ".
অর্থ: “সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য, যিনি খাদ্য দ্রব্য ও পানীয় দ্রব্য প্রদান করেছেন। এবং সেগুলিকে গলাধঃকরণ করিয়েছেন। অতঃপর দেহ থেকে সেগুলির বের হওয়ার পথও করে দিয়েছেন”।
[সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং 3851। আল্লামা নাসেরুদ্দিন আল্ আলবাণী এই হাদীসটিকে সহীহ (সঠিক) বলেছেন]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয়:
আবু আইয়ুব আল্ আনসারী [রাদিয়াল্লাহু আনহু], তিনি হলেন খালিদ বিন য্যাইদ বিন কোল্যাইব আল্ খাজরাজী, একজন বিশিষ্ট ও বিখ্যাত সাহাবী। তিনি আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর সাথে আকাবার দ্বিতীয় বাইয়াত বা অঙ্গীকারে যোগদান করেছিলেন এবং বদরের যুদ্ধে, ওহুদের যুদ্ধে এবং আরো সমস্ত যুদ্ধে নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর সাথে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি আল্লাহর পথে ধৈর্যের সহিত জেহাদ করতে ভালো বাসতেন।
আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] যখন হিজরত করে মাদীনা শহরে আগমন করেছিলেন, তখন তিনি এই সাহাবীর বাড়িতেই অবস্থান করেছিলেন। এবং আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর বাড়িঘর এবং মাসজিদ নির্মিত হওয়া পর্যন্ত তিনি সেই সাহাবীর বাড়িতেই অবস্থান করেছিলেন।
তাঁর বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা 155 টি।
আবু আইয়ুব আল্ আনসারী [রাদিয়াল্লাহু আনহু], ইয়াজিদের নেতৃত্বে কনস্টানটিনোপল (বর্তমানে তুরস্ক দেশের ইস্তাম্বুল নগরী) শহরের যুদ্ধের সময় 52 হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জানাজার নামাজ পড়িয়েছিলেন সেই যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ইয়াজিদ। এবং তাঁকে কনস্টানটিনোপল (বর্তমানে তুরস্ক দেশের ইস্তাম্বুল নগরী) শহরের প্রাচীরের নিকটে সমাহিত করা হয়েছিলো।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। জীবনযাত্রার সমস্ত ভালো ও পবিত্র রুজি বা জীবিকা সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রদত্ত নেয়ামত; তাই মুসলিম ব্যক্তির উচিত যে, সে যেন মহান আল্লাহর প্রশংসা করে এই সমস্ত নেয়ামত প্রাপ্ত হওয়ার কারণে।
2। সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রদত্ত নেয়ামতের স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাতে গভীরভাবে গবেষণা করে তার তত্ত্বজ্ঞান লাভ করা মহান আল্লাহর একটি বড়ো উপাসনা বা ইবাদত।
3। মুসলিম ব্যক্তির উচিত যে, সে যেন তার সৃষ্টিকর্তা এবং রুজিদাতা মহান আল্লাহর সঠিক জ্ঞানলাভ করে, তাঁর প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং তাঁকে না ভুলে।