১
নির্বাচিত হাদীস চতুর্থ খণ্ড
লেখকঃ ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭৩
আশূরার রোজা রাখার প্রতি উৎসাহ প্রদান
69 - عَنْ أَبيْ قَتَادَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ , أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : " صِيَامُ يَوْمِ عَاشُوْرَاءَ، إِنِّيْ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِيْ قَبْلَهُ ".
( جامع الترمذي , رقم الحديث 752, وصحيح مسلم , جزء من رقم الحديث 196- (1162), وسنن أبي داود , جزء من رقم الحديث 2425, واللفظ للترمذي , ولم يحكم الإمام الترمذي هذا الحديث بشيءٍ , وصححه الألباني ).
69 - অর্থ: আবু কাতাদা আল্ আনসারী [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত যে, নিশ্চয় আল্লাহর নাবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “আশূরার রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে আশা পোষণ করি যে, তিনি আশূরার একটি রোজার দ্বারা গত এক বছরের পাপসমূহ ক্ষমা করে দিবেন”।
[জামে তিরমিজী, হাদীস নং 752, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 196 - (1162) এর অংশবিশেষ এবং সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং 2425 এর অংশবিশেষ। ইমাম তিরমিযী এই হাদীসটির বিষয়ে নিজের কোনো মন্তব্য পেশ করেন নি। আল্লামা নাসেরুদ্দিন আল্ আলবাণী এই হাদীসটিকে সহীহ (সঠিক) বলেছেন]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 15 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। আশূরার রোজা রাখার প্রতি এই হাদীসটি উৎসাহ প্রদান করে। কেননা এই হাদীসটির দ্বারা জানা যায় যে, মহান আল্লাহ এই আশূরার একটি দিনে রোজা রাখার মাধ্যমে আমাদের পূর্ণ এক বছরের পাপগুলিকে ক্ষমা করে দেন। যদিও এই সমস্ত পাপ বলতে ছোটো ছোটো পাপ বুঝানো হয়েছে।
2। মুহার্রাম মাসের 9 এবং 10 তারিখে রোজা রাখা মুস্তাহাব অথবা উত্তম। কেননা আল্লাহর নাবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এই আশূরার দিনে স্বয়ং রোজা রেখেছেন এবং 9 তারিখে রোজা রাখার আশা পোষণ করেছেন। তবে আশূরার দিন হিসেবে শুধু মাত্র মুহার্রাম মাসের 10 তারিখে এক দিন একটি রোজা রাখাও চলবে। তাই মুহার্রাম মাসের শুধু 10 তারিখে রোজা রাখা মাকরূহ বা অপছন্দনীয় বিষয় নয়।
3। আশূরার রোজা রাখার সঠিক নিয়ম হলো এই যে, শুধু মাত্র মুহার্রাম মাসের 10 তারিখে এক দিন একটি রোজা রাখা যাবে। এবং মুহার্রাম মাসের 10 তারিখের রোজা রাখার সাথে সাথে 9 তারিখেও রোজা রাখা উত্তম। অতঃপর মহান আল্লাহর মুহার্রাম মাসে যত বেশি রোজা রাখা যাবে, ততই উত্তম কর্ম বা পুণ্যের কাজ হিসেবে বিবেচিত হবে।
( جامع الترمذي , رقم الحديث 752, وصحيح مسلم , جزء من رقم الحديث 196- (1162), وسنن أبي داود , جزء من رقم الحديث 2425, واللفظ للترمذي , ولم يحكم الإمام الترمذي هذا الحديث بشيءٍ , وصححه الألباني ).
69 - অর্থ: আবু কাতাদা আল্ আনসারী [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত যে, নিশ্চয় আল্লাহর নাবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “আশূরার রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে আশা পোষণ করি যে, তিনি আশূরার একটি রোজার দ্বারা গত এক বছরের পাপসমূহ ক্ষমা করে দিবেন”।
[জামে তিরমিজী, হাদীস নং 752, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 196 - (1162) এর অংশবিশেষ এবং সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং 2425 এর অংশবিশেষ। ইমাম তিরমিযী এই হাদীসটির বিষয়ে নিজের কোনো মন্তব্য পেশ করেন নি। আল্লামা নাসেরুদ্দিন আল্ আলবাণী এই হাদীসটিকে সহীহ (সঠিক) বলেছেন]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 15 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। আশূরার রোজা রাখার প্রতি এই হাদীসটি উৎসাহ প্রদান করে। কেননা এই হাদীসটির দ্বারা জানা যায় যে, মহান আল্লাহ এই আশূরার একটি দিনে রোজা রাখার মাধ্যমে আমাদের পূর্ণ এক বছরের পাপগুলিকে ক্ষমা করে দেন। যদিও এই সমস্ত পাপ বলতে ছোটো ছোটো পাপ বুঝানো হয়েছে।
2। মুহার্রাম মাসের 9 এবং 10 তারিখে রোজা রাখা মুস্তাহাব অথবা উত্তম। কেননা আল্লাহর নাবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এই আশূরার দিনে স্বয়ং রোজা রেখেছেন এবং 9 তারিখে রোজা রাখার আশা পোষণ করেছেন। তবে আশূরার দিন হিসেবে শুধু মাত্র মুহার্রাম মাসের 10 তারিখে এক দিন একটি রোজা রাখাও চলবে। তাই মুহার্রাম মাসের শুধু 10 তারিখে রোজা রাখা মাকরূহ বা অপছন্দনীয় বিষয় নয়।
3। আশূরার রোজা রাখার সঠিক নিয়ম হলো এই যে, শুধু মাত্র মুহার্রাম মাসের 10 তারিখে এক দিন একটি রোজা রাখা যাবে। এবং মুহার্রাম মাসের 10 তারিখের রোজা রাখার সাথে সাথে 9 তারিখেও রোজা রাখা উত্তম। অতঃপর মহান আল্লাহর মুহার্রাম মাসে যত বেশি রোজা রাখা যাবে, ততই উত্তম কর্ম বা পুণ্যের কাজ হিসেবে বিবেচিত হবে।