১
নির্বাচিত হাদীস চতুর্থ খণ্ড
লেখকঃ ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬২
কিভাবে রমাজান মাসের প্রবেশ ক্রিয়া সাব্যস্ত হবে?
58 - عَنْ أَبيْ هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : ذَكَرَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلْهِلاَلَ؛ فَقَالَ : " إِذَا رَأَيْتُمُوْهُ فَصُوْمُوْا , وَإِذَا رَأَيْتُمُوْهُ؛ فَأَفْطِرُوا؛ فَإِنْ أُغْمِيَ عَلَيْكُمْ فَعُدُّوْا ثَلَاثِينَ ".
( صحيح مسلم , رقم الحديث 20- (1081), ).
58 - অর্থ: আবু হুরায়রা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] একদা চাঁদের আলোচনা করেছিলেন, অতঃপর তিনি বলেছিলেন: “তোমরা যখন রমাজান মাসের চাঁদ দেখতে পাবে, তখন রোজা রাখতে শুরু করবে এবং যখন শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখতে পাবে, তখন রোজা রাখা ছেড়ে দিবে। কিন্তু যদি কোনো সময় তোমাদের উপর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয় এবং চাঁদ দেখতে সক্ষম না হও, তাহলে মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ করে নিবে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 20 -(1081)]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 13 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। এই হাদীসটির দ্বারা বুঝা যায় যে, রমাজান মাস প্রবেশ করেছে কি না, এই রকম সন্দেহের দিনে রোজা রাখা বৈধ নয়। এবং রমাজান মাসের নবচন্দ্র শাবান মাসের ত্রিশ তারিখের রাত্রিতে বা নিশাকালে যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হওয়ার কারণে দেখা না যায়, তাহলে শাবান মাসের ত্রিশ তারিখে রমাজান মাস প্রবেশ করেছে বলে ধারণা করে রোজা রাখা জায়েজ নয়।
2। রমাজান মাস প্রবেশ না করার পূর্বে রমাজান মাসের রোজা রাখা ওয়াজেব বা অপরিহার্য নয়। এবং রমাজান মাস প্রবেশের বিষয়টি সাব্যস্ত হয় রমাজান মাসের নবচন্দ্র প্রত্যক্ষ করার মাধ্যমে অথবা উক্ত নবচন্দ্র প্রত্যক্ষ করার সাক্ষ্য প্রমাণের মাধ্যমে। তবে যদি রমাজান মাসের নবচন্দ্র শাবান মাসের ত্রিশ তারিখের রাত্রিকালে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হওয়ার কারণে অথবা কুয়াশার কারণে দেখা না যায়, তাহলে শাবান মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ করে নিতে হবে। তার পর রমাজান মাসের রোজা রাখা অপরিহার্য হয়ে যাবে।
( صحيح مسلم , رقم الحديث 20- (1081), ).
58 - অর্থ: আবু হুরায়রা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] একদা চাঁদের আলোচনা করেছিলেন, অতঃপর তিনি বলেছিলেন: “তোমরা যখন রমাজান মাসের চাঁদ দেখতে পাবে, তখন রোজা রাখতে শুরু করবে এবং যখন শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখতে পাবে, তখন রোজা রাখা ছেড়ে দিবে। কিন্তু যদি কোনো সময় তোমাদের উপর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয় এবং চাঁদ দেখতে সক্ষম না হও, তাহলে মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ করে নিবে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 20 -(1081)]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 13 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। এই হাদীসটির দ্বারা বুঝা যায় যে, রমাজান মাস প্রবেশ করেছে কি না, এই রকম সন্দেহের দিনে রোজা রাখা বৈধ নয়। এবং রমাজান মাসের নবচন্দ্র শাবান মাসের ত্রিশ তারিখের রাত্রিতে বা নিশাকালে যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হওয়ার কারণে দেখা না যায়, তাহলে শাবান মাসের ত্রিশ তারিখে রমাজান মাস প্রবেশ করেছে বলে ধারণা করে রোজা রাখা জায়েজ নয়।
2। রমাজান মাস প্রবেশ না করার পূর্বে রমাজান মাসের রোজা রাখা ওয়াজেব বা অপরিহার্য নয়। এবং রমাজান মাস প্রবেশের বিষয়টি সাব্যস্ত হয় রমাজান মাসের নবচন্দ্র প্রত্যক্ষ করার মাধ্যমে অথবা উক্ত নবচন্দ্র প্রত্যক্ষ করার সাক্ষ্য প্রমাণের মাধ্যমে। তবে যদি রমাজান মাসের নবচন্দ্র শাবান মাসের ত্রিশ তারিখের রাত্রিকালে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হওয়ার কারণে অথবা কুয়াশার কারণে দেখা না যায়, তাহলে শাবান মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ করে নিতে হবে। তার পর রমাজান মাসের রোজা রাখা অপরিহার্য হয়ে যাবে।