১
নির্বাচিত হাদীস চতুর্থ খণ্ড
লেখকঃ ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৪
বিপদ থেকে পরিত্রাণের সর্বোত্তম উপাদান হলো নামাজ
40 - عَنْ حُذَيْفَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : كَانَ النَّبيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا حَزَبَهُ أَمْرٌ صَلَّى .
( سنن أبي داود , رقم الحديث 1319, وحسنه الألباني ).
40 - অর্থ: হুজায়ফা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর সামনে যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ অথবা বিষণ্ণতা উপনীত হতো, তখন তিনি নামাজ পড়তেন।
[সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং 1319, আল্লামা নাসেরুদ্দিন আল্ আলবাণী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 4 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, প্রকৃত ইসলাম ধর্মের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকার উত্তম সহায়ক হলো নামাজ। তবে এই নামাজে নির্দিষ্ট কোন দোয়া নেই; তাই এতে মুসলিম ব্যক্তি তার ইচ্ছা অনুযায়ী যে কোন বৈধ দোয়া করবে। এই বিষয়টির সত্যায়নে পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন:
ﭽ ﮰ ﮱ ﯓﯔ ﯕ ﯖ ﯗ ﯘ ﯙ ﯚ ﭼ, ( سورة البقرة , الآية 45).
ভাবার্থের অনুবাদ : “তোমরা আল্লাহর আনুগত্যের জন্য ধৈর্যধারণ ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো! আর নিশ্চয় নামাজ হলো আল্লাহর সঠিক অনুগত ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্য সকলের কাছে একটি কঠিন কাজ”।
(সূরা আলবাকারা, আয়াত নং 45) ।
وقال تعالى : ﭽ ﯰ ﯱ ﯲ ﯳ ﯴ ﯵﯶ ﯷ ﯸ ﯹ ﯺ ﯻ ﭼ , ( سورة البقرة , الآية 153).
ভাবার্থের অনুবাদ: “হে ঈমানদার মুসলিমগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্যের জন্য ধৈর্যধারণ ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো! নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের জন্য সাহায্যকারী”। (সূরা আলবাকারা, আয়াত নং 153) ।
তাই সমস্ত বিপদ, অশান্তি এবং অমঙ্গল থেকে পরিত্রাণ ও রক্ষা পাওয়ার সর্বোত্তম উপকরণ হলো নামাজ।
2। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] যিনি আমাদের নাবী এবং সকল নাবীগণের সর্দার ও বিশ্ব পালনকর্তার প্রিয় ব্যক্তির সামনে যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ অথবা বিষণ্ণতা উপনীত হতো, তখন তিনি নামাজ পড়তেন; তাই এই বিষয়ে আমাদের উচিত যে, কঠিন পরিস্থিতি বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ অথবা বিষণ্ণতা উপনীত হওয়ার সময় আমরাও তাঁর অনুসরণ করে নামাজ পড়বো।
3। ( إِذَا حَزَبَهُ أَمْرٌ ) : এর অর্থ হলো এই যে, যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ অথবা বিষণ্ণতা কিংবা কঠিন পরিস্থিতি উপনীত হতো।
( سنن أبي داود , رقم الحديث 1319, وحسنه الألباني ).
40 - অর্থ: হুজায়ফা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর সামনে যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ অথবা বিষণ্ণতা উপনীত হতো, তখন তিনি নামাজ পড়তেন।
[সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং 1319, আল্লামা নাসেরুদ্দিন আল্ আলবাণী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয় পূর্বে 4 নং হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, প্রকৃত ইসলাম ধর্মের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকার উত্তম সহায়ক হলো নামাজ। তবে এই নামাজে নির্দিষ্ট কোন দোয়া নেই; তাই এতে মুসলিম ব্যক্তি তার ইচ্ছা অনুযায়ী যে কোন বৈধ দোয়া করবে। এই বিষয়টির সত্যায়নে পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন:
ﭽ ﮰ ﮱ ﯓﯔ ﯕ ﯖ ﯗ ﯘ ﯙ ﯚ ﭼ, ( سورة البقرة , الآية 45).
ভাবার্থের অনুবাদ : “তোমরা আল্লাহর আনুগত্যের জন্য ধৈর্যধারণ ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো! আর নিশ্চয় নামাজ হলো আল্লাহর সঠিক অনুগত ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্য সকলের কাছে একটি কঠিন কাজ”।
(সূরা আলবাকারা, আয়াত নং 45) ।
وقال تعالى : ﭽ ﯰ ﯱ ﯲ ﯳ ﯴ ﯵﯶ ﯷ ﯸ ﯹ ﯺ ﯻ ﭼ , ( سورة البقرة , الآية 153).
ভাবার্থের অনুবাদ: “হে ঈমানদার মুসলিমগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্যের জন্য ধৈর্যধারণ ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো! নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের জন্য সাহায্যকারী”। (সূরা আলবাকারা, আয়াত নং 153) ।
তাই সমস্ত বিপদ, অশান্তি এবং অমঙ্গল থেকে পরিত্রাণ ও রক্ষা পাওয়ার সর্বোত্তম উপকরণ হলো নামাজ।
2। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] যিনি আমাদের নাবী এবং সকল নাবীগণের সর্দার ও বিশ্ব পালনকর্তার প্রিয় ব্যক্তির সামনে যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ অথবা বিষণ্ণতা উপনীত হতো, তখন তিনি নামাজ পড়তেন; তাই এই বিষয়ে আমাদের উচিত যে, কঠিন পরিস্থিতি বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ অথবা বিষণ্ণতা উপনীত হওয়ার সময় আমরাও তাঁর অনুসরণ করে নামাজ পড়বো।
3। ( إِذَا حَزَبَهُ أَمْرٌ ) : এর অর্থ হলো এই যে, যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ অথবা বিষণ্ণতা কিংবা কঠিন পরিস্থিতি উপনীত হতো।