১
নির্বাচিত হাদীস চতুর্থ খণ্ড
লেখকঃ ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
মহান আল্লাহর একত্ববাদ প্রতিষ্ঠিত করা
1 - عَنْ عُثـْمَانَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " مَنْ مَاتَ وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ دَخَلَ الْجَنَّةَ ".
( صحيح مسلم , رقم الحديث 41 - (26), ).
1 - অর্থ: ওসমান [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “যে ব্যক্তি
" لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ "
( অর্থ: “আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো উপাস্য বা মাবূদ নেই”)।
এর সঠিক জ্ঞানার্জন করে মৃত্যুবরণ করবে, সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে”।
[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 41 -(26) ]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয়:
ওসমান বিন আফফান বিন আবীল আস আলকুরাশী। হস্তী বাহিনীর ছয় বছর পর তিনি মাক্কা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] নবুওয়াত প্রাপ্ত হওয়ার পরে পরেই তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তিনি হলেন আমীরুল মুমিনীন এবং খোলাফায়ে রাশেদীনের মধ্যে তৃতীয় খলিফা। তিনি নিজ স্ত্রী আল্লাহর রাসূলের মেয়ে রোকাইয়্যাকে সঙ্গে করে সর্ব প্রথম আবিসিনিয়ায় বা ইথিওপিয়া দেশে হিজরত করেন। তিনি নিজের জান ও মাল দ্বারা ইসলামের সাহায্য করেন। তিনি তাবুক যুদ্ধে সৈন্য বাহিনী তৈরীর জন্য 950টি উষ্ট্র এবং 50 টি ঘোড়া প্রদান করেন। 20 হাজার দিরহাম মুদ্রা দিয়ে মাদীনায় রোমা কুয়া ক্রয় করে মুসলমানদের জন্য তিনি সাদাকা জারিয়া হিসেবে দান করে দেন। মাসজিদে নবাবী প্রশস্ত করণেও তিনি 25 হাজার দিরহাম মুদ্রা দান করেন। ওমার [রাদিয়াল্লাহু আনহু] এর মৃত্যুর পর মুসলিম জাহানের তিনি তৃতীয় খলিফা নিযুক্ত হন। তিনি পবিত্র কুরআন একত্রিত করার কাজ সম্পন্ন করেন। তাঁর খেলাফতের সময় এশিয়া মহাদেশ ও আফ্রিকা মহাদেশে মহা বিজয়ের র্কাযক্রম সম্পাদিত হয়। তাঁর বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা হচ্ছে 146 টি। তিনি মাদীনায় স্বীয় বাসভবনে দুষ্কৃতিকারী পাপাচারিদের হাতে সন 35 হিজরীতে 80 অথবা 90 বছর বয়সে শাহাদাত বরণ করেন [রাদিয়াল্লাহু আনহু] ।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, যে ব্যক্তি নিজের অন্তরে একত্ববাদের কালেমা, কালেমায়ে তাওহীদকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে এবং শিরক, কুফরী ও মহা পাপগুলি বর্জন করে মৃত্যুবরণ করবে, সে ব্যক্তি অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে।
2। মুসলিম ব্যক্তির অপরিহার্য কর্ম হলো এই যে, সে যেন একত্ববাদের কালেমা, কালেমায়ে তাওহীদকে বাহ্যিক, আধ্যাত্মিক ও চারিত্রিক দিক দিয়ে বাস্তবায়িত করে এবং অন্তরে সঠিক পন্থায় কালেমায়ে তাওহীদকে স্থাপিত করে।
3। মুসলিম ব্যক্তির উচিত যে, সে যেন একত্ববাদের কালেমা, কালেমায়ে তাওহীদের প্রভাবকে রক্ষা করার জন্য শিরক, কুফরী ইত্যাদি বর্জন করে।
( صحيح مسلم , رقم الحديث 41 - (26), ).
1 - অর্থ: ওসমান [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেন: “যে ব্যক্তি
" لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ "
( অর্থ: “আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো উপাস্য বা মাবূদ নেই”)।
এর সঠিক জ্ঞানার্জন করে মৃত্যুবরণ করবে, সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে”।
[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 41 -(26) ]।
* এই হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীর পরিচয়:
ওসমান বিন আফফান বিন আবীল আস আলকুরাশী। হস্তী বাহিনীর ছয় বছর পর তিনি মাক্কা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] নবুওয়াত প্রাপ্ত হওয়ার পরে পরেই তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তিনি হলেন আমীরুল মুমিনীন এবং খোলাফায়ে রাশেদীনের মধ্যে তৃতীয় খলিফা। তিনি নিজ স্ত্রী আল্লাহর রাসূলের মেয়ে রোকাইয়্যাকে সঙ্গে করে সর্ব প্রথম আবিসিনিয়ায় বা ইথিওপিয়া দেশে হিজরত করেন। তিনি নিজের জান ও মাল দ্বারা ইসলামের সাহায্য করেন। তিনি তাবুক যুদ্ধে সৈন্য বাহিনী তৈরীর জন্য 950টি উষ্ট্র এবং 50 টি ঘোড়া প্রদান করেন। 20 হাজার দিরহাম মুদ্রা দিয়ে মাদীনায় রোমা কুয়া ক্রয় করে মুসলমানদের জন্য তিনি সাদাকা জারিয়া হিসেবে দান করে দেন। মাসজিদে নবাবী প্রশস্ত করণেও তিনি 25 হাজার দিরহাম মুদ্রা দান করেন। ওমার [রাদিয়াল্লাহু আনহু] এর মৃত্যুর পর মুসলিম জাহানের তিনি তৃতীয় খলিফা নিযুক্ত হন। তিনি পবিত্র কুরআন একত্রিত করার কাজ সম্পন্ন করেন। তাঁর খেলাফতের সময় এশিয়া মহাদেশ ও আফ্রিকা মহাদেশে মহা বিজয়ের র্কাযক্রম সম্পাদিত হয়। তাঁর বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা হচ্ছে 146 টি। তিনি মাদীনায় স্বীয় বাসভবনে দুষ্কৃতিকারী পাপাচারিদের হাতে সন 35 হিজরীতে 80 অথবা 90 বছর বয়সে শাহাদাত বরণ করেন [রাদিয়াল্লাহু আনহু] ।
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
1। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, যে ব্যক্তি নিজের অন্তরে একত্ববাদের কালেমা, কালেমায়ে তাওহীদকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে এবং শিরক, কুফরী ও মহা পাপগুলি বর্জন করে মৃত্যুবরণ করবে, সে ব্যক্তি অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে।
2। মুসলিম ব্যক্তির অপরিহার্য কর্ম হলো এই যে, সে যেন একত্ববাদের কালেমা, কালেমায়ে তাওহীদকে বাহ্যিক, আধ্যাত্মিক ও চারিত্রিক দিক দিয়ে বাস্তবায়িত করে এবং অন্তরে সঠিক পন্থায় কালেমায়ে তাওহীদকে স্থাপিত করে।
3। মুসলিম ব্যক্তির উচিত যে, সে যেন একত্ববাদের কালেমা, কালেমায়ে তাওহীদের প্রভাবকে রক্ষা করার জন্য শিরক, কুফরী ইত্যাদি বর্জন করে।