১
চোখের গুনাহ
লেখকঃ মফিজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১
১৩. শত্রুকে বন্ধু বানানো হচ্ছে
আমরা প্রতিনিয়ত যে চলচ্চিত্র সিরিজ দেখছি, আসলে তা আমাদের চিরশত্রুদের তৈরি। ফলে আমাদের জান-মালের চিরশত্রু শুধু আমাদের ঘরেই নয়, বরং আমাদের অন্তর-আত্মায় ঢুকে বন্ধুর মতো অবস্থান করছে এবং আমাদেরকে তাদের অপসংস্কৃতির নোংরামীর মাধ্যমে ধ্বংসের অতল তলে ডুবিয়ে দিচ্ছে। অথচ মহান আল্লাহ বলেন,
﴿يَاۤ أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّخِذُوا الْيَهُوْدَ وَالنَّصَارٰۤى أَوْلِيَآءَ﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইয়াহুদী-খ্রিস্টানদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না।
(সূরা মায়েদাহ ৫:৫১)
আজ মুসলিমদেরকে ধ্বংস করার জন্য সকল বাতিল শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আর মুসলিমরা তাদের তৈরিকৃত ছবি, নাটক, পর্নোগ্রাফি দেখে নিজেদের বুদ্ধিমত্তা, সাহসিকতা, অর্থ-সম্পদ ধ্বংস করছে; বিলাসিতায় মেতে উঠছে। হিংসা-বিদ্বেষ নিজেদের মধ্যে প্রজ্জ্বলিত করছে। ফলে মুসলিম ঐক্যশক্তি ভেঙ্গে খান খান হচ্ছে। এসব কারণে মুসলিমরা আজ কাফিরদেরকে ভয় করতে শুরু করছে; অথচ তারাই হলো বীরের জাতি।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, অদূর ভবিষ্যতে চতুর্দিকের সকল জাতি পরস্পরকে আহবান করে তোমাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হবে, যেভাবে ভোজনকারীরা ভোজনপাত্রের উপর একত্রিত হয়ে এক সাথে মিলে ভোজন করে। কোন এক সাহাবী জিজ্ঞেস করলেন, তখন কি আমরা সংখ্যায় কম থাকব হে আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন, না- কিন্তু তোমরা হবে স্রোতে ভেসে যাওয়া আবর্জনার মতো। তোমাদের শত্রুদের হৃদয় থেকে তোমাদের প্রতি ভীতি তুলে নেয়া হবে এবং তোমাদের হৃদয়ে দুর্বলতা প্রক্ষিপ্ত হবে। আর সে দুর্বলতা হল, দুনিয়াকে ভালোবাসা এবং মরণকে অপছন্দ করা। [. সহীহুল জামে হা/৮১৮৩]
মহান আল্লাহ বলেন,
﴿لَا تَجِدُ قَوْمًا يُّؤْمِنُوْنَ بِاللّٰهِ وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِ يُوَآدُّوْنَ مَنْ حَآدَّ اللّٰهَ وَرَسُوْلَهٗ﴾
তুমি আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারী- এমন কোন দলকে পাবে না, যারা আল্লাহ ও তার রাসূলের বিরোধিতাকারীদেরকে ভালোবাসে। (সূরা মুজাদালা ৫৮:২২)
﴿يَاۤ أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّخِذُوا الْيَهُوْدَ وَالنَّصَارٰۤى أَوْلِيَآءَ﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইয়াহুদী-খ্রিস্টানদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না।
(সূরা মায়েদাহ ৫:৫১)
আজ মুসলিমদেরকে ধ্বংস করার জন্য সকল বাতিল শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আর মুসলিমরা তাদের তৈরিকৃত ছবি, নাটক, পর্নোগ্রাফি দেখে নিজেদের বুদ্ধিমত্তা, সাহসিকতা, অর্থ-সম্পদ ধ্বংস করছে; বিলাসিতায় মেতে উঠছে। হিংসা-বিদ্বেষ নিজেদের মধ্যে প্রজ্জ্বলিত করছে। ফলে মুসলিম ঐক্যশক্তি ভেঙ্গে খান খান হচ্ছে। এসব কারণে মুসলিমরা আজ কাফিরদেরকে ভয় করতে শুরু করছে; অথচ তারাই হলো বীরের জাতি।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, অদূর ভবিষ্যতে চতুর্দিকের সকল জাতি পরস্পরকে আহবান করে তোমাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হবে, যেভাবে ভোজনকারীরা ভোজনপাত্রের উপর একত্রিত হয়ে এক সাথে মিলে ভোজন করে। কোন এক সাহাবী জিজ্ঞেস করলেন, তখন কি আমরা সংখ্যায় কম থাকব হে আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন, না- কিন্তু তোমরা হবে স্রোতে ভেসে যাওয়া আবর্জনার মতো। তোমাদের শত্রুদের হৃদয় থেকে তোমাদের প্রতি ভীতি তুলে নেয়া হবে এবং তোমাদের হৃদয়ে দুর্বলতা প্রক্ষিপ্ত হবে। আর সে দুর্বলতা হল, দুনিয়াকে ভালোবাসা এবং মরণকে অপছন্দ করা। [. সহীহুল জামে হা/৮১৮৩]
মহান আল্লাহ বলেন,
﴿لَا تَجِدُ قَوْمًا يُّؤْمِنُوْنَ بِاللّٰهِ وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِ يُوَآدُّوْنَ مَنْ حَآدَّ اللّٰهَ وَرَسُوْلَهٗ﴾
তুমি আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারী- এমন কোন দলকে পাবে না, যারা আল্লাহ ও তার রাসূলের বিরোধিতাকারীদেরকে ভালোবাসে। (সূরা মুজাদালা ৫৮:২২)