১
চোখের গুনাহ
লেখকঃ মফিজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
পর্নোগ্রাফি ইন্ডাস্ট্রির উদ্দেশ্য
বিশ্বে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয় ১৯৬৯ সালে। বাংলাদেশে চালু হয় ১৯৯৩ সালে এবং সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয় ১৯৯৬ সালে। পর্নোগ্রাফি তৈরিতে এক নম্বরে রয়েছে আমেরিকা, আর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জার্মানি। ইন্টারনেটে টোটাল পর্নো আছে ৪.৬ মিলিয়ন এবং পর্নো পেইজ রয়েছে ৪৫০ মিলিয়ন। [. তথ্য সূত্রে ইন্টারনেট।] দিন দিন তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পর্নোগ্রাফি ব্যবহারে বাংলাদেশের জনগণ পিছিয়ে নেই। স্মার্টফোন, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট আর স্পিড ডাটা সার্ভিস পর্নো ভিডিও আদান-প্রদানের বিষয়টিকে সহজ করেছে। ফলে প্রতি ৩২ সেকেন্ডে একটি নতুন পর্নো ওপেন হচ্ছে। অনায়াসে তা স্কুলছাত্র থেকে সিনিয়র কর্পোরেট অফিসার ইত্যাদি সবার কাছে ভিডিও পৌঁছে যাচ্ছে। নোংরা, অশ্লীল-পর্নোগ্রাফি এমনই একটি মাল্টি ট্রেড ইন্ডাস্ট্রি, যার উদ্দেশ্যই হলো সকল শ্রেণির মানুষ অর্থাৎ নারী-পুরুষ, যুবক-যুবতী, কিশোর-কিশোরীর সামনে যেনা-ব্যভিচারের দৃশ্যগুলো বিভিন্ন নামে ও বিভিন্ন ঢং-এ উন্মোচিত করা। আজ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় সকল শ্রেণির মানুষই নোংরা, অশ্লীল-পর্নোগ্রাফির নেশায় আসক্ত। তাদের উদ্দেশ্য যেন এমন যে,
‘দ্বীন ধর্ম নিপাত যাক, যৌনতা প্রচার পাক।
সচ্চরিত্র ধ্বংস হোক, অশ্লীলতার তুফান বহোক।’
তারা তাদের আর্থিক অবস্থা তুঙ্গে রাখার জন্যও এই পতিতার ব্যবসা চালু করেছে।
‘দ্বীন ধর্ম নিপাত যাক, যৌনতা প্রচার পাক।
সচ্চরিত্র ধ্বংস হোক, অশ্লীলতার তুফান বহোক।’
তারা তাদের আর্থিক অবস্থা তুঙ্গে রাখার জন্যও এই পতিতার ব্যবসা চালু করেছে।