১
চোখের গুনাহ
লেখকঃ মফিজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮৩
২৯. শয়তান থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হবে
শয়তানই মানুষকে অশ্লীলতার নির্দেশ দেয়। আল্লাহ বলেন,
﴿يَاۤ أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّبِعُوْا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ وَمَنْ يَّتَّبِعْ خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ فَإِنَّهٗ يَأْمُرُ بِالْفَحْشَآءِ وَالْمُنْكَرِ﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। কেউ শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করলে সে তাকে নির্লজ্জতা ও অপকর্মের নির্দেশ দেয়। (সূরা নূর ২৪:২১)
তাই শয়তানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য নিমেণর আমলগুলো করা জরুরী।
১. বাসায় প্রবেশ সময় সালাম দিয়ে প্রবেশ করবে।
২. বাসা থেকে বের হওয়ার সময় বলবে:
بِسْمِ اللّٰهِ تَوَكّلْتُ عَلَى اللّٰهِ ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوّةَ إلَّا بِاللّٰهِ
জিকির">দু’আটি পাঠ করা। এছাড়া বাড়িতে সূরা বাক্বারা পাঠ করা; বিশেষভাবে ঘুমানোর পূর্বে আয়াতুল কুরসি পাঠ করা; আর পর্নোগ্রাফি দেখা বন্ধ করা। [মুসলিম হাদিস/২০১৮, তিরমিযী হাদিস/ ৩৪২২, ৩৪২৬, বুখারী হাদিস/২৩১১, দারেমী হাদিস/ ৩৪২৪।]
৩. সকাল-সন্ধ্যায় সূরা ইখলাস, নাস ও বিশেষভাবে তিন বার পাঠ করবে :
৪. নিমেণর দু‘আটি তিন বার পাঠ করবে। উসমান ইবনে আফফান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যদি কোন ব্যক্তি প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এ দু‘আটি তিন বার পাঠ করে, তাহলে কোন কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।
بِسْمِ اللهِ الَّذِيْ لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِه شَيْءٌ فِي الْاَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ العَلِيْمُ
ঐ আল্লাহর নামে আমি শুরু করছি, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোন বস্তু ক্ষতি করতে পারে না এবং তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ। [সহীহ ইবনে হিববান, হা/৮৬২; আবু দাঊদ, হা/৫০৮৮; তিরমিযী, হা/৩৩৮৮; ইবনে মাজাহ, হা/৩৮৬৯। মুসনাদে আহমাদ, হা/৪৭৪; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/১৮৯৫।]
৫. নিমেণর দু‘আটি তিন বার পাঠ করবে।
اَعُوْذُ بِاللهِ الْعَظِيْمِ وَبِوَجْهِهِ الْكَرِيْمِ وَسُلْطَانِهِ الْقَدِيْمِ مِنَ الشَّيْطَانِ
আমি মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি তাঁর সম্মানিত চেহারার মাধ্যমে এবং তাঁর চিরন্তন প্রতাপের মাধ্যমে বিতাড়িত শয়তান থেকে। [আবু দাউদ, হা/৪৬৬; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৬০৬; মিশকাত, হা/৭৪৯।]
দু‘আগুলো পাঠ করা যা শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে রক্ষাকবচ হবে إنشاء الله -
﴿يَاۤ أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّبِعُوْا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ وَمَنْ يَّتَّبِعْ خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ فَإِنَّهٗ يَأْمُرُ بِالْفَحْشَآءِ وَالْمُنْكَرِ﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। কেউ শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করলে সে তাকে নির্লজ্জতা ও অপকর্মের নির্দেশ দেয়। (সূরা নূর ২৪:২১)
তাই শয়তানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য নিমেণর আমলগুলো করা জরুরী।
১. বাসায় প্রবেশ সময় সালাম দিয়ে প্রবেশ করবে।
২. বাসা থেকে বের হওয়ার সময় বলবে:
بِسْمِ اللّٰهِ تَوَكّلْتُ عَلَى اللّٰهِ ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوّةَ إلَّا بِاللّٰهِ
জিকির">দু’আটি পাঠ করা। এছাড়া বাড়িতে সূরা বাক্বারা পাঠ করা; বিশেষভাবে ঘুমানোর পূর্বে আয়াতুল কুরসি পাঠ করা; আর পর্নোগ্রাফি দেখা বন্ধ করা। [মুসলিম হাদিস/২০১৮, তিরমিযী হাদিস/ ৩৪২২, ৩৪২৬, বুখারী হাদিস/২৩১১, দারেমী হাদিস/ ৩৪২৪।]
৩. সকাল-সন্ধ্যায় সূরা ইখলাস, নাস ও বিশেষভাবে তিন বার পাঠ করবে :
৪. নিমেণর দু‘আটি তিন বার পাঠ করবে। উসমান ইবনে আফফান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যদি কোন ব্যক্তি প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এ দু‘আটি তিন বার পাঠ করে, তাহলে কোন কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।
بِسْمِ اللهِ الَّذِيْ لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِه شَيْءٌ فِي الْاَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ العَلِيْمُ
ঐ আল্লাহর নামে আমি শুরু করছি, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোন বস্তু ক্ষতি করতে পারে না এবং তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ। [সহীহ ইবনে হিববান, হা/৮৬২; আবু দাঊদ, হা/৫০৮৮; তিরমিযী, হা/৩৩৮৮; ইবনে মাজাহ, হা/৩৮৬৯। মুসনাদে আহমাদ, হা/৪৭৪; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/১৮৯৫।]
৫. নিমেণর দু‘আটি তিন বার পাঠ করবে।
اَعُوْذُ بِاللهِ الْعَظِيْمِ وَبِوَجْهِهِ الْكَرِيْمِ وَسُلْطَانِهِ الْقَدِيْمِ مِنَ الشَّيْطَانِ
আমি মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি তাঁর সম্মানিত চেহারার মাধ্যমে এবং তাঁর চিরন্তন প্রতাপের মাধ্যমে বিতাড়িত শয়তান থেকে। [আবু দাউদ, হা/৪৬৬; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৬০৬; মিশকাত, হা/৭৪৯।]
দু‘আগুলো পাঠ করা যা শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে রক্ষাকবচ হবে إنشاء الله -