১
চোখের গুনাহ
লেখকঃ মফিজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
চোখের যিনা
রাসূলুল্লাহ ﷺ হারাম দৃষ্টিকে চোখের যিনা বলে আখ্যায়িত করেছেন। অতএব সরাসরি, টিভিতে, ইন্টারনেটে, ফেসবুকে ও ইউটিউবে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন নগ্ন-অর্ধনগ্ন, যৌন উত্তেজনাকর দৃশ্য দেখা যিনার মতো ভয়াবহ পাপের কাজ। লাখো যুবক-যুবতী এরই মাধ্যমে চোখের যিনা করছে। এজন্য পর্নোগ্রাফির আগ্রাসন থেকে বাঁচার প্রধান মাধ্যম হলো দৃষ্টিশক্তির হেফাযত করা।
বিশ্বায়নের এই যুগে ইন্টারনেটে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে জাতির সামনে খুলে যাচ্ছে গোটা পৃথিবী। অনলাইনে ছড়িয়ে থাকা পর্নো মানুষের জমি-জায়গা দখল না করলেও অশ্লীলতা দেখার মন-মানসিকতা দখল করতে সক্ষম হয়েছে। মোবাইল, কম্পিউটার ও রিমোটের একটা বাটন চাপ দেয়ার সাথে সাথেই আসছে শত শত নগ্ন ছবি, সেগুলো আরো হাজারটা দেখতে উদ্বুদ্ধ করছে। যার ফলে এ দেশে নগ্নতা, নির্লজ্জতা ব্যাপক হারে বেড়ে চলছে।
চোখ হলো ব্যভিচারের প্রাণকেন্দ্র। সমস্ত যৌন দুর্ঘটনার সূত্রপাত হয় দৃষ্টি থেকে।
হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِىِّ قَالَ كُتِبَ عَلَى ابْنِ اٰدَمَ نَصِيبُهٗ مِنَ الزِّنٰى مُدْرِكٌ ذٰلِكَ لَا مَحَالَةَ فَالْعَيْنَانِ زِنَاهُمَا النَّظَرُ وَالأُذُنَانِ زِنَاهُمَا الاِسْتِمَاعُ وَاللِّسَانُ زِنَاهُ الْكَلاَمُ وَالْيَدُ زِنَاهَا الْبَطْشُ وَالرِّجْلُ زِنَاهَا الْخُطَا وَالْقَلْبُ يَهْوَى وَيَتَمَنَّى وَيُصَدِّقُ ذٰلِكَ الْفَرْجُ وَيُكَذِّبُهُ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী ﷺ বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ ত’আলা আদম সন্তানের জন্য ব্যভিচারের অংশ লিখে দিয়েছেন, যা সে অবশ্যই পাবে। সুতরাং চক্ষুদ্বয়ের ব্যভিচার হলো দর্শন। কর্ণদ্বয়ের ব্যভিচার শ্রবণ করা, জিহবার ব্যভিচার কথা বলা, হাতের ব্যভিচার ধরা, পায়ের ব্যভিচার গমন করা। আর হৃদয় কামনা-বাসনা করে এবং জননেন্দ্রিয় তা সত্য বা মিথ্যায় পরিণত করে। [বুখারী হাদিস/ ৬২৪৩, মুসলিম হাদিস/২৬৫৭, আবু দাউদ হাদিস/৭৬৬২।]
ব্যভিচার একটি জঘন্য, ভয়াবহ ও মারাত্মক পাপ। যা চোখ দিয়ে দেখাদেখির মাধ্যমে শুরু। বিবাহিত ব্যভিচারী-ব্যভিচারিণীর শাস্তি হলো রজম এবং অবিবাহিত ব্যভিচারী-ব্যভিচারিণীর শাস্তি হলো একশত বেত্রাঘাত ও এক বছরের জন্য এলাকা থেকে বহিষ্কার করা। ব্যভিচারীর লজ্জাস্থানের দুর্গন্ধে জাহান্নামবাসী অতিষ্ঠ হবে। আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে জিজ্ঞেস করা হলো কোন্ জিনিস সাধারণতঃ মানুষকে বেশিরভাগ জাহান্নামের সম্মুখীন করে? তখন তিনি বললেন, اَلْفَمُ وَالْفَرْجُ মুখ এবং লজ্জাস্থান। [তিরমিযি হাদিস/ ২০০৪, ইবনু মাজাহ হাদিস/ ৪৩২২, আহমাদ হাদিস/২৯১,৩৯২,৪৪২।]
পর্নোগ্রাফির নেশায় আসক্ত হয়ে লজ্জাস্থানের অপব্যবহার করলে জাহান্নাম সুনিশ্চিত।
বিশ্বায়নের এই যুগে ইন্টারনেটে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে জাতির সামনে খুলে যাচ্ছে গোটা পৃথিবী। অনলাইনে ছড়িয়ে থাকা পর্নো মানুষের জমি-জায়গা দখল না করলেও অশ্লীলতা দেখার মন-মানসিকতা দখল করতে সক্ষম হয়েছে। মোবাইল, কম্পিউটার ও রিমোটের একটা বাটন চাপ দেয়ার সাথে সাথেই আসছে শত শত নগ্ন ছবি, সেগুলো আরো হাজারটা দেখতে উদ্বুদ্ধ করছে। যার ফলে এ দেশে নগ্নতা, নির্লজ্জতা ব্যাপক হারে বেড়ে চলছে।
চোখ হলো ব্যভিচারের প্রাণকেন্দ্র। সমস্ত যৌন দুর্ঘটনার সূত্রপাত হয় দৃষ্টি থেকে।
হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِىِّ قَالَ كُتِبَ عَلَى ابْنِ اٰدَمَ نَصِيبُهٗ مِنَ الزِّنٰى مُدْرِكٌ ذٰلِكَ لَا مَحَالَةَ فَالْعَيْنَانِ زِنَاهُمَا النَّظَرُ وَالأُذُنَانِ زِنَاهُمَا الاِسْتِمَاعُ وَاللِّسَانُ زِنَاهُ الْكَلاَمُ وَالْيَدُ زِنَاهَا الْبَطْشُ وَالرِّجْلُ زِنَاهَا الْخُطَا وَالْقَلْبُ يَهْوَى وَيَتَمَنَّى وَيُصَدِّقُ ذٰلِكَ الْفَرْجُ وَيُكَذِّبُهُ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী ﷺ বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ ত’আলা আদম সন্তানের জন্য ব্যভিচারের অংশ লিখে দিয়েছেন, যা সে অবশ্যই পাবে। সুতরাং চক্ষুদ্বয়ের ব্যভিচার হলো দর্শন। কর্ণদ্বয়ের ব্যভিচার শ্রবণ করা, জিহবার ব্যভিচার কথা বলা, হাতের ব্যভিচার ধরা, পায়ের ব্যভিচার গমন করা। আর হৃদয় কামনা-বাসনা করে এবং জননেন্দ্রিয় তা সত্য বা মিথ্যায় পরিণত করে। [বুখারী হাদিস/ ৬২৪৩, মুসলিম হাদিস/২৬৫৭, আবু দাউদ হাদিস/৭৬৬২।]
ব্যভিচার একটি জঘন্য, ভয়াবহ ও মারাত্মক পাপ। যা চোখ দিয়ে দেখাদেখির মাধ্যমে শুরু। বিবাহিত ব্যভিচারী-ব্যভিচারিণীর শাস্তি হলো রজম এবং অবিবাহিত ব্যভিচারী-ব্যভিচারিণীর শাস্তি হলো একশত বেত্রাঘাত ও এক বছরের জন্য এলাকা থেকে বহিষ্কার করা। ব্যভিচারীর লজ্জাস্থানের দুর্গন্ধে জাহান্নামবাসী অতিষ্ঠ হবে। আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে জিজ্ঞেস করা হলো কোন্ জিনিস সাধারণতঃ মানুষকে বেশিরভাগ জাহান্নামের সম্মুখীন করে? তখন তিনি বললেন, اَلْفَمُ وَالْفَرْجُ মুখ এবং লজ্জাস্থান। [তিরমিযি হাদিস/ ২০০৪, ইবনু মাজাহ হাদিস/ ৪৩২২, আহমাদ হাদিস/২৯১,৩৯২,৪৪২।]
পর্নোগ্রাফির নেশায় আসক্ত হয়ে লজ্জাস্থানের অপব্যবহার করলে জাহান্নাম সুনিশ্চিত।