১
চোখের গুনাহ
লেখকঃ মফিজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
১৯. অবৈধ সঙ্গীর কামনা তীব্র হচ্ছে
পর্নোগ্রাফির কারণে আজ যুবক-যুবতী, কিশোর-কিশোরী মাঠে নেমেছে অবৈধ সঙ্গীর তালাশে। এরই মাধ্যমে যুবক-যুবতী, কিশোর-কিশোরীর মধ্যে অশ্লীল কামনা-বাসনা জাগ্রত হচ্ছে, যার প্রতিফল স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন চত্বরে, উদ্যান-পার্কে দৃশ্যমান। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, সেই সত্তার কসম! যার হাতে আমার প্রাণ। এ উম্মত ধ্বংস হবে না- যতক্ষণ না জনৈক ব্যক্তি কোন মহিলার সাথে রাস্তায় সঙ্গম করবে। আর তখন সর্বোত্তম লোকটি হবে ঐ ব্যক্তি, যে সাহস করে বলবে যে, যদি মহিলাটাকে একটু দেয়ালের পেছনে নিয়ে যেতে (তাহলে ভালো হতো)। [. আবু ইয়ালা: ১১/৪৩।]
আবদুল্লাহ বিন আমর বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, ততদিন পর্যন্ত কিয়ামত আসবে না, যতদিন পর্যন্ত না গাধার ন্যায় রাস্তায় সঙ্গম বা যৌনমিলন সংঘটিত হয়। আমি বললাম, সেটা কি অবশ্যই হবে? তিনি বলেন, হ্যাঁ! তা অবশ্যই ঘটবে। [. ইবনু হিববান/মাওয়ারিদ হা/১৮৮৯।]
আর এসব নোংরামী হলো টেলিভিশনের বিভিন্ন সিনেমা, নাটক, সিরিয়াল ও পর্নোগ্রাফি নিয়ে মত্ত থাকার বাস্তব ফল।
বিবাহ বাড়ি, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, চাকুরির ফিল্ড, বিভিন্ন মেলায়-খেলায়, বাজারে-মার্কেটে, উদ্যান-পার্কে চলছে নারী-পুরুষের মিলন মেলা। আর আল্লাহ বলেন,
﴿قُلْ إِنَّمَا حَرَّمَ رَبِّيَ الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَالْإِثْمَ﴾
(হে নবী!) তুমি বলে দাও, নিশ্চয় আমার প্রভু হারাম করে দিয়েছেন- প্রকাশ্য অপ্রকাশ্য সব ধরনের অশ্লীলতা ও পাপকর্ম। (সূরা আরাফ ৭:৩৩)
ইসলামী শরীয়তে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে এত কঠোর সতর্কবাণী থাকা সত্ত্বেও কিছু কিছু মানুষ রয়েছে, যারা তাদের স্ত্রীদেরকে মাথা, গলা, বুক, পেট, পিঠ খোলা রেখে বিভিন্ন রংয়ে ও বিভিন্ন ঢংয়ে সাজিয়ে তাদেরকে সাথে নিয়ে কমিউনিটি সেন্টারে, বিভিন্ন পার্টিতে ও উদ্যান-পার্কে ঘুরে বেড়ায়। এরাই হলো অশ্লীলতার প্রশ্রয়দানকারী দাইয়ূছ। রাসূল ﷺ বলেন,
ثَلَاثَةٌ لَا يَدْخُلُوْنَ الْجَنَّةَ اَلعَاقُّ لِوَالَدَيْهِ والْمُدْمِنُ الْخَمْرُ والدَّيُّوْثُ
তিন শ্রেণির লোক জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না- (১) মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান, (নিয়মিত) মদে আসক্ত ব্যক্তি এবং দাইয়ূছ অর্থাৎ এমন বেহায়া ব্যক্তি, যে তার পরিবারে অশ্লীলতাকে প্রশ্রয় দান করে। [. আহমদ হা/৫৩৭২, ৬১১৩, মিশকাত হা/৩৬৫৫, ছহীহুল জামে হা/৩০৫২।]
আবদুল্লাহ বিন আমর বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, ততদিন পর্যন্ত কিয়ামত আসবে না, যতদিন পর্যন্ত না গাধার ন্যায় রাস্তায় সঙ্গম বা যৌনমিলন সংঘটিত হয়। আমি বললাম, সেটা কি অবশ্যই হবে? তিনি বলেন, হ্যাঁ! তা অবশ্যই ঘটবে। [. ইবনু হিববান/মাওয়ারিদ হা/১৮৮৯।]
আর এসব নোংরামী হলো টেলিভিশনের বিভিন্ন সিনেমা, নাটক, সিরিয়াল ও পর্নোগ্রাফি নিয়ে মত্ত থাকার বাস্তব ফল।
বিবাহ বাড়ি, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, চাকুরির ফিল্ড, বিভিন্ন মেলায়-খেলায়, বাজারে-মার্কেটে, উদ্যান-পার্কে চলছে নারী-পুরুষের মিলন মেলা। আর আল্লাহ বলেন,
﴿قُلْ إِنَّمَا حَرَّمَ رَبِّيَ الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَالْإِثْمَ﴾
(হে নবী!) তুমি বলে দাও, নিশ্চয় আমার প্রভু হারাম করে দিয়েছেন- প্রকাশ্য অপ্রকাশ্য সব ধরনের অশ্লীলতা ও পাপকর্ম। (সূরা আরাফ ৭:৩৩)
ইসলামী শরীয়তে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে এত কঠোর সতর্কবাণী থাকা সত্ত্বেও কিছু কিছু মানুষ রয়েছে, যারা তাদের স্ত্রীদেরকে মাথা, গলা, বুক, পেট, পিঠ খোলা রেখে বিভিন্ন রংয়ে ও বিভিন্ন ঢংয়ে সাজিয়ে তাদেরকে সাথে নিয়ে কমিউনিটি সেন্টারে, বিভিন্ন পার্টিতে ও উদ্যান-পার্কে ঘুরে বেড়ায়। এরাই হলো অশ্লীলতার প্রশ্রয়দানকারী দাইয়ূছ। রাসূল ﷺ বলেন,
ثَلَاثَةٌ لَا يَدْخُلُوْنَ الْجَنَّةَ اَلعَاقُّ لِوَالَدَيْهِ والْمُدْمِنُ الْخَمْرُ والدَّيُّوْثُ
তিন শ্রেণির লোক জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না- (১) মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান, (নিয়মিত) মদে আসক্ত ব্যক্তি এবং দাইয়ূছ অর্থাৎ এমন বেহায়া ব্যক্তি, যে তার পরিবারে অশ্লীলতাকে প্রশ্রয় দান করে। [. আহমদ হা/৫৩৭২, ৬১১৩, মিশকাত হা/৩৬৫৫, ছহীহুল জামে হা/৩০৫২।]