১
চোখের গুনাহ
লেখকঃ মফিজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৩
৯. অশ্লীলতার সঙ্গী হওয়া যাবে না
পর্নোগ্রাফিভোক্তাদের সাথে উঠা-বসা এবং তাদের সঙ্গী বনে যাওয়া ঠিক নয়। আল্লাহ রাসূল ﷺ বলেন, لَا تُصَاحِبْ إِلَّا مُؤْمِنًا একজন খাঁটি মুমিন ছাড়া অন্য কাউকে বন্ধু বানাবে না। [আবুদাউদ হা/৪৮৩২, তিরমিযী হা/২৩৯৫।]
কেননা বন্ধুর প্রভাব বন্ধুর উপর সুদূর প্রসারী; বন্ধুর প্রভাবেই মানুষ ভালো হয়, আবার বন্ধুর প্রভাবেই মানুষ নষ্ট হয়। নোংরা, অশ্লীল পর্নোগ্রাফিভোক্তারা প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষকে নোংরামীর মাধ্যমে ধ্বংস করছে। তাই তাদের সংস্পর্শে থাকা ও তাদের কাছ থেকে ব্লুটুথ বা শেয়ারইট এর মাধ্যমে কোন নোংরা, অশ্লীল পর্নোগ্রাফি গ্রহণ করা সমীচীন নয়। পর্নোগ্রাফিভোক্তারা মূলত পার্থিব খেল-তামাশায় মত্ত। মহান আল্লাহ বলেন,
﴿وَذَرِ الَّذِيْنَ اتَّخَذُوْا دِيْنَهُمْ لَعِبًا وَّلَهْوًا وَّغَرَّتْهُمُ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا﴾
যারা তাদের দ্বীনকে খেল-তামাশা বানিয়ে নিয়েছে আর পার্থিব জীবন যাদেরকে প্রতারিত করছে তুমি তাদের (সঙ্গ) বর্জন করো। (সূরা আনআম ৬:৭০)
﴿وَلَا تَرْكَنُوْاۤ إِلَى الَّذِيْنَ ظَلَمُوْا فَتَمَسَّكُمُ النَّارُ﴾
তোমরা যালিমদের প্রতি ঝুঁকে পড়ো না। তাহলে জাহান্নামের আগুন তোমাদেরকে স্পর্শ করবে। (সূরা হুদ ১১:১১৩)
পর্নোভোক্তারা মূলত এক প্রকার যালেম। তাই জাহান্নামের শাস্তির ভয়ে তাদের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকা জরুরী। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল ﷺ একদা হিজরবাসীদের সম্পর্কে বলেন,
لَا تَدْخُلُوْا عَلٰى هٰؤُلَاءِ الْقَوْمِ الْمُعَذَّبِيْنَ
তোমরা এ শাস্তি প্রাপ্ত সম্প্রদায়ের এলাকায় যেয়ো না। [বুখারী হা/ ৩৩৮১, মুসলিম হা/২৯৮০।]
একাকী থাকা ভাল; তবুও নোংরা, অশ্লীলতা চর্চাকারী, প্রকাশকারীদের সাথে থাকা ঠিক নয়। এক্ষেত্রে নিচের হাদীস স্মরণযোগ্য,
يُوشِكُ أَنْ يَكُونَ خَيْرَ مَالِ الْمُسْلِمِ غَنَمٌ يَتْبَعُ بِهَا شَعَفَ الْجِبَالِ وَمَوَاقِعَ الْقَطْرِ يَفِرُّ بِدِينِهٖ مِنَ الْفِتَنِ
অচিরেই একজন মুসলিমের শ্রেষ্ঠ সম্পদ হবে ছাগল। যা নিয়ে সে এক পাহাড়ের চূড়ায় উঠবে ও পানির জায়গায় যাবে ফিতনা থেকে রক্ষার মানসে। [বুখারী হাদীস/১৯।]
কেননা বন্ধুর প্রভাব বন্ধুর উপর সুদূর প্রসারী; বন্ধুর প্রভাবেই মানুষ ভালো হয়, আবার বন্ধুর প্রভাবেই মানুষ নষ্ট হয়। নোংরা, অশ্লীল পর্নোগ্রাফিভোক্তারা প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষকে নোংরামীর মাধ্যমে ধ্বংস করছে। তাই তাদের সংস্পর্শে থাকা ও তাদের কাছ থেকে ব্লুটুথ বা শেয়ারইট এর মাধ্যমে কোন নোংরা, অশ্লীল পর্নোগ্রাফি গ্রহণ করা সমীচীন নয়। পর্নোগ্রাফিভোক্তারা মূলত পার্থিব খেল-তামাশায় মত্ত। মহান আল্লাহ বলেন,
﴿وَذَرِ الَّذِيْنَ اتَّخَذُوْا دِيْنَهُمْ لَعِبًا وَّلَهْوًا وَّغَرَّتْهُمُ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا﴾
যারা তাদের দ্বীনকে খেল-তামাশা বানিয়ে নিয়েছে আর পার্থিব জীবন যাদেরকে প্রতারিত করছে তুমি তাদের (সঙ্গ) বর্জন করো। (সূরা আনআম ৬:৭০)
﴿وَلَا تَرْكَنُوْاۤ إِلَى الَّذِيْنَ ظَلَمُوْا فَتَمَسَّكُمُ النَّارُ﴾
তোমরা যালিমদের প্রতি ঝুঁকে পড়ো না। তাহলে জাহান্নামের আগুন তোমাদেরকে স্পর্শ করবে। (সূরা হুদ ১১:১১৩)
পর্নোভোক্তারা মূলত এক প্রকার যালেম। তাই জাহান্নামের শাস্তির ভয়ে তাদের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকা জরুরী। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল ﷺ একদা হিজরবাসীদের সম্পর্কে বলেন,
لَا تَدْخُلُوْا عَلٰى هٰؤُلَاءِ الْقَوْمِ الْمُعَذَّبِيْنَ
তোমরা এ শাস্তি প্রাপ্ত সম্প্রদায়ের এলাকায় যেয়ো না। [বুখারী হা/ ৩৩৮১, মুসলিম হা/২৯৮০।]
একাকী থাকা ভাল; তবুও নোংরা, অশ্লীলতা চর্চাকারী, প্রকাশকারীদের সাথে থাকা ঠিক নয়। এক্ষেত্রে নিচের হাদীস স্মরণযোগ্য,
يُوشِكُ أَنْ يَكُونَ خَيْرَ مَالِ الْمُسْلِمِ غَنَمٌ يَتْبَعُ بِهَا شَعَفَ الْجِبَالِ وَمَوَاقِعَ الْقَطْرِ يَفِرُّ بِدِينِهٖ مِنَ الْفِتَنِ
অচিরেই একজন মুসলিমের শ্রেষ্ঠ সম্পদ হবে ছাগল। যা নিয়ে সে এক পাহাড়ের চূড়ায় উঠবে ও পানির জায়গায় যাবে ফিতনা থেকে রক্ষার মানসে। [বুখারী হাদীস/১৯।]