১
চোখের গুনাহ
লেখকঃ মফিজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭১
১৭. পরকালকে প্রাধান্য দিতে হবে
দুনিয়াবি ভোগ-বিলাসিতায় আত্মহারা হওয়া মুসলিম জাতির অপমানিত, লাঞ্ছিত এবং দুর্বল হওয়ার মূল কারণ। তাই আল্লাহর রাসূল ﷺ এটাকে ভয় করেছেন। কাব ইবনে ইয়ায (রাঃ) বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি,
إِنَّ لِكُلِّ أُمَّةٍ فِتْنَةٌ وَإِنَّ فِتْنَةُ أُمَّتِي الْمَالُ
প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফিতনা রয়েছে এবং আমার উম্মতের ফিতনা হচ্ছে ধন-সম্পদ। [তিরমিযি হাদিস/ ২৩৩৬ হাসান ছহীহ, আহমাদ হা/১৭০১৭।]
কাব ইবনে মালেক (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন,
مَا ذِئْبَانِ جَائِعَانِ أُرْسِلَا فِي غَنَمٍ بِأَفْسَدَ لَهَا مِنْ حِرْصِ الْمَرْءِ عَلَى الْمَالِ وَالشَّرَفِ لِدِينِهِ
ছাগলের পালে দু’টি ক্ষুধার্ত নেকড়ে বাঘকে ছেড়ে দিলে ছাগলের যতটা ক্ষতি করে, তার চেয়ে মানুষের সম্পদ ও সম্মানের প্রতি লোভ-লালসা তার দ্বীনের জন্য বেশি ক্ষতিকারক। [তিরমিযী হাদিস/ ২৩৭৬, আহমাদ হাদিস/১৫৩৫৭, দারেমী হাদিস/২৭৩০।]
তাই তো মহান আল্লাহ বলেন,
﴿يَاۤ أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ وَعْدَ اللّٰهِ حَقٌّ فَلَا تَغُرَّنَّكُمُ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا وَلَا يَغُرَّنَّكُمْ بِاللّٰهِ الْغَرُوْرُ﴾
হে মানুষ! আল্লাহর প্রতিশ্রম্নতি সত্য, সুতরাং দুনিয়ার জীবন যেন কিছুতেই তোমাদেরকে প্রতারিত না করে এবং কোন প্রবঞ্চক যেন কিছুতেই আল্লাহ সম্পর্কে তোমাদেরকে প্রবঞ্চিত না করে। (সূরা ফাত্বির ৩৫:৫)
আল্লাহ বলেন,
﴿وَالْاٰخِرَةُ خَيْرٌ وَّأَبْقٰى﴾
আখিরাত হল উত্তম ও চিরস্থায়ী। (সূরা আলা ৮৭:১৭)
অর্থাৎ আখিরাতে আল্লাহ প্রদত্ত প্রতিদান দুনিয়ার চেয়ে উত্তম ও চিরস্থায়ী।
আল্লাহ বলেন,
﴿لَا يَمَسُّهُمْ فِيْهَا نَصَبٌ وَّمَا هُمْ مِّنْهَا بِمُخْرَجِيْنَ﴾
সেখানে তাদেরকে কোনরূপ বিষণ্ণতা স্পর্শ করবে না এবং তারা সেখান থেকে বহিষ্কৃতও হবে না। (সূরা হিজর ১৫:৪৮)
যে ব্যক্তি দুনিয়ার ভোগ বিলাস অন্বেষণে লিপ্ত থাকে, আখিরাতকে সে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আর যে আখিরাতের পাথেয় অন্বেষণে লিপ্ত থাকে, সে দুনিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অতএব তোমরা চিরস্থায়ী আখিরাতের জন্য ক্ষণস্থায়ী দুনিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করো। [আহমাদ, মিশকাত হা/৫১৭৯, সিলসিলা ছহীহাহ হা/ ৩২৮৭।]
আখিরাতের সুখ সম্ভার দুনিয়ার চেয়ে কত উত্তম সে বিষয়ে আল্লাহ বলেন,
﴿فَلَا تَعْلَمُ نَفْسٌ مَّاۤ أُخْفِيَ لَهُمْ مِّنْ قُرَّةِ أَعْيُنٍ جَزَآءً ۢبِمَا كَانُوْا يَعْمَلُوْنَ﴾
কেউ জানে না তার কর্মের প্রতিদান হিসেবে কী কী চক্ষু শীতলকারী বস্ত্ত তার জন্য লুকিয়ে আছে। (সূরা সাজদাহ ৩২:১৭)
রাসূল ﷺ বলেছেন, আল্লাহ বলেন,
أَعْدَدْتُ لِعِبَادِي الصَّالِحِينَ مَا لَا عَيْنٌ رَأَتْ وَلَا أُذُنٌ سَمِعَتْ وَلَا خَطَرَ عَلٰى قَلْبِ بَشَرٍ
আমি আমার সৎকর্মশীল বান্দাদের জন্য এমন সুখ সম্ভার প্রস্ত্তত করে রেখেছি, যা কোন চোখ কখনো দেখেনি, কোন কান কখনো শুনেনি এবং মানুষের অন্তর কখনো কল্পনা করেনি। [বুখারী হা/৭৪৯৮, মুসলিম হা/২৮২৪, মিশকাত হা/৬৫১২।]
আখিরাতের সুখ-সম্ভোগই হলো প্রকৃত সুখ-সম্ভোগ। কাজেই তা পেতে দুনিয়ার নোংরা, অশ্লীল গান-বাজনা, সিনেমা, নাটক, পর্নোগ্রাফির সম্ভোগ ত্যাগ করা জরুরী।
إِنَّ لِكُلِّ أُمَّةٍ فِتْنَةٌ وَإِنَّ فِتْنَةُ أُمَّتِي الْمَالُ
প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফিতনা রয়েছে এবং আমার উম্মতের ফিতনা হচ্ছে ধন-সম্পদ। [তিরমিযি হাদিস/ ২৩৩৬ হাসান ছহীহ, আহমাদ হা/১৭০১৭।]
কাব ইবনে মালেক (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন,
مَا ذِئْبَانِ جَائِعَانِ أُرْسِلَا فِي غَنَمٍ بِأَفْسَدَ لَهَا مِنْ حِرْصِ الْمَرْءِ عَلَى الْمَالِ وَالشَّرَفِ لِدِينِهِ
ছাগলের পালে দু’টি ক্ষুধার্ত নেকড়ে বাঘকে ছেড়ে দিলে ছাগলের যতটা ক্ষতি করে, তার চেয়ে মানুষের সম্পদ ও সম্মানের প্রতি লোভ-লালসা তার দ্বীনের জন্য বেশি ক্ষতিকারক। [তিরমিযী হাদিস/ ২৩৭৬, আহমাদ হাদিস/১৫৩৫৭, দারেমী হাদিস/২৭৩০।]
তাই তো মহান আল্লাহ বলেন,
﴿يَاۤ أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ وَعْدَ اللّٰهِ حَقٌّ فَلَا تَغُرَّنَّكُمُ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا وَلَا يَغُرَّنَّكُمْ بِاللّٰهِ الْغَرُوْرُ﴾
হে মানুষ! আল্লাহর প্রতিশ্রম্নতি সত্য, সুতরাং দুনিয়ার জীবন যেন কিছুতেই তোমাদেরকে প্রতারিত না করে এবং কোন প্রবঞ্চক যেন কিছুতেই আল্লাহ সম্পর্কে তোমাদেরকে প্রবঞ্চিত না করে। (সূরা ফাত্বির ৩৫:৫)
আল্লাহ বলেন,
﴿وَالْاٰخِرَةُ خَيْرٌ وَّأَبْقٰى﴾
আখিরাত হল উত্তম ও চিরস্থায়ী। (সূরা আলা ৮৭:১৭)
অর্থাৎ আখিরাতে আল্লাহ প্রদত্ত প্রতিদান দুনিয়ার চেয়ে উত্তম ও চিরস্থায়ী।
আল্লাহ বলেন,
﴿لَا يَمَسُّهُمْ فِيْهَا نَصَبٌ وَّمَا هُمْ مِّنْهَا بِمُخْرَجِيْنَ﴾
সেখানে তাদেরকে কোনরূপ বিষণ্ণতা স্পর্শ করবে না এবং তারা সেখান থেকে বহিষ্কৃতও হবে না। (সূরা হিজর ১৫:৪৮)
যে ব্যক্তি দুনিয়ার ভোগ বিলাস অন্বেষণে লিপ্ত থাকে, আখিরাতকে সে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আর যে আখিরাতের পাথেয় অন্বেষণে লিপ্ত থাকে, সে দুনিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অতএব তোমরা চিরস্থায়ী আখিরাতের জন্য ক্ষণস্থায়ী দুনিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করো। [আহমাদ, মিশকাত হা/৫১৭৯, সিলসিলা ছহীহাহ হা/ ৩২৮৭।]
আখিরাতের সুখ সম্ভার দুনিয়ার চেয়ে কত উত্তম সে বিষয়ে আল্লাহ বলেন,
﴿فَلَا تَعْلَمُ نَفْسٌ مَّاۤ أُخْفِيَ لَهُمْ مِّنْ قُرَّةِ أَعْيُنٍ جَزَآءً ۢبِمَا كَانُوْا يَعْمَلُوْنَ﴾
কেউ জানে না তার কর্মের প্রতিদান হিসেবে কী কী চক্ষু শীতলকারী বস্ত্ত তার জন্য লুকিয়ে আছে। (সূরা সাজদাহ ৩২:১৭)
রাসূল ﷺ বলেছেন, আল্লাহ বলেন,
أَعْدَدْتُ لِعِبَادِي الصَّالِحِينَ مَا لَا عَيْنٌ رَأَتْ وَلَا أُذُنٌ سَمِعَتْ وَلَا خَطَرَ عَلٰى قَلْبِ بَشَرٍ
আমি আমার সৎকর্মশীল বান্দাদের জন্য এমন সুখ সম্ভার প্রস্ত্তত করে রেখেছি, যা কোন চোখ কখনো দেখেনি, কোন কান কখনো শুনেনি এবং মানুষের অন্তর কখনো কল্পনা করেনি। [বুখারী হা/৭৪৯৮, মুসলিম হা/২৮২৪, মিশকাত হা/৬৫১২।]
আখিরাতের সুখ-সম্ভোগই হলো প্রকৃত সুখ-সম্ভোগ। কাজেই তা পেতে দুনিয়ার নোংরা, অশ্লীল গান-বাজনা, সিনেমা, নাটক, পর্নোগ্রাফির সম্ভোগ ত্যাগ করা জরুরী।