১
চোখের গুনাহ
লেখকঃ মফিজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
অশ্লীলতা সম্পর্কে মনীষীদের কিছু মন্তব্য
ড. সুলাইমান কুদরী বলেন, অশ্লীলতা যুবক-যুবতীর মানসিক ও স্বাস্থ্যগত মারাত্মক ক্ষতি করছে। এরই প্রভাবে যৌন অপরাধ দেদারছে বেড়ে চলছে।
এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, ইন্টারনেটে আড্ডা জমানো শতকরা ৮০% অথবা ৭০% যুবক-যুবতী নিষিদ্ধ পল্লিতে যাতায়াত করে। ৫৫% তাদের পরিবারের খোঁজ-খবর নেয় না। ধর্ষণ, অপহরণ, খুন, গুম, হত্যাসহ ব্যাপক হারে বেড়ে চলছে। [দৈনিক ইত্তেফাক ১৯ এপ্রিল, ২০১৪. পৃ.৮।] অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের জন্য এটাকে মারাত্মক ধ্বংসাত্মক মনে করছেন। [দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ ৮ ফেব্রম্নয়ারী, ২০১৪।]
Oxford University এর অধ্যাপক সুসান গ্রিন বলেন, আমার ভয় হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এসব সাইটগুলো আমাদেরকে মানসিক, বুদ্ধিবৃত্তিক পর্যায় থেকে ছোট শিশুদের পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে। ছোট শিশু যেমন কোন শব্দ ও উজ্জ্বল কিছু দেখে আকৃষ্ট হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনলাইন নেটওয়ার্কিং স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। আর অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়িয়ে দেয় ক্যান্সারের ঝুঁকি। মানুষ যতই ইন্টারনেটে আসক্ত হয়ে পড়ছে, ততই তারা পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। এরই ফলে মানুষের মধ্যে বিষণ্ণতা ও একাকিত্ব বাড়ছে। তাই বলা যায় বর্তমান যুগের প্রযুক্তি মানুষকে দিয়েছে বেগ, কিন্তু কেড়ে নিয়েছে আবেগ।
সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় জানা গেছে যে, ইন্টারনেটের পর্নোগ্রাফি তরুণ প্রজন্মকে যৌন সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলছে। নতুন এই মিডিয়া তরুণ গোষ্ঠিকে এতই আকৃষ্ট ও প্রভাবিত করছে যে, তারা এখানে যা দেখছে তা বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। ফলে পৃথিবীতে অহরহ ঘটছে ব্যভিচারের মতো জঘন্য অপরাধ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক নামী গবেষণা ‘জার্নাল সাইকোলোজি টুডে’তে উল্লেখ করা হয়েছে, অতি মাত্রায় পর্নোগ্রাফি দেখার ফলে মাত্র ২০ বছরের তরতাজা যুবকও প্রকৃত অর্থে স্বাভাবিক (বৈধ) যৌনচারণ করতে পারছে না।
ড. ভূন বলেন, নিষ্পাপতার দিন শেষ। মানুষ এখন ইন্টারনেটে অনেক কিছুই জানতে পারে। এটা হচ্ছে ঘরে হিরোইন রেখে বাচ্চাকে ছেড়ে দেয়ার ন্যায়।
’লাইফস্টাইল ডেস্ক’, ‘এবিসি নিউজ বিডি ঢাকা’ তথ্য দিয়েছে: যারা অশ্লীল ভিডিও দেখতে অতি মাত্রায় আসক্ত তাদের মেধা কমে যায়।
’ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ফ্যামিলি রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন’ এর গবেষকরা এ সিন্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, অশ্লীল বিষয়গুলোর সংস্পর্শে আসা দর্শকদের মধ্যে যৌন বিষয়ে নীতিভ্রষ্ট প্রবণতা গড়ে তোলার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
কিছু গবেষক বলেন, অশ্লীল চিত্র একজন বাচ্চার মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ব্যহত করতে পারে। অশ্লীল ভিডিও নারী ও বাচ্চাদের শোষণ করছে।
এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, ইন্টারনেটে আড্ডা জমানো শতকরা ৮০% অথবা ৭০% যুবক-যুবতী নিষিদ্ধ পল্লিতে যাতায়াত করে। ৫৫% তাদের পরিবারের খোঁজ-খবর নেয় না। ধর্ষণ, অপহরণ, খুন, গুম, হত্যাসহ ব্যাপক হারে বেড়ে চলছে। [দৈনিক ইত্তেফাক ১৯ এপ্রিল, ২০১৪. পৃ.৮।] অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের জন্য এটাকে মারাত্মক ধ্বংসাত্মক মনে করছেন। [দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ ৮ ফেব্রম্নয়ারী, ২০১৪।]
Oxford University এর অধ্যাপক সুসান গ্রিন বলেন, আমার ভয় হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এসব সাইটগুলো আমাদেরকে মানসিক, বুদ্ধিবৃত্তিক পর্যায় থেকে ছোট শিশুদের পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে। ছোট শিশু যেমন কোন শব্দ ও উজ্জ্বল কিছু দেখে আকৃষ্ট হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনলাইন নেটওয়ার্কিং স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। আর অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়িয়ে দেয় ক্যান্সারের ঝুঁকি। মানুষ যতই ইন্টারনেটে আসক্ত হয়ে পড়ছে, ততই তারা পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। এরই ফলে মানুষের মধ্যে বিষণ্ণতা ও একাকিত্ব বাড়ছে। তাই বলা যায় বর্তমান যুগের প্রযুক্তি মানুষকে দিয়েছে বেগ, কিন্তু কেড়ে নিয়েছে আবেগ।
সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় জানা গেছে যে, ইন্টারনেটের পর্নোগ্রাফি তরুণ প্রজন্মকে যৌন সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলছে। নতুন এই মিডিয়া তরুণ গোষ্ঠিকে এতই আকৃষ্ট ও প্রভাবিত করছে যে, তারা এখানে যা দেখছে তা বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। ফলে পৃথিবীতে অহরহ ঘটছে ব্যভিচারের মতো জঘন্য অপরাধ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক নামী গবেষণা ‘জার্নাল সাইকোলোজি টুডে’তে উল্লেখ করা হয়েছে, অতি মাত্রায় পর্নোগ্রাফি দেখার ফলে মাত্র ২০ বছরের তরতাজা যুবকও প্রকৃত অর্থে স্বাভাবিক (বৈধ) যৌনচারণ করতে পারছে না।
ড. ভূন বলেন, নিষ্পাপতার দিন শেষ। মানুষ এখন ইন্টারনেটে অনেক কিছুই জানতে পারে। এটা হচ্ছে ঘরে হিরোইন রেখে বাচ্চাকে ছেড়ে দেয়ার ন্যায়।
’লাইফস্টাইল ডেস্ক’, ‘এবিসি নিউজ বিডি ঢাকা’ তথ্য দিয়েছে: যারা অশ্লীল ভিডিও দেখতে অতি মাত্রায় আসক্ত তাদের মেধা কমে যায়।
’ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ফ্যামিলি রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন’ এর গবেষকরা এ সিন্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, অশ্লীল বিষয়গুলোর সংস্পর্শে আসা দর্শকদের মধ্যে যৌন বিষয়ে নীতিভ্রষ্ট প্রবণতা গড়ে তোলার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
কিছু গবেষক বলেন, অশ্লীল চিত্র একজন বাচ্চার মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ব্যহত করতে পারে। অশ্লীল ভিডিও নারী ও বাচ্চাদের শোষণ করছে।