১
চোখের গুনাহ
লেখকঃ মফিজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭২
১৮. হায়াত থাকতে কল্যাণের পথে অগ্রসর হতে হবে
মহান আল্লাহ বলেন,
﴿فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرَاتِ﴾
তোমরা কল্যাণকর বিষয়াদিতে প্রতিযোগিত করো। (সূরা মায়েদা ৫:৪৮)
আর তা হল জান্নাতের নেয়ামত। আল্লাহ অন্যত্র বলেন,
﴿وَفِيْ ذٰلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْمُتَنَافِسُوْنَ﴾
প্রতিযোগীরা এটা লাভের প্রতিযোগিতা করুক। (সূরা মুতাফফিফীন ৮৩:২৬)
আল্লাহ বলেন,
﴿كُلُّ نَفْسٍ ذَآئِقَةُ الْمَوْتِ وَإِنَّمَا تُوَفَّوْنَ أُجُوْرَكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَمَنْ زُحْزِحَ عَنِ النَّارِ وَأُدْخِلَ الْجَنَّةَ فَقَدْ فَازَ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَاۤ إِلَّا مَتَاعُ الْغُرُوْرِ﴾
প্রতিটি জীবন মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে এবং কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে পূর্ণমাত্রায় বিনিময় দেয়া হবে। যে ব্যক্তিকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করা হল এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হল, অবশ্যই সে ব্যক্তি সফলকাম হল। (সূরা আল ইমরান ৩:১৮৫)
তাইতো মহান আল্লাহ বলেন,
﴿فَلْيَعْمَلِ الْعَامِلُوْنَ﴾
এমন সাফল্যের জন্যই পরিশ্রমীদের পরিশ্রম করা উচিত। (সূরা ছাফফাত ৩৭:৬১)
আল্লাহ বলেন,
﴿فَمَنْ يَّعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَّرَهٗ ‐ وَمَنْ يَّعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَّرَهٗ﴾
অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলেও তা দেখতে পাবে। (সূরা যিলযাল ৯৯:৭-৮)
অন্যত্র আল্লাহ আরো বলেন,
﴿يَوْمَ تَجِدُ كُلُّ نَفْسٍ مَّا عَمِلَتْ مِنْ خَيْرٍ مُّحْضَرًا وَّمَا عَمِلَتْ مِنْ سُوْٓءٍ تَوَدُّ لَوْ أَنَّ بَيْنَهَا وَبَيْنَهٗۤ أَمَدًا ۢبَعِيْدًا﴾
যেদিন প্রত্যেকে চোখের সামনে উপস্থিত দেখতে পাবে যেসব ভাল কাজ সে করেছে এবং যা কিছু মন্দ কাজ সে করেছে। সেদিন সে কামনা করবে, যদি এসব কর্মের ও তার মধ্যকার ব্যবধান অনেক দূরের হতো (তাহলে কতই না ভাল হতো)। (সূরা আল ইমরান ৩:৩০)
আল্লাহ আরো বলেন,
﴿وَلَوْ تَرٰۤى إِذِ الْمُجْرِمُوْنَ نَاكِسُوْ رُءُوْسِهِمْ عِنْدَ رَبِّهِمْ رَبَّنَاۤ أَبْصَرْنَا وَسَمِعْنَا فَارْجِعْنَا نَعْمَلْ صَالِحًا إِنَّا مُوْقِنُوْنَ﴾
তুমি যদি দেখতে যখন অপরাধীরা তাদের প্রতিপালকের সামনে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে (আর বলবে), হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা দেখলাম ও শোনলাম। কাজেই আমাদেরকে (দুনিয়াতে) আবার পাঠিয়ে দাও, আমরা কল্যাণমূলক কাজ করব, আমরা এখন দৃঢ় বিশ্বাসী।
(সূরা সাজদাহ ৩২:১২)
অতএব সেদিন শত কোটিবার কল্যাণকর কাজ করব বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেও কোন লাভ হবে না। আজই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হবে; হায়াত থাকতে নোংরামী বন্ধ করে কল্যাণকর কাজের দিকে ধাবিত হতে হবে। এ মর্মে আল্লাহর আরও একটি বাণী স্মরণযোগ্য,
﴿وَهُمْ يَصْطَرِخُوْنَ فِيْهَا رَبَّنَاۤ أَخْرِجْنَا نَعْمَلْ صَالِحًا غَيْرَ الَّذِيْ كُنَّا نَعْمَلُ أَوَلَمْ نُعَمِّرْكُمْ مَّا يَتَذَكَّرُ فِيْهِ مَنْ تَذَكَّرَ وَجَآءَكُمُ النَّذِيْرُ فَذُوْقُوْا فَمَا لِلظَّالِمِيْنَ مِنْ نَّصِيْرٍ﴾
সেখানে তারা চিৎকার করে বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে বের করুন, আমরা কল্যাণকর কাজ করব, আমরা যে কাজ করতাম তা করব না। (তখন আল্লাহ বলবেন) আমি কি তোমাদেরকে এতটা সময় দেইনি যে, তখন কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে চাইলে উপদেশ গ্রহণ করতে পারত? আর তোমাদের কাছে সতর্কবাণীও এসেছিল। কাজেই তোমরা শাস্তি ভোগ করো; যালিমদের কোন সাহায্যকারী নেই। (সূরা ফাতির ৩৫:৩৭)
﴿فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرَاتِ﴾
তোমরা কল্যাণকর বিষয়াদিতে প্রতিযোগিত করো। (সূরা মায়েদা ৫:৪৮)
আর তা হল জান্নাতের নেয়ামত। আল্লাহ অন্যত্র বলেন,
﴿وَفِيْ ذٰلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْمُتَنَافِسُوْنَ﴾
প্রতিযোগীরা এটা লাভের প্রতিযোগিতা করুক। (সূরা মুতাফফিফীন ৮৩:২৬)
আল্লাহ বলেন,
﴿كُلُّ نَفْسٍ ذَآئِقَةُ الْمَوْتِ وَإِنَّمَا تُوَفَّوْنَ أُجُوْرَكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَمَنْ زُحْزِحَ عَنِ النَّارِ وَأُدْخِلَ الْجَنَّةَ فَقَدْ فَازَ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَاۤ إِلَّا مَتَاعُ الْغُرُوْرِ﴾
প্রতিটি জীবন মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে এবং কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে পূর্ণমাত্রায় বিনিময় দেয়া হবে। যে ব্যক্তিকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করা হল এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হল, অবশ্যই সে ব্যক্তি সফলকাম হল। (সূরা আল ইমরান ৩:১৮৫)
তাইতো মহান আল্লাহ বলেন,
﴿فَلْيَعْمَلِ الْعَامِلُوْنَ﴾
এমন সাফল্যের জন্যই পরিশ্রমীদের পরিশ্রম করা উচিত। (সূরা ছাফফাত ৩৭:৬১)
আল্লাহ বলেন,
﴿فَمَنْ يَّعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَّرَهٗ ‐ وَمَنْ يَّعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَّرَهٗ﴾
অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলেও তা দেখতে পাবে। (সূরা যিলযাল ৯৯:৭-৮)
অন্যত্র আল্লাহ আরো বলেন,
﴿يَوْمَ تَجِدُ كُلُّ نَفْسٍ مَّا عَمِلَتْ مِنْ خَيْرٍ مُّحْضَرًا وَّمَا عَمِلَتْ مِنْ سُوْٓءٍ تَوَدُّ لَوْ أَنَّ بَيْنَهَا وَبَيْنَهٗۤ أَمَدًا ۢبَعِيْدًا﴾
যেদিন প্রত্যেকে চোখের সামনে উপস্থিত দেখতে পাবে যেসব ভাল কাজ সে করেছে এবং যা কিছু মন্দ কাজ সে করেছে। সেদিন সে কামনা করবে, যদি এসব কর্মের ও তার মধ্যকার ব্যবধান অনেক দূরের হতো (তাহলে কতই না ভাল হতো)। (সূরা আল ইমরান ৩:৩০)
আল্লাহ আরো বলেন,
﴿وَلَوْ تَرٰۤى إِذِ الْمُجْرِمُوْنَ نَاكِسُوْ رُءُوْسِهِمْ عِنْدَ رَبِّهِمْ رَبَّنَاۤ أَبْصَرْنَا وَسَمِعْنَا فَارْجِعْنَا نَعْمَلْ صَالِحًا إِنَّا مُوْقِنُوْنَ﴾
তুমি যদি দেখতে যখন অপরাধীরা তাদের প্রতিপালকের সামনে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে (আর বলবে), হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা দেখলাম ও শোনলাম। কাজেই আমাদেরকে (দুনিয়াতে) আবার পাঠিয়ে দাও, আমরা কল্যাণমূলক কাজ করব, আমরা এখন দৃঢ় বিশ্বাসী।
(সূরা সাজদাহ ৩২:১২)
অতএব সেদিন শত কোটিবার কল্যাণকর কাজ করব বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেও কোন লাভ হবে না। আজই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হবে; হায়াত থাকতে নোংরামী বন্ধ করে কল্যাণকর কাজের দিকে ধাবিত হতে হবে। এ মর্মে আল্লাহর আরও একটি বাণী স্মরণযোগ্য,
﴿وَهُمْ يَصْطَرِخُوْنَ فِيْهَا رَبَّنَاۤ أَخْرِجْنَا نَعْمَلْ صَالِحًا غَيْرَ الَّذِيْ كُنَّا نَعْمَلُ أَوَلَمْ نُعَمِّرْكُمْ مَّا يَتَذَكَّرُ فِيْهِ مَنْ تَذَكَّرَ وَجَآءَكُمُ النَّذِيْرُ فَذُوْقُوْا فَمَا لِلظَّالِمِيْنَ مِنْ نَّصِيْرٍ﴾
সেখানে তারা চিৎকার করে বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে বের করুন, আমরা কল্যাণকর কাজ করব, আমরা যে কাজ করতাম তা করব না। (তখন আল্লাহ বলবেন) আমি কি তোমাদেরকে এতটা সময় দেইনি যে, তখন কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে চাইলে উপদেশ গ্রহণ করতে পারত? আর তোমাদের কাছে সতর্কবাণীও এসেছিল। কাজেই তোমরা শাস্তি ভোগ করো; যালিমদের কোন সাহায্যকারী নেই। (সূরা ফাতির ৩৫:৩৭)