১
আলোচিত রাত-দিন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
জুমু‘আ সম্পর্কিত কিছু মাসআলা
১. যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন মসজিদে প্রবেশ করে দেখবে যে ইমাম খুতবায় দাঁড়িয়ে গেছেন, সে প্রথমে দু’রাকআত সালাত আদায় করে নেবে। হাদীসে এসেছে,
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللّٰهِ قَالَ : جَاءَ سليك الْغَطَفَانِيُّ يَوْمَ الْجُمُعَةِ . وَرَسُوْلُ اللّٰهِ يَخْطُبُ، فَجَلَسَ . فَقَالَ لَه يَا سُلَيْكُ قُمْ فَارْكَعْ رَكْعَتَيْنِ . وَتَجَوَّزْ فِيْهِمَا ثُمّ قَالَ : إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ وَلْيَتَجَوَّزْ فِيْهِمَا
জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালিক আল-গাতফানী জুমু‘আর দিন মসজিদে আসলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ তখন খুতবা দিচ্ছিলেন। তিনি মসজিদে প্রবেশ করে বসে পড়লেন। তখন নবী ﷺ বললেন, হে সালিক! তুমি দাঁড়াও এবং সংক্ষেপে দু’রাকআত সালাত আদায় করো। [সহীহ মুসলিম, হা/৮৭৫; সহীহ ইবনে হিববান, হা/২৫০২; বায়হাকী, হা/৫৪৮৩।]
২. জুমু‘আর দিন খুতবার আযানের পর ক্রয়-বিক্রয় করা হারাম। কেননা আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বলেছেন, জুমু‘আর দিন যখন আযান হয়, তখন ক্রয়-বিক্রয় ছেড়ে দিয়ে জুমু‘আর সালাতে উপস্থিত হও।
৩. জুমু‘আর দিন ঠিক দুপুরের সময় সালাত আদায় করা নিষেধ নয়।
৪. নবী ﷺ শুধুমাত্র জুমু‘আর দিনকে খাস করে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন। হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ يَقُوْلُ لَا يَصُوْمَنَّ أَحَدُكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِلَّا يَوْمًا قَبْلَه أَوْ بَعْدَه
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী ﷺ-কে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের কেউ যেন শুধুমাত্র জুমু‘আর দিনকে খাস করে রোযা না রাখে। সে যেন আগে অথবা পরে একদিন মিলিয়ে নেয়। [সহীহ বুখারী, হা/১৯৮৫; মুসত্মাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/২৩৪৫।]
তবে জুমু‘আর দিন যদি আরাফা অথবা অন্য কোন বিশেষ দিন হয়, তাহলে সেদিন রোযা রাখাতে কোন অসুবিধা নেই।
ইমামের সাথে পূর্ণ এক রাকআত না পেলে কী করবে :
কোন ব্যক্তি যদি জুমু‘আয় উপস্থিত হয়ে দেখে যে, ইমাম দ্বিতীয় রাকআতের রুকূ থেকে দাঁড়িয়ে গেছেন, তাহলে সে সালাম ফিরানোর পূর্ব পর্যমত্ম যতটুকু জামা‘আত পায় তাতে শরীক হয়ে যাবে। তবে তা তার জুমু‘আর সালাত হিসেবে গণ্য হবে না। অতঃপর সে ইমামের সালাম ফিরানোর পর যোহরের চার রাকআত সালাত আদায় করে নেবে। তবে কেউ যদি জুমু‘আর সালাত ইমামের সাথে এক রাকআত পায়, তাহলে বাকি এক রাকআত পড়ে দু’রাকআত পূর্ণ করে নেবে।
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللّٰهِ قَالَ : جَاءَ سليك الْغَطَفَانِيُّ يَوْمَ الْجُمُعَةِ . وَرَسُوْلُ اللّٰهِ يَخْطُبُ، فَجَلَسَ . فَقَالَ لَه يَا سُلَيْكُ قُمْ فَارْكَعْ رَكْعَتَيْنِ . وَتَجَوَّزْ فِيْهِمَا ثُمّ قَالَ : إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ وَلْيَتَجَوَّزْ فِيْهِمَا
জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালিক আল-গাতফানী জুমু‘আর দিন মসজিদে আসলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ তখন খুতবা দিচ্ছিলেন। তিনি মসজিদে প্রবেশ করে বসে পড়লেন। তখন নবী ﷺ বললেন, হে সালিক! তুমি দাঁড়াও এবং সংক্ষেপে দু’রাকআত সালাত আদায় করো। [সহীহ মুসলিম, হা/৮৭৫; সহীহ ইবনে হিববান, হা/২৫০২; বায়হাকী, হা/৫৪৮৩।]
২. জুমু‘আর দিন খুতবার আযানের পর ক্রয়-বিক্রয় করা হারাম। কেননা আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বলেছেন, জুমু‘আর দিন যখন আযান হয়, তখন ক্রয়-বিক্রয় ছেড়ে দিয়ে জুমু‘আর সালাতে উপস্থিত হও।
৩. জুমু‘আর দিন ঠিক দুপুরের সময় সালাত আদায় করা নিষেধ নয়।
৪. নবী ﷺ শুধুমাত্র জুমু‘আর দিনকে খাস করে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন। হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ يَقُوْلُ لَا يَصُوْمَنَّ أَحَدُكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِلَّا يَوْمًا قَبْلَه أَوْ بَعْدَه
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী ﷺ-কে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের কেউ যেন শুধুমাত্র জুমু‘আর দিনকে খাস করে রোযা না রাখে। সে যেন আগে অথবা পরে একদিন মিলিয়ে নেয়। [সহীহ বুখারী, হা/১৯৮৫; মুসত্মাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/২৩৪৫।]
তবে জুমু‘আর দিন যদি আরাফা অথবা অন্য কোন বিশেষ দিন হয়, তাহলে সেদিন রোযা রাখাতে কোন অসুবিধা নেই।
ইমামের সাথে পূর্ণ এক রাকআত না পেলে কী করবে :
কোন ব্যক্তি যদি জুমু‘আয় উপস্থিত হয়ে দেখে যে, ইমাম দ্বিতীয় রাকআতের রুকূ থেকে দাঁড়িয়ে গেছেন, তাহলে সে সালাম ফিরানোর পূর্ব পর্যমত্ম যতটুকু জামা‘আত পায় তাতে শরীক হয়ে যাবে। তবে তা তার জুমু‘আর সালাত হিসেবে গণ্য হবে না। অতঃপর সে ইমামের সালাম ফিরানোর পর যোহরের চার রাকআত সালাত আদায় করে নেবে। তবে কেউ যদি জুমু‘আর সালাত ইমামের সাথে এক রাকআত পায়, তাহলে বাকি এক রাকআত পড়ে দু’রাকআত পূর্ণ করে নেবে।