১
আলোচিত রাত-দিন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৯
লাইলাতুল কদরে বর্জনীয়
২৭ তারিখকে নির্দিষ্ট করা :
সহীহ হাদীসের ভিত্তিতে লাইলাতুল কদরের কোন নির্দিষ্ট তারিখ পাওয়া না গেলেও অনেকে রমাযান মাসের ২৭ তারিখকে নির্দিষ্ট করে নিয়েছে। ফলে অনেক সাধারণ জনগণের মধ্যে লক্ষ্য করা যায় যে, তারা কেবল এই তারিখকেই লাইলাতুল কদর হিসেবে পালন করে থাকে। অতএব আমাদের উচিত লাইলাতুল কদরকে ২৭ তারিখের সাথে নির্দিষ্ট না করা। তাহলে লাইলাতুল কদরের অন্যান্য রাত্রির গুরুত্বও বৃদ্ধি পাবে এবং মানুষ আমলের প্রতি বেশি মনোযোগী হবে।
বিদআতী আমল করা :
রমাযান মাসের শেষ রাতসমূহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ রাত। এ রাতগুলোতে রাসূলুল্লাহ ﷺ ও সাহাবীগণ আমলের মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিতেন। তবে এ ক্ষেত্রে বিশেষ কোন নিয়মের কথা প্রমাণিত নয়। কিন্তু এরপরও বর্তমান সমাজে লাইলাতুল কদর উপলক্ষে নানা ধরনের বানোয়াটী ইবাদাত প্রচলিত রয়েছে। এ রাতে নামায আদায় করতে গিয়ে কোন বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করা যাবে না। যেমন- সূরা ফাতিহার পর সূরা কদর এত বার পড়তে হবে, অমুক সূরা এত বার পড়তে হবে ইত্যাদি। এসব কথা অনেক বই-পুসত্মকে পাওয়া যায়। কিন্তু এগুলোর কোন ভিত্তি নেই। নামাযী ব্যক্তি কুরআন মাজীদের যেখান থেকে ইচ্ছা সেখান থেকে তিলাওয়াত করবে। এ মর্মে আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বলেন,
﴿فَاقْرَءُوْا مَا تَيَسَّرَ مِنْهُ﴾
কুরআন হতে যতটুকু সহজসাধ্য হয়, তা-ই পাঠ করো। (সূরা মুয্যাম্মিল- ২০)
সহীহ হাদীসের ভিত্তিতে লাইলাতুল কদরের কোন নির্দিষ্ট তারিখ পাওয়া না গেলেও অনেকে রমাযান মাসের ২৭ তারিখকে নির্দিষ্ট করে নিয়েছে। ফলে অনেক সাধারণ জনগণের মধ্যে লক্ষ্য করা যায় যে, তারা কেবল এই তারিখকেই লাইলাতুল কদর হিসেবে পালন করে থাকে। অতএব আমাদের উচিত লাইলাতুল কদরকে ২৭ তারিখের সাথে নির্দিষ্ট না করা। তাহলে লাইলাতুল কদরের অন্যান্য রাত্রির গুরুত্বও বৃদ্ধি পাবে এবং মানুষ আমলের প্রতি বেশি মনোযোগী হবে।
বিদআতী আমল করা :
রমাযান মাসের শেষ রাতসমূহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ রাত। এ রাতগুলোতে রাসূলুল্লাহ ﷺ ও সাহাবীগণ আমলের মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিতেন। তবে এ ক্ষেত্রে বিশেষ কোন নিয়মের কথা প্রমাণিত নয়। কিন্তু এরপরও বর্তমান সমাজে লাইলাতুল কদর উপলক্ষে নানা ধরনের বানোয়াটী ইবাদাত প্রচলিত রয়েছে। এ রাতে নামায আদায় করতে গিয়ে কোন বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করা যাবে না। যেমন- সূরা ফাতিহার পর সূরা কদর এত বার পড়তে হবে, অমুক সূরা এত বার পড়তে হবে ইত্যাদি। এসব কথা অনেক বই-পুসত্মকে পাওয়া যায়। কিন্তু এগুলোর কোন ভিত্তি নেই। নামাযী ব্যক্তি কুরআন মাজীদের যেখান থেকে ইচ্ছা সেখান থেকে তিলাওয়াত করবে। এ মর্মে আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বলেন,
﴿فَاقْرَءُوْا مَا تَيَسَّرَ مِنْهُ﴾
কুরআন হতে যতটুকু সহজসাধ্য হয়, তা-ই পাঠ করো। (সূরা মুয্যাম্মিল- ২০)