১
আলোচিত রাত-দিন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯
মহিলাদের জুমু‘আয় উপস্থিত হওয়ার বিধান
মহিলারাও জুমু‘আয় যেতে পারবে। তবে এর জন্য কয়েকটি শর্ত আছে, যেমন-
১. মসজিদে আসা-যাওয়ার পথে যেন কোন ফেতনার আশঙ্কা না থাকে।
২. মহিলারা যেন পর্দার সাথে আসে।
৩. তারা যেন কোন ধরনের সুগন্ধি লাগিয়ে না আসে।
৪. এতে যেন তার স্বামীর অনুমতি থাকে।
স্বামীর জন্যও উচিত হলো, তার স্ত্রী যদি মসজিদে যেতে অনুমতি চায় তাহলে তাকে বাধা না দেয়া। কেননা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর যুগেও মহিলাগণ মসজিদে গিয়ে জামা‘আতে সালাত আদায় করতেন। হাদীসে এসেছে,
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ كُنَّ نِسَاءُ الْمُؤْمِنَاتِ يَشْهَدْنَ مَعَ رَسُوْلِ اللهِ صَلَاةَ الْفَجْرِ مُتَلَفِّعَاتٍ بِمُرُوْطِهِنَّ ثُمَّ يَنْقَلِبْنَ إِلٰى بُيُوْتِهِنَّ حِيْنَ يَقْضِيْنَ الصَّلَاةَ لَا يَعْرِفُهُنَّ أَحَدٌ مِنَ الْغَلَسِ
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুমিন মহিলারা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সাথে ফজরের সালাত আদায় করার জন্য দেহে চাদর জড়িয়ে হাযির হতেন। অতঃপর সালাত শেষ হলে তারা নিজ নিজ বাসায় ফিরে যেতেন, তখন অন্ধকারের কারণে তাদেরকে কেউ চিনতে পারত না। [সহীহ বুখারী, হা/৫৭৮; সহীহ মুসলিম, হা/১৪৯১; আবু দাউদ, হা/৪২৩; তিরমিযী, হা/১৫৩; ইবনে মাজাহ, হা/৬৬৯।]
অপর হাদীসে এসেছে,
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ - - لاَ تَمْنَعُوا النِّسَاءَ مِنَ الْخُرُوْجِ إِلَى الْمَسَاجِدِ بِاللَّيْلِ
ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যদি তোমাদের স্ত্রীরা রাত্রে মসজিদে আসার অনুমতি চায়, তাহলে তোমরা তাদেরকে বাধা দিও না। [সহীহ মুসলিম, হা/৪৪২; আবু দাউদ, হা/৫৬৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৮৩; মুসনাদুল বাযযার, হা/৮৫৬৯।]
উপরোক্ত হাদীসগুলোতে নবী ﷺ মহিলাদেরকে মসজিদে উপস্থিত হয়ে জামা‘আতে সালাত আদায় করার অনুমতি দিয়েছেন এবং তাদেরকে নিষেধ করতে বারণ করেছেন। সুতরাং এ ক্ষেত্রে এটা বুঝা যায় যে, মহিলাদের মসজিদে যাওয়াতে এবং জামা‘আতে শরীক হওয়াতে কোন দোষ নেই। বিশেষ করে জুমু‘আর সালাতে উপস্থিত হলে মহিলারা খুতবা এবং অন্যান্য দ্বীনী আলোচনা শ্রবণ করার সুযোগ পায়। এতে তাদের ঈমান ও আমলের উন্নতি হয়।
কিন্তু অনুতাপের বিষয় হলো, মহিলাদের মসজিদে যাওয়ার ব্যাপারে রাসূলুলস্নাহ ﷺ এর সহীহ হাদীস ও অনুমতি থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে মহিলাদেরকে মসজিদ ও ঈদগাহে যাওয়া এবং মুসলিমদের দু‘আ, দ্বীন শিক্ষা ও ওয়াজ-নসীহত শ্রবণ করার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ দেয়া হয় না।
১. মসজিদে আসা-যাওয়ার পথে যেন কোন ফেতনার আশঙ্কা না থাকে।
২. মহিলারা যেন পর্দার সাথে আসে।
৩. তারা যেন কোন ধরনের সুগন্ধি লাগিয়ে না আসে।
৪. এতে যেন তার স্বামীর অনুমতি থাকে।
স্বামীর জন্যও উচিত হলো, তার স্ত্রী যদি মসজিদে যেতে অনুমতি চায় তাহলে তাকে বাধা না দেয়া। কেননা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর যুগেও মহিলাগণ মসজিদে গিয়ে জামা‘আতে সালাত আদায় করতেন। হাদীসে এসেছে,
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ كُنَّ نِسَاءُ الْمُؤْمِنَاتِ يَشْهَدْنَ مَعَ رَسُوْلِ اللهِ صَلَاةَ الْفَجْرِ مُتَلَفِّعَاتٍ بِمُرُوْطِهِنَّ ثُمَّ يَنْقَلِبْنَ إِلٰى بُيُوْتِهِنَّ حِيْنَ يَقْضِيْنَ الصَّلَاةَ لَا يَعْرِفُهُنَّ أَحَدٌ مِنَ الْغَلَسِ
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুমিন মহিলারা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সাথে ফজরের সালাত আদায় করার জন্য দেহে চাদর জড়িয়ে হাযির হতেন। অতঃপর সালাত শেষ হলে তারা নিজ নিজ বাসায় ফিরে যেতেন, তখন অন্ধকারের কারণে তাদেরকে কেউ চিনতে পারত না। [সহীহ বুখারী, হা/৫৭৮; সহীহ মুসলিম, হা/১৪৯১; আবু দাউদ, হা/৪২৩; তিরমিযী, হা/১৫৩; ইবনে মাজাহ, হা/৬৬৯।]
অপর হাদীসে এসেছে,
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ - - لاَ تَمْنَعُوا النِّسَاءَ مِنَ الْخُرُوْجِ إِلَى الْمَسَاجِدِ بِاللَّيْلِ
ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যদি তোমাদের স্ত্রীরা রাত্রে মসজিদে আসার অনুমতি চায়, তাহলে তোমরা তাদেরকে বাধা দিও না। [সহীহ মুসলিম, হা/৪৪২; আবু দাউদ, হা/৫৬৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৮৩; মুসনাদুল বাযযার, হা/৮৫৬৯।]
উপরোক্ত হাদীসগুলোতে নবী ﷺ মহিলাদেরকে মসজিদে উপস্থিত হয়ে জামা‘আতে সালাত আদায় করার অনুমতি দিয়েছেন এবং তাদেরকে নিষেধ করতে বারণ করেছেন। সুতরাং এ ক্ষেত্রে এটা বুঝা যায় যে, মহিলাদের মসজিদে যাওয়াতে এবং জামা‘আতে শরীক হওয়াতে কোন দোষ নেই। বিশেষ করে জুমু‘আর সালাতে উপস্থিত হলে মহিলারা খুতবা এবং অন্যান্য দ্বীনী আলোচনা শ্রবণ করার সুযোগ পায়। এতে তাদের ঈমান ও আমলের উন্নতি হয়।
কিন্তু অনুতাপের বিষয় হলো, মহিলাদের মসজিদে যাওয়ার ব্যাপারে রাসূলুলস্নাহ ﷺ এর সহীহ হাদীস ও অনুমতি থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে মহিলাদেরকে মসজিদ ও ঈদগাহে যাওয়া এবং মুসলিমদের দু‘আ, দ্বীন শিক্ষা ও ওয়াজ-নসীহত শ্রবণ করার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ দেয়া হয় না।