১
আলোচিত রাত-দিন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৫
আশুরার রোযার ফযীলত
রমাযানের রোযার পরেই আশুরার রোযার অবস্থান :
عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ - - قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ - - أَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ رَمَضَانَ شَهْرُ اللهِ الْمُحَرَّمُ وَأَفْضَلُ الصَّلَاةِ بَعْدَ الْفَرِيْضَةِ صَلَاةُ اللَّيْلِ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, রমাযানের পর সর্বোত্তম রোযা হচ্ছে মুহাররম মাসের রোযা (আশুরার রোযা) এবং ফরয নামাযের পর সর্বোত্তম নামায হচ্ছে রাতের (নফল) নামায। [সহীহ মুসলিম, হা/১১৬৩; নাসাঈ, হা/১৬১৪; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৫৩৪; মিশকাত, হা/২০৩৯।]
আশুরার রোযা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারাস্বরূপ :
عَنْ أَبِىْ قَتَادَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ وَصِيَامُ يَوْمِ عَاشُوْرَاءَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِىْ قَبْلَه
আবু কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আশুরার দিনের রোযা সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে আশা রাখি যে, তিনি পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ (কাফফারাস্বরূপ) মিটিয়ে দেবেন। [সহীহ মুসলিম, হা/১১৬২; মুস্তাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/২৩৪৮; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩৬৩২।]
عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ - - قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ - - أَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ رَمَضَانَ شَهْرُ اللهِ الْمُحَرَّمُ وَأَفْضَلُ الصَّلَاةِ بَعْدَ الْفَرِيْضَةِ صَلَاةُ اللَّيْلِ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, রমাযানের পর সর্বোত্তম রোযা হচ্ছে মুহাররম মাসের রোযা (আশুরার রোযা) এবং ফরয নামাযের পর সর্বোত্তম নামায হচ্ছে রাতের (নফল) নামায। [সহীহ মুসলিম, হা/১১৬৩; নাসাঈ, হা/১৬১৪; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৫৩৪; মিশকাত, হা/২০৩৯।]
আশুরার রোযা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারাস্বরূপ :
عَنْ أَبِىْ قَتَادَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ وَصِيَامُ يَوْمِ عَاشُوْرَاءَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِىْ قَبْلَه
আবু কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আশুরার দিনের রোযা সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে আশা রাখি যে, তিনি পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ (কাফফারাস্বরূপ) মিটিয়ে দেবেন। [সহীহ মুসলিম, হা/১১৬২; মুস্তাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/২৩৪৮; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩৬৩২।]