১
আলোচিত রাত-দিন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৭
মিরাজ উপলক্ষে করণীয়
মিরাজের ঘটনা ইসলামের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বের দাবিদার। সুতরাং এ উপলক্ষে অবশ্যই কিছু করণীয় রয়েছে। যেমন-
১. মিরাজের ঘটনার প্রতি ঈমান আনা :
মিরাজের ঘটনাটি জানার সাথে সাথে আমাদের প্রধান কর্তব্য হচ্ছে এর প্রতি পরিপূর্ণ ঈমান আনয়ন করা, যেমনিভাবে আবু বকর (রাঃ) এনেছিলেন। কেননা এ ঘটনাটি কুরআন ও সহীহ হাদীস দ্বারা অকাট্যভাবে প্রমাণিত। সুতরাং এ ব্যাপারে বিন্দুমাত্র সন্দেহ পোষণ করা যাবে না।
২. আল্লাহ আরশের উপরে আছেন এর প্রতি ঈমান আনা :
মিরাজের ঘটনা দ্বারা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, আল্লাহ তা‘আলা আরশের উপর সমাসীন আছেন। তিনি সেখান থেকেই সৃষ্টিজগতের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। সুতরাং আমাদের উচিত, এ বিষয়ে পূর্ণভাবে বিশ্বাস স্থাপন করা এবং সত্তাগতভাবে তাকে সর্বত্র বিরাজমান মনে না করা।
৩. জান্নাত ও জাহান্নামের প্রতি ঈমান আনা :
মিরাজের ঘটনা থেকে এটাও জানা যায় যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ জান্নাত ও জাহান্নাম প্রদর্শন করেছিলেন। সেখানে তিনি জান্নাতের অনাবিল সুখ ও জাহান্নামের কঠিন শাসিত্ম নিজ চোখে অবলোকন করেছিলেন। প্রত্যেক মানুষকে তার কর্মফল অনুযায়ী হয় জান্নাতে নতুবা জাহান্নামে প্রবেশ করতে হবে। সুতরাং আমাদেরকে অবশ্যই এসব বিষয়ের প্রতিও বিশ্বাস স্থাপন করা আবশ্যক।
৪. মিরাজের রাতে ফরযকৃত ইবাদাত পালনে সচেষ্ট হওয়া :
মিরাজের রাত্রিতে ফরযকৃত একমাত্র ইবাদাত হচ্ছে সালাত। এ সময় আল্লাহ তা‘আলা রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে তাঁর উম্মতের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা আবশ্যক করে দিয়েছিলেন। সুতরাং আমাদের উচিত যথাযথভাবে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা।
১. মিরাজের ঘটনার প্রতি ঈমান আনা :
মিরাজের ঘটনাটি জানার সাথে সাথে আমাদের প্রধান কর্তব্য হচ্ছে এর প্রতি পরিপূর্ণ ঈমান আনয়ন করা, যেমনিভাবে আবু বকর (রাঃ) এনেছিলেন। কেননা এ ঘটনাটি কুরআন ও সহীহ হাদীস দ্বারা অকাট্যভাবে প্রমাণিত। সুতরাং এ ব্যাপারে বিন্দুমাত্র সন্দেহ পোষণ করা যাবে না।
২. আল্লাহ আরশের উপরে আছেন এর প্রতি ঈমান আনা :
মিরাজের ঘটনা দ্বারা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, আল্লাহ তা‘আলা আরশের উপর সমাসীন আছেন। তিনি সেখান থেকেই সৃষ্টিজগতের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। সুতরাং আমাদের উচিত, এ বিষয়ে পূর্ণভাবে বিশ্বাস স্থাপন করা এবং সত্তাগতভাবে তাকে সর্বত্র বিরাজমান মনে না করা।
৩. জান্নাত ও জাহান্নামের প্রতি ঈমান আনা :
মিরাজের ঘটনা থেকে এটাও জানা যায় যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ জান্নাত ও জাহান্নাম প্রদর্শন করেছিলেন। সেখানে তিনি জান্নাতের অনাবিল সুখ ও জাহান্নামের কঠিন শাসিত্ম নিজ চোখে অবলোকন করেছিলেন। প্রত্যেক মানুষকে তার কর্মফল অনুযায়ী হয় জান্নাতে নতুবা জাহান্নামে প্রবেশ করতে হবে। সুতরাং আমাদেরকে অবশ্যই এসব বিষয়ের প্রতিও বিশ্বাস স্থাপন করা আবশ্যক।
৪. মিরাজের রাতে ফরযকৃত ইবাদাত পালনে সচেষ্ট হওয়া :
মিরাজের রাত্রিতে ফরযকৃত একমাত্র ইবাদাত হচ্ছে সালাত। এ সময় আল্লাহ তা‘আলা রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে তাঁর উম্মতের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা আবশ্যক করে দিয়েছিলেন। সুতরাং আমাদের উচিত যথাযথভাবে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা।