১
আলোচিত রাত-দিন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭১
জিলহজ্জ মাস জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের বিশেষ ফযীলত
চন্দ্র বৎসরের ১২তম মাসের নাম জিলহজ্জ। কুরআন ও হাদীস দ্বারা এ মাসের প্রথম দশ দিনের গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য প্রমাণিত। রমাযানের শেষ দশ রাত যেমন অতীব গুরুত্ব ও মাহাত্ম্যপূর্ণ, তেমনি জিলহজ্জের প্রথম দশ দিন খুবই ফযীলতপূর্ণ।
অনেকে জিলহজ্জের প্রথম দশকের গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য সম্পর্কে জানে না। ফলে তারা ঐ দিনগুলোকে হেলায়-খেলায় কাটিয়ে দেয় এবং অনেক নেকী থেকে বঞ্চিত হয়। যারা এ মাসে হজ্জ করতে পারে না তারা ঘরে বসে বসে এ দিনগুলোতে সাধ্যমতো ইবাদাত করে অশেষ নেকী অর্জন করতে পারে। আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে দশটি রাতের কসম করে বলেন,
﴿وَالْفَجْرِ ‐ وَلَيَالٍ عَشْرٍ﴾
শপথ ফজরের এবং শপথ দশ রাতের। (সূরা ফাজর- ১, ২)
অনেক মুফাস্সির এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেন, এখানে দশ রাত দ্বারা জিলহজ্জের প্রথম দশ রাতকে বুঝানো হয়েছে।
হাদীসে এসেছে,
৯৬৯ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ أَنَّه قَالَ مَا الْعَمَلُ فِيْ أَيَّامِ الْعَشْرِ أَفْضَلُ مِنْهَا فِيْ هٰذِه . قَالُوْا وَلَا الْجِهَادُ؟ قَالَ وَلَا الْجِهَادُ إِلَّا رَجُلٌ خَرَجَ يُخَاطِرُ بِنَفْسِه وَمَالِه فَلَمْ يَرْجِعْ بِشَىْءٍ
ইবনে আববাস (রাঃ) নবী ﷺ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেন, জিলহজ্জের প্রথম দশকের দিনগুলোর আমলের চেয়ে উত্তম কোন আমল নেই। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, যুদ্ধও (কি উত্তম) নয়? নবী ﷺ বললেন, যুদ্ধও (উত্তম) নয়। তবে সে লোকের কথা স্বতন্ত্র, যে নিজের জান ও মাল বাজি রেখে যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যায় এবং কোন কিছুই নিয়ে ফিরে না আসে। [সহীহ বুখারী, হা/৯৬৯; আবু দাউদ, হা/২৪৪০; তিরমিযী, হা/৭৫৭; ইবনে মাজাহ, হা/১৭২৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৯৬৮; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩২৪;; বায়হাকী, হা/৮১৭৫; মিশকাত, হা/১৪৬০।]
জিলহজ্জের প্রথম দশ দিন ফযীলতপূর্ণ হওয়ার কারণ :
১. এ দিনগুলোতে কৃত নেক আমল আল্লাহ তা‘আলার কাছে জিহাদ ফী সাবীলিল্লাহ-এর চেয়েও প্রিয় ও পছন্দনীয়।
২. এ দিনগুলো বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন। এ দশ দিনের এত ফযীলতের প্রকৃত কারণ হচ্ছে, এ দিনগুলোতে যাবতীয় বড় বড় ইবাদাত একত্রিত হয়ে থাকে।
৩. এ দিনগুলোর মধ্যেই রয়েছে মহান দিবস ইয়াওমুল আরাফা বা আরাফার দিন।
৪. এ দিনগুলোতে বেশি বেশি নেক আমল করার জন্য নবী ﷺ উৎসাহ দিয়েছেন।
৫. এ দিনগুলোর মধ্যেই রয়েছে ঈদুল আযহা।
৬. এ দিনগুলোর মধ্যেই রয়েছে কুরবানী।
৭. এ দিনগুলোর মধ্যেই ইসলামের অন্যতম মৌলিক ইবাদাত হজ্জব্রত পালন করা হয়।
অনেকে জিলহজ্জের প্রথম দশকের গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য সম্পর্কে জানে না। ফলে তারা ঐ দিনগুলোকে হেলায়-খেলায় কাটিয়ে দেয় এবং অনেক নেকী থেকে বঞ্চিত হয়। যারা এ মাসে হজ্জ করতে পারে না তারা ঘরে বসে বসে এ দিনগুলোতে সাধ্যমতো ইবাদাত করে অশেষ নেকী অর্জন করতে পারে। আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে দশটি রাতের কসম করে বলেন,
﴿وَالْفَجْرِ ‐ وَلَيَالٍ عَشْرٍ﴾
শপথ ফজরের এবং শপথ দশ রাতের। (সূরা ফাজর- ১, ২)
অনেক মুফাস্সির এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেন, এখানে দশ রাত দ্বারা জিলহজ্জের প্রথম দশ রাতকে বুঝানো হয়েছে।
হাদীসে এসেছে,
৯৬৯ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ أَنَّه قَالَ مَا الْعَمَلُ فِيْ أَيَّامِ الْعَشْرِ أَفْضَلُ مِنْهَا فِيْ هٰذِه . قَالُوْا وَلَا الْجِهَادُ؟ قَالَ وَلَا الْجِهَادُ إِلَّا رَجُلٌ خَرَجَ يُخَاطِرُ بِنَفْسِه وَمَالِه فَلَمْ يَرْجِعْ بِشَىْءٍ
ইবনে আববাস (রাঃ) নবী ﷺ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেন, জিলহজ্জের প্রথম দশকের দিনগুলোর আমলের চেয়ে উত্তম কোন আমল নেই। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, যুদ্ধও (কি উত্তম) নয়? নবী ﷺ বললেন, যুদ্ধও (উত্তম) নয়। তবে সে লোকের কথা স্বতন্ত্র, যে নিজের জান ও মাল বাজি রেখে যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যায় এবং কোন কিছুই নিয়ে ফিরে না আসে। [সহীহ বুখারী, হা/৯৬৯; আবু দাউদ, হা/২৪৪০; তিরমিযী, হা/৭৫৭; ইবনে মাজাহ, হা/১৭২৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৯৬৮; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩২৪;; বায়হাকী, হা/৮১৭৫; মিশকাত, হা/১৪৬০।]
জিলহজ্জের প্রথম দশ দিন ফযীলতপূর্ণ হওয়ার কারণ :
১. এ দিনগুলোতে কৃত নেক আমল আল্লাহ তা‘আলার কাছে জিহাদ ফী সাবীলিল্লাহ-এর চেয়েও প্রিয় ও পছন্দনীয়।
২. এ দিনগুলো বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন। এ দশ দিনের এত ফযীলতের প্রকৃত কারণ হচ্ছে, এ দিনগুলোতে যাবতীয় বড় বড় ইবাদাত একত্রিত হয়ে থাকে।
৩. এ দিনগুলোর মধ্যেই রয়েছে মহান দিবস ইয়াওমুল আরাফা বা আরাফার দিন।
৪. এ দিনগুলোতে বেশি বেশি নেক আমল করার জন্য নবী ﷺ উৎসাহ দিয়েছেন।
৫. এ দিনগুলোর মধ্যেই রয়েছে ঈদুল আযহা।
৬. এ দিনগুলোর মধ্যেই রয়েছে কুরবানী।
৭. এ দিনগুলোর মধ্যেই ইসলামের অন্যতম মৌলিক ইবাদাত হজ্জব্রত পালন করা হয়।