১
আলোচিত রাত-দিন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
আশুরা উপলক্ষে অন্যান্য করণীয়
১. ফিরাউনের কবল থেকে মূসা (আঃ) এর মুক্তির ঘটনা স্মরণ করা :
আশুরার দিনে যেহেতু মূসা (আঃ) ও ঈমানদারদেরকে আল্লাহ তা‘আলা ফিরাউনের কবল থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন, তাই সেই মুক্তির ঘটনাটি স্মরণ করা এবং আল্লাহ তা‘আলার শুকরিয়া আদায় করা উচিত।
২. আশুরার শিক্ষাকে কার্যকর করা :
আশুরার প্রধান শিক্ষা হচ্ছে, আল্লাহর দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কোন প্রকার তাগুতী শক্তির কাছে মাথানত না করা। কেননা মূসা (আঃ) ফিরাউনের কাছে মাথানত করেননি বিধায় আল্লাহ তা‘আলা তাকে এবং তার অনুসারীদেরকে নিজ অনুগ্রহে মুক্তি দিয়েছিলেন।
৩. আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা :
আশুরার অন্যতম শিক্ষা হচ্ছে সর্বদা আল্লাহর অনুগ্রহের উপর শুকরিয়া আদায় করা, যেমনিভাবে মূসা (আঃ) ফিরাউনের কবল থেকে মুক্তির পর করেছিলেন। সুতরাং এভাবে আল্লাহ তা‘আলা যখনই আমাদেরকে কোন বিপদাপদ থেকে মুক্তি দিবেন, তখনই আমাদেরকে যথাসাধ্য শুকরিয়া আদায় করা একান্ত কর্তব্য।
৪. আল্লাহর আযাবকে ভয় করা :
ফিরাউন ছিল খুবই অহংকারী, সে তার প্রজাদের উপর খুবই যুলুম-নির্যাতন চালাত। এমনকি সে নিজেকে রব বলে দাবি করেছিল। অপরদিকে মূসা (আঃ) ছিলেন আল্লাহর নবী ও রাসূল। তিনি সর্বদা আল্লাহর দ্বীন প্রচার করতেন। এতে ফিরাউন মূসা (আঃ) এর উপর খুবই রাগান্বিত হয় এবং তার সাথে শত্রুতা পোষণ করে। ফলে আল্লাহ তা‘আলা তাকে শাস্তিস্বরূপ নীলনদে নিমজ্জিত করেন।
সুতরাং আমাদের উচিত সর্বদা আল্লাহর আযাবকে ভয় করা এবং তাঁর দ্বীন প্রচারে বাধা সৃষ্টি না করা।
৫. আল্লাহর দ্বীন প্রচারে সর্বাত্মক চেষ্টা করা :
পৃথিবীতে আল্লাহর মনোনীত একমাত্র জীবনবিধান হচ্ছে ইসলাম। মূসা (আঃ) এ দ্বীন প্রচারের জন্যই ফিরাউনের আক্রোশে পতিত হয়েছিলেন। তারপরও তিনি এ পথ থেকে কোনভাবেই পিছপা হননি। আর এ কারণেই ফিরাউন মূসা (আঃ) ও তাঁর সাথিদেরকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল। সুতরাং আমাদেরও উচিত আল্লাহর দ্বীন প্রচারের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া এবং সকল প্রকার কষ্ট সহ্য করা।
৬. ইয়াহুদি ও নাসারাদের অনুসরণ না করা :
আশুরার অন্যতম একটি শিক্ষা হচ্ছে, কোন সময় ইয়াহুদি ও নাসারাদের অনুসরণ করা যাবে না এবং তাদের সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন কোন কাজও করা যাবে না। আশুরার রোযা একদিন রাখলে ইয়াহুদি ও নাসারাদের সাথে সাদৃশ্য হয়ে যায় বিধায় রাসূলুল্লাহ ﷺ সাহাবীদেরকে বলেছিলেন, তোমরা ইয়াহুদি ও নাসারাদের বিপরীত করো অর্থাৎ আগে বা পরে ১ দিন মিলিয়ে রাখো।
৭. সাহাবীদের সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখা :
সাহাবীরা হলেন মুসলিম জাতির শ্রেষ্ঠ পূর্বপুরুষ। তাদের ব্যাপারে কোনরূপ মন্দ ধারণা রাখা খুবই নিন্দনীয় বিষয়। অথচ আশুরার বিকৃত ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেকেই বিশিষ্ট কিছু সাহাবীর উপর দোষারূপ করে থাকে।
৮. হুসাইন (রাঃ) এর শাহাদাত বরণের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জানা :
হুসাইন (রাঃ) এর শাহাদাত বরণের ঘটনাটি ইসলামের ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। বর্তমানে এ ঘটনাটি অনেক বিকৃতভাবে উপস্থাপিত হয়ে থাকে এবং এটিকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষ অনেক বিভ্রান্তিতে রয়েছে। আর এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছিল আশুরার দিনেই। সুতরাং আশুরা উপলক্ষে হুসাইন (রাঃ) এর শাহাদাত বরণের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জানা খুবই জরুরি। এ সম্পর্কে সামনে আলোচনা করা হবে- ইনশাআল্লাহ।
আশুরার দিনে যেহেতু মূসা (আঃ) ও ঈমানদারদেরকে আল্লাহ তা‘আলা ফিরাউনের কবল থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন, তাই সেই মুক্তির ঘটনাটি স্মরণ করা এবং আল্লাহ তা‘আলার শুকরিয়া আদায় করা উচিত।
২. আশুরার শিক্ষাকে কার্যকর করা :
আশুরার প্রধান শিক্ষা হচ্ছে, আল্লাহর দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কোন প্রকার তাগুতী শক্তির কাছে মাথানত না করা। কেননা মূসা (আঃ) ফিরাউনের কাছে মাথানত করেননি বিধায় আল্লাহ তা‘আলা তাকে এবং তার অনুসারীদেরকে নিজ অনুগ্রহে মুক্তি দিয়েছিলেন।
৩. আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা :
আশুরার অন্যতম শিক্ষা হচ্ছে সর্বদা আল্লাহর অনুগ্রহের উপর শুকরিয়া আদায় করা, যেমনিভাবে মূসা (আঃ) ফিরাউনের কবল থেকে মুক্তির পর করেছিলেন। সুতরাং এভাবে আল্লাহ তা‘আলা যখনই আমাদেরকে কোন বিপদাপদ থেকে মুক্তি দিবেন, তখনই আমাদেরকে যথাসাধ্য শুকরিয়া আদায় করা একান্ত কর্তব্য।
৪. আল্লাহর আযাবকে ভয় করা :
ফিরাউন ছিল খুবই অহংকারী, সে তার প্রজাদের উপর খুবই যুলুম-নির্যাতন চালাত। এমনকি সে নিজেকে রব বলে দাবি করেছিল। অপরদিকে মূসা (আঃ) ছিলেন আল্লাহর নবী ও রাসূল। তিনি সর্বদা আল্লাহর দ্বীন প্রচার করতেন। এতে ফিরাউন মূসা (আঃ) এর উপর খুবই রাগান্বিত হয় এবং তার সাথে শত্রুতা পোষণ করে। ফলে আল্লাহ তা‘আলা তাকে শাস্তিস্বরূপ নীলনদে নিমজ্জিত করেন।
সুতরাং আমাদের উচিত সর্বদা আল্লাহর আযাবকে ভয় করা এবং তাঁর দ্বীন প্রচারে বাধা সৃষ্টি না করা।
৫. আল্লাহর দ্বীন প্রচারে সর্বাত্মক চেষ্টা করা :
পৃথিবীতে আল্লাহর মনোনীত একমাত্র জীবনবিধান হচ্ছে ইসলাম। মূসা (আঃ) এ দ্বীন প্রচারের জন্যই ফিরাউনের আক্রোশে পতিত হয়েছিলেন। তারপরও তিনি এ পথ থেকে কোনভাবেই পিছপা হননি। আর এ কারণেই ফিরাউন মূসা (আঃ) ও তাঁর সাথিদেরকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল। সুতরাং আমাদেরও উচিত আল্লাহর দ্বীন প্রচারের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া এবং সকল প্রকার কষ্ট সহ্য করা।
৬. ইয়াহুদি ও নাসারাদের অনুসরণ না করা :
আশুরার অন্যতম একটি শিক্ষা হচ্ছে, কোন সময় ইয়াহুদি ও নাসারাদের অনুসরণ করা যাবে না এবং তাদের সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন কোন কাজও করা যাবে না। আশুরার রোযা একদিন রাখলে ইয়াহুদি ও নাসারাদের সাথে সাদৃশ্য হয়ে যায় বিধায় রাসূলুল্লাহ ﷺ সাহাবীদেরকে বলেছিলেন, তোমরা ইয়াহুদি ও নাসারাদের বিপরীত করো অর্থাৎ আগে বা পরে ১ দিন মিলিয়ে রাখো।
৭. সাহাবীদের সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখা :
সাহাবীরা হলেন মুসলিম জাতির শ্রেষ্ঠ পূর্বপুরুষ। তাদের ব্যাপারে কোনরূপ মন্দ ধারণা রাখা খুবই নিন্দনীয় বিষয়। অথচ আশুরার বিকৃত ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেকেই বিশিষ্ট কিছু সাহাবীর উপর দোষারূপ করে থাকে।
৮. হুসাইন (রাঃ) এর শাহাদাত বরণের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জানা :
হুসাইন (রাঃ) এর শাহাদাত বরণের ঘটনাটি ইসলামের ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। বর্তমানে এ ঘটনাটি অনেক বিকৃতভাবে উপস্থাপিত হয়ে থাকে এবং এটিকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষ অনেক বিভ্রান্তিতে রয়েছে। আর এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছিল আশুরার দিনেই। সুতরাং আশুরা উপলক্ষে হুসাইন (রাঃ) এর শাহাদাত বরণের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জানা খুবই জরুরি। এ সম্পর্কে সামনে আলোচনা করা হবে- ইনশাআল্লাহ।