১
আলোচিত রাত-দিন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬০
লাইলাতুল কদরের তারিখ
কদরের রাত কোন্ তারিখে- তা একেবারে নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। তবে এ রাতটি রমাযান মাসে হওয়ার ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত হতে পারি। যেমন সূরা কদরের প্রথম আয়াতে বলা হয়েছে, ‘‘কুরআন কদরের রাতে নাযিল হয়েছে।’’ আবার সূরা বাকারার ১৮৫ নং আয়াতে বলা হয়েছে, ‘‘রমাযান মাসে কুরআন নাযিল হয়েছে।’’ সুতরাং এ আয়াতদ্বয়ের মাধ্যমে এটা নির্দিষ্ট হয়ে গেল যে, কদরের রাতটি রমাযান মাসেই রয়েছে।
এখন কথা হলো, রমাযান মাসের কোন্ রাতটি লাইলাতুল কদর? এ ব্যাপারে হাদীসে এসেছে,
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ قَالَ تَحَرَّوْا لَيْلَةَ الْقَدْرِ فِي الْوِتْرِ مِنَ الْعَشْرِ الْأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, লাইলাতুল কদরকে তোমরা রমাযানের শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে খোঁজ করো। [সহীহ বুখারী, হা/২০১৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৪৪৮৯; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৩৬১৬; মিশকাত, হা/২০৮৩।]
এ হাদীস দ্বারা জানা যাচ্ছে যে, এ রাতটি রমাযানের ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ তারিখের রাতগুলোতে রয়েছে। আবার এ রাতটি পরিবর্তন হয়, অর্থাৎ এ বেজোড় তারিখগুলোর মধ্যে একেক বছর একেক তারিখে হতে পারে।
হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ কদরের রাতের তারিখ জানানোর জন্য বের হলেন, তখন মুসলিমদের দু’ব্যক্তি বিতর্কে লিপ্ত হলো, ফলে নবী ﷺ-কে এ রাতটি ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/৬৯৬; সহীহ বুখারী, হা/৪৯; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৩৫৯২।]
তবে এ রাতটি নির্দিষ্ট না করার মধ্যে বিরাট কল্যাণ ও হিকমত রয়েছে। এটি নির্দিষ্ট থাকলে কেবল ঐ তারিখেই মানুষ আল্লাহর ইবাদাত করত। এখন অনির্দিষ্ট থাকাতে শেষ দশকের বেজোড় পাঁচটি রাতেই আললাহর বান্দারা বেশি বেশি ইবাদাত করে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ পাবে।
এখন কথা হলো, রমাযান মাসের কোন্ রাতটি লাইলাতুল কদর? এ ব্যাপারে হাদীসে এসেছে,
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ قَالَ تَحَرَّوْا لَيْلَةَ الْقَدْرِ فِي الْوِتْرِ مِنَ الْعَشْرِ الْأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, লাইলাতুল কদরকে তোমরা রমাযানের শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে খোঁজ করো। [সহীহ বুখারী, হা/২০১৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৪৪৮৯; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৩৬১৬; মিশকাত, হা/২০৮৩।]
এ হাদীস দ্বারা জানা যাচ্ছে যে, এ রাতটি রমাযানের ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ তারিখের রাতগুলোতে রয়েছে। আবার এ রাতটি পরিবর্তন হয়, অর্থাৎ এ বেজোড় তারিখগুলোর মধ্যে একেক বছর একেক তারিখে হতে পারে।
হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ কদরের রাতের তারিখ জানানোর জন্য বের হলেন, তখন মুসলিমদের দু’ব্যক্তি বিতর্কে লিপ্ত হলো, ফলে নবী ﷺ-কে এ রাতটি ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/৬৯৬; সহীহ বুখারী, হা/৪৯; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৩৫৯২।]
তবে এ রাতটি নির্দিষ্ট না করার মধ্যে বিরাট কল্যাণ ও হিকমত রয়েছে। এটি নির্দিষ্ট থাকলে কেবল ঐ তারিখেই মানুষ আল্লাহর ইবাদাত করত। এখন অনির্দিষ্ট থাকাতে শেষ দশকের বেজোড় পাঁচটি রাতেই আললাহর বান্দারা বেশি বেশি ইবাদাত করে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ পাবে।