১
আলোচিত রাত-দিন
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৬
আশুরার রোযা রাখার নিয়ম
আশুরার রোযা তার পূর্বের অথবা পরের একদিনের সাথে মিলিয়ে রাখা উচিত :
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ : صُوْمُوْا يَوْمَ عَاشُوْرَاءَ وَخَالِفُوْا فِيْهِ الْيَهُوْدَ صُوْمُوْا قَبْلَه يَوْمًا أَوْ بَعْدَه يَوْمًا
আবদুললাহ ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, তোমরা আশুরার দিন রোযা রাখো এবং এ ক্ষেত্রে ইয়াহুদিদের বিপরীত করো। তোমরা আশুরার সাথে তার পূর্বে একদিন অথবা পরে একদিন মিলিয়ে রোযা রাখো। [বায়হাকী, হা/৮১৮৯; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২০৯৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/২১৫৪। অত্র বর্ণনাটি মারফূ হিসেবে সহীহ নয়, তবে মাওকূফ হিসেবে সহীহ।]
আশুরার রোযা তার পূর্বের দিনের সাথে মিলিয়ে রাখা উত্তম :
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ - رَضِىَ اللهُ عَنْهُمَا - يَقُوْلُ حِيْنَ صَامَ رَسُوْلُ اللهِ - - يَوْمَ عَاشُوْرَاءَ وَأَمَرَ بِصِيَامِه قَالُوْا يَا رَسُوْلَ اللهِ إِنَّه يَوْمٌ تُعَظِّمُهُ الْيَهُوْدُ وَالنَّصَارٰى فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ - - فَإِذَا كَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ - إِنْ شَاءَ اللهُ - صُمْنَا الْيَوْمَ التَّاسِعَ قَالَ فَلَمْ يَأْتِ الْعَامُ الْمُقْبِلُ حَتّٰى تُوُفِّىَ رَسُوْلُ اللهِ -
আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আশুরার দিন যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ রোযা রাখতেন এবং (লোকদেরকেও) রোযা রাখার ব্যাপারে আদেশ দিতেন তখন একদিন সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ দিনটিকে তো ইয়াহুদি ও নাসারারা সম্মান করে থাকে। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, ইনশাআল্লাহ- আমরা আগামী বছর ৯ম তারিখেও রোযা রাখব। বর্ণনাকারী বলেন, কিন্তু আগামী বছর আসার পূর্বেই রাসূলুল্লাহ ﷺ মৃত্যুবরণ করেন। [সহীহ মুসলিম, হা/১১৩৪; আবু দাউদ, হা/২৪৪৭; বায়হাকী, হা/৮১৮৪।]
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ : صُوْمُوْا يَوْمَ عَاشُوْرَاءَ وَخَالِفُوْا فِيْهِ الْيَهُوْدَ صُوْمُوْا قَبْلَه يَوْمًا أَوْ بَعْدَه يَوْمًا
আবদুললাহ ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, তোমরা আশুরার দিন রোযা রাখো এবং এ ক্ষেত্রে ইয়াহুদিদের বিপরীত করো। তোমরা আশুরার সাথে তার পূর্বে একদিন অথবা পরে একদিন মিলিয়ে রোযা রাখো। [বায়হাকী, হা/৮১৮৯; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২০৯৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/২১৫৪। অত্র বর্ণনাটি মারফূ হিসেবে সহীহ নয়, তবে মাওকূফ হিসেবে সহীহ।]
আশুরার রোযা তার পূর্বের দিনের সাথে মিলিয়ে রাখা উত্তম :
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ - رَضِىَ اللهُ عَنْهُمَا - يَقُوْلُ حِيْنَ صَامَ رَسُوْلُ اللهِ - - يَوْمَ عَاشُوْرَاءَ وَأَمَرَ بِصِيَامِه قَالُوْا يَا رَسُوْلَ اللهِ إِنَّه يَوْمٌ تُعَظِّمُهُ الْيَهُوْدُ وَالنَّصَارٰى فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ - - فَإِذَا كَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ - إِنْ شَاءَ اللهُ - صُمْنَا الْيَوْمَ التَّاسِعَ قَالَ فَلَمْ يَأْتِ الْعَامُ الْمُقْبِلُ حَتّٰى تُوُفِّىَ رَسُوْلُ اللهِ -
আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আশুরার দিন যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ রোযা রাখতেন এবং (লোকদেরকেও) রোযা রাখার ব্যাপারে আদেশ দিতেন তখন একদিন সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ দিনটিকে তো ইয়াহুদি ও নাসারারা সম্মান করে থাকে। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, ইনশাআল্লাহ- আমরা আগামী বছর ৯ম তারিখেও রোযা রাখব। বর্ণনাকারী বলেন, কিন্তু আগামী বছর আসার পূর্বেই রাসূলুল্লাহ ﷺ মৃত্যুবরণ করেন। [সহীহ মুসলিম, হা/১১৩৪; আবু দাউদ, হা/২৪৪৭; বায়হাকী, হা/৮১৮৪।]