hadith book logo

আলোচিত রাত-দিন

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৭০

শাওয়াল মাসের বিশেষ আমল

রমাযান মাসের পরের মাস হচ্ছে শাওয়াল মাস। এ মাসের প্রথম দিন হচ্ছে ঈদের দিন। ঈদের দিনের বিধিবিধান ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে। তবে শাওয়াল মাসে আরো একটি বিশেষ আমল রয়েছে। যার উপর আমাদের প্রত্যেকেরই আমল করা উচিত। আর তা হলো - এ মাসে ছয়টি রোযা রাখা। কেননা এ ছয়টি রোযার বিনিময়ে সারা বছর রোযা রাখার সওয়াব পাওয়া যায়। যেমন- হাদীসে এসেছে,

عَنْ أَبِىْ أَيُّوْبَ الْأَنْصَارِىِّ - - أَنَّهٗ حَدَّثَهٗ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ - - قَالَ : مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهٗ سِتًّا مِّنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ

আবু আইয়ূব আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি রমাযান মাসে রোযা রাখল এবং শাওয়াল মাসে আরো ছয়টি রোযা রাখল, সে যেন সারা বছর রোযা রাখল। [সহীহ মুসলিম, হা/২৮১৫; সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/২৮৭৯; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/৩৮১১; শারহুস সুন্নাহ, হা/১৭৮০; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১০০৬; মিশকাত, হা/২০৪৭।]

এ হাদীসটির উপর আমল করা সকলের উচিত। একটি নেক আমলের প্রতিদানে সর্বনিম্ন দশটি নেকী দেয়া হয়। তাই রমাযানের ত্রিশটি রোযা ৩০০ দিন আর শাওয়ালের ৬টি রোযা ৬০ দিনের সমান হয়। এতে ৩৬০ দিন পূর্ণ হয়ে যায়, যা একবছরের বেশি হয়; কারণ আরবি বছর ৩৫৪ দিনে হয়ে থাকে। এ রোযাগুলো শাওয়াল মাসের যেকোন দিন রাখা যায়, একসাথে না রেখে ভেঙ্গে ভেঙ্গেও রাখা যায়। অতএব সারা বছর রোযা রাখার সওয়াব অর্জন করার এই সুযোগটি যথাযথভাবে গ্রহণ করা উচিত।