১
ইতিহাসের ইতিহাস
লেখকঃ গোলাম আহমাদ মোর্তজা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭২
মাওলানা শওকত আলী
বি আম্মা পুত্র মাওলানা শওকত আলী ১৮৭৩ সালে ১৬ মার্চ রামপুরে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে ২৭ নভেম্বর দেহত্যাগ করেন। পিতার নাম ছিল আবদুল আলী সাহেব। তরুণ অবস্থায় তিনি কলেরায় মারা যান। বিধবা বি-আম্মার বয়স মাত্র তখন ছিল সাতাশ বছর। মা এর প্রচেষ্টায় আলিগড় হতে বি.এ পাস করে যে চাকরি পেয়েছিলেন, দেশে আদর্শ স্থাপনের জন্য ১৯১১ সালে সেই চাকরিতে পদাঘাত করে পদত্যাগ করেন। তারপর পূর্ণভাবে রাজনীতিতে আত্মবিসর্জন দেন। ১৯১৫ তে তার জেল হয় এবং তাঁকে মারুক নামক স্থান হতে পরে চিন্দোধারায় স্থানান্তরিত করা হয়।
১৯২০ সালে গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগ যুক্তি ও গোপন চুক্তি হয় দুই আলী ভাই-এর সাথে। পরে গান্ধীজির ব্যবহার ও ইংরেজ ঘেষা মনোভাবের জন্য গান্ধীজির সঙ্গে সম্পর্কচ্যুত হন। ১৯৩২ সালে ইয়র্ক শায়ারের এক মহিলাকে বিয়ে করেন। মাওলানা শওকত আলীর রাজনৈতিক ভূমিকা শুধু ভারতেই ছিল না। ছিল আরব, পারস্য, প্যালেস্টাইন, মিসর, তুরস্ক প্রভৃতি বহু রাষ্ট্র। তুরস্কের কামাল পাশার উন্নতি ও প্রশংসার মূলে আছেন আল্লাহ ভক্ত সুচতুর নেতা মাওলানা শওকত আলী। কারণ তুরস্কের সুলতানের পরিবারের সঙ্গে ভারতের হায়দ্রাবাদের রাজ পরিবারের যে বিবাহ সম্বন্ধ হয়েছিল তা ছিল তাঁরই পবিত্র কৌশল। তাই এঙ্গোলার প্রধানমন্ত্রী এসেম্বলিতে বলেন, "Had there been no Ali Brothers in India, there would have no kamal pasha in Turky" অর্থাৎ ভারতে আলী ভ্রাতৃদ্বয়ের জন্ম না হলে তুরস্কে কামাল পাশার অভ্যুদয় সম্ভব হতো না।
১৯৩২ সালে ইন্ডিয়ান মাইনরিটি প্যাক্ট তাঁরই অবদান। মৃত্যুর তিন ঘণ্টা পূর্বে যে সমস্ত পত্র লিখেছেন তাতে তার জ্ঞান ও দেশপ্রেমের পরিচয় আরও গভীরভাবে অনুভব করা যায়।
১৯২০ সালে গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগ যুক্তি ও গোপন চুক্তি হয় দুই আলী ভাই-এর সাথে। পরে গান্ধীজির ব্যবহার ও ইংরেজ ঘেষা মনোভাবের জন্য গান্ধীজির সঙ্গে সম্পর্কচ্যুত হন। ১৯৩২ সালে ইয়র্ক শায়ারের এক মহিলাকে বিয়ে করেন। মাওলানা শওকত আলীর রাজনৈতিক ভূমিকা শুধু ভারতেই ছিল না। ছিল আরব, পারস্য, প্যালেস্টাইন, মিসর, তুরস্ক প্রভৃতি বহু রাষ্ট্র। তুরস্কের কামাল পাশার উন্নতি ও প্রশংসার মূলে আছেন আল্লাহ ভক্ত সুচতুর নেতা মাওলানা শওকত আলী। কারণ তুরস্কের সুলতানের পরিবারের সঙ্গে ভারতের হায়দ্রাবাদের রাজ পরিবারের যে বিবাহ সম্বন্ধ হয়েছিল তা ছিল তাঁরই পবিত্র কৌশল। তাই এঙ্গোলার প্রধানমন্ত্রী এসেম্বলিতে বলেন, "Had there been no Ali Brothers in India, there would have no kamal pasha in Turky" অর্থাৎ ভারতে আলী ভ্রাতৃদ্বয়ের জন্ম না হলে তুরস্কে কামাল পাশার অভ্যুদয় সম্ভব হতো না।
১৯৩২ সালে ইন্ডিয়ান মাইনরিটি প্যাক্ট তাঁরই অবদান। মৃত্যুর তিন ঘণ্টা পূর্বে যে সমস্ত পত্র লিখেছেন তাতে তার জ্ঞান ও দেশপ্রেমের পরিচয় আরও গভীরভাবে অনুভব করা যায়।