১
শরয়ী ইলম সংক্রান্ত কিছু জরূরী জ্ঞাতব্য বিষয়
লেখকঃ আবু আব্দিল ইলাহ্ ছালেহ্ বিন মুক্ববিল আল্ উছায়মী আত্ তামীমী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
৮-দাঈর উচিত যে তিনি নিজ আত্মার কোন প্রকার প্রতিশোধ গ্রহণ করবেন না :
দাঈর ইহাই উচিত যে নিজেকে ব্যস্ত করবেন না ঐ ব্যক্তির প্রতিবাদ করতে যেয়ে যে তার সমালোচনা করেছে বা তার কর্মের ভুল ধরেছে। তাঁর উচিত এই আস্থা রাখা যে নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তাঁর পক্ষ থেকে প্রতিহত করবেন। মহান আল্লাহ্ বলেনঃ
( إِنَّ اللَّهَ يُدَافِعُ عَنِ الَّذِينَ آمَنُوا ) [ الحج :৩৮]
‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ঈমানদারদের পক্ষ হতে প্রতিহত করে থাকেন।’ (সূরা আল হজ : ৩৮)
নিশ্চয় একজন দাঈ মানুষের পক্ষ থেকে দুঃখ্য-কষ্টের, তাদের পরনিন্দা, হিংসা-বিদ্বেষ, ক্রোধের শিকার হতে পারে। এবং এরূপ হবেই হবে। সুতরাং যদি কোন দাঈ নিজের পক্ষ থেকে প্রতিহত করতে থাকে, নিজ প্রতিপক্ষদের ঝগড়া-বিবাদের ঢেউ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা চালায় তাহলে তার সময় নষ্ট হবে। এতে তার মান-মর্যাদা কমে যাবে।
সুতরাং তার এই অগাধ বিশ্বাস থাকা দরকার যে আল্লাহই তার প্রতিপক্ষদেরকে অপমানিত করবেন এবং তার দুশমনদেরকে লাঞ্ছিত করবেন।
মহান বলেনঃ
( إِنَّا لَنَنْصُرُ رُسُلَنَا وَالَّذِينَ آمَنُوا فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَيَوْمَ يَقُومُ الْأَشْهَادُ )[ غافر :৫১]
‘নিশ্চয় আমি আমার রাসূল ও ঈমানদারদেরকে এই দুনিয়ায় সাহায্য করব, এবং সে দিবসেও করব যে দিন সকল সাক্ষ্যদাতাগণ দন্ডায়মান হবে।’ (সূরা আল গাফির-মুমিন : ৫১)
ইবনু কাছীর রহ. বলেনঃ অত্র আয়াতে সাহায্য বলতে তাদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করা বুঝানো হয়েছে যারা তাদেরকে কষ্ট দিয়ে থাকে। হতে পারে এই প্রতিশোধ তাদের উপস্থিতিতে হবে অথবা তাদের অবর্তমানে তাদের মরণোত্তর হবে। যেমনটি আল্লাহ্ ইয়াহয়া ও যাকারিয়্যা আলাইহিমাস্ সালামদের হত্যাকারীদের থেকে প্রতিশোধ নিয়েছিলেন।
দাওয়াত-কর্মীর উচিত আল্লাহর উপর গভীরভাবে আস্থা রাখা। কারণ যাকে আল্লাহর পথে কষ্ট দেওয়া হয় আল্লাহ্ এমন ব্যক্তিকে কখনই সাহায্যহীন অবস্থায় ছেড়ে দেবেন না। অবশ্য প্রাগুক্ত বিষয় থেকে দাঈর এরূপ প্রতিবাদ অবশ্যই স্বতন্ত্র হবে যে প্রতিবাদ শরীয়াতের মৌলিক বিষয়ের, দ্বীনী বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হবে। এক্ষেত্রে দাঈর প্রতিপক্ষরা তার সমালোচনা করলেও তার কথা ভিন্ন অন্য কথার ইখতেলাফ যাহের করলে তার উপর ওয়াজিব হয়ে যাবে বিষয়টি খুলে ব্যাখ্যা করা। অবশ্যই এটা অপরিহার্য কর্তব্য। তবে এর পরও দাঈ নিজের ব্যক্তিস্বার্থে কোন প্রতিশোধ নেবে না। সে নিজের স্বার্থে জন্য ক্রোধ প্রকাশ করবে না। এবং যে সব কথায় কোন ফায়েদা-উপকার নেই সেসব কথা থেকে বিরত থাকবে।
( إِنَّ اللَّهَ يُدَافِعُ عَنِ الَّذِينَ آمَنُوا ) [ الحج :৩৮]
‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ঈমানদারদের পক্ষ হতে প্রতিহত করে থাকেন।’ (সূরা আল হজ : ৩৮)
নিশ্চয় একজন দাঈ মানুষের পক্ষ থেকে দুঃখ্য-কষ্টের, তাদের পরনিন্দা, হিংসা-বিদ্বেষ, ক্রোধের শিকার হতে পারে। এবং এরূপ হবেই হবে। সুতরাং যদি কোন দাঈ নিজের পক্ষ থেকে প্রতিহত করতে থাকে, নিজ প্রতিপক্ষদের ঝগড়া-বিবাদের ঢেউ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা চালায় তাহলে তার সময় নষ্ট হবে। এতে তার মান-মর্যাদা কমে যাবে।
সুতরাং তার এই অগাধ বিশ্বাস থাকা দরকার যে আল্লাহই তার প্রতিপক্ষদেরকে অপমানিত করবেন এবং তার দুশমনদেরকে লাঞ্ছিত করবেন।
মহান বলেনঃ
( إِنَّا لَنَنْصُرُ رُسُلَنَا وَالَّذِينَ آمَنُوا فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَيَوْمَ يَقُومُ الْأَشْهَادُ )[ غافر :৫১]
‘নিশ্চয় আমি আমার রাসূল ও ঈমানদারদেরকে এই দুনিয়ায় সাহায্য করব, এবং সে দিবসেও করব যে দিন সকল সাক্ষ্যদাতাগণ দন্ডায়মান হবে।’ (সূরা আল গাফির-মুমিন : ৫১)
ইবনু কাছীর রহ. বলেনঃ অত্র আয়াতে সাহায্য বলতে তাদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করা বুঝানো হয়েছে যারা তাদেরকে কষ্ট দিয়ে থাকে। হতে পারে এই প্রতিশোধ তাদের উপস্থিতিতে হবে অথবা তাদের অবর্তমানে তাদের মরণোত্তর হবে। যেমনটি আল্লাহ্ ইয়াহয়া ও যাকারিয়্যা আলাইহিমাস্ সালামদের হত্যাকারীদের থেকে প্রতিশোধ নিয়েছিলেন।
দাওয়াত-কর্মীর উচিত আল্লাহর উপর গভীরভাবে আস্থা রাখা। কারণ যাকে আল্লাহর পথে কষ্ট দেওয়া হয় আল্লাহ্ এমন ব্যক্তিকে কখনই সাহায্যহীন অবস্থায় ছেড়ে দেবেন না। অবশ্য প্রাগুক্ত বিষয় থেকে দাঈর এরূপ প্রতিবাদ অবশ্যই স্বতন্ত্র হবে যে প্রতিবাদ শরীয়াতের মৌলিক বিষয়ের, দ্বীনী বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হবে। এক্ষেত্রে দাঈর প্রতিপক্ষরা তার সমালোচনা করলেও তার কথা ভিন্ন অন্য কথার ইখতেলাফ যাহের করলে তার উপর ওয়াজিব হয়ে যাবে বিষয়টি খুলে ব্যাখ্যা করা। অবশ্যই এটা অপরিহার্য কর্তব্য। তবে এর পরও দাঈ নিজের ব্যক্তিস্বার্থে কোন প্রতিশোধ নেবে না। সে নিজের স্বার্থে জন্য ক্রোধ প্রকাশ করবে না। এবং যে সব কথায় কোন ফায়েদা-উপকার নেই সেসব কথা থেকে বিরত থাকবে।