১
শরয়ী ইলম সংক্রান্ত কিছু জরূরী জ্ঞাতব্য বিষয়
লেখকঃ আবু আব্দিল ইলাহ্ ছালেহ্ বিন মুক্ববিল আল্ উছায়মী আত্ তামীমী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
আল্লাহর পথে দাওয়াত দেওয়ার বিধান কি? কার উপর এই দায়িত্ব বর্তায়?
আল্লাহর পথে দাওয়াত দেওয়া প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর নিজ নিজ সাধ্যানুযায়ী ওয়াজিব। কারণ মহান আল্লাহ্ বলেনঃ
( وَلْتَكُنْ مِنْكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُونَ إِلَى الْخَيْرِ وَيَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ )[ آل عمران :১০৪]
‘তোমাদের মাঝে এমন একটি দল হওয়া উচিত। যারা কল্যাণের পথে আহবান করবে, আর ন্যায়ের আদেশ এবং অন্যায় থেকে নিষেধ করবে।’ (সূরা আলে ইমরানঃ১০৪)
মহান আল্লাহ্ আরো বলেন:
( كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ )[ آل عمران :১১০]
‘তোমরাই হলে সর্বোত্তম জাতি, যাদেরকে বের করা হয়েছে মানুষের কল্যণের জন্য। তোমরা ন্যায়ের আদেশ করবে এবং অন্যায় থেকে নিষেধ করবে এবং আল্লাহর উপর ঈমান আনবে।’ (আলে ইমরানঃ ১১০)।
তা ছাড়াও নবী কারীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ
( مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أَضْعَفُ الإِيمَانِ )[ مسلم ].
তোমাদের কেউ কোন গর্হিত কাজ দেখলে সে যেন তা হাত দিয়ে প্রতিহত করে। যদি তা না পারে, তবে মুখ দিয়ে প্রতিহত করে। যদি তাও না পারে তবে অন্তর দিয়ে প্রতিহত করবে। আর ইহা হল দুর্বলতম ঈমান। (মুসলিম,ঈমান অধ্যায়। হা/৪৯)।
উল্লেখ্য( ولتكن منكم ) এর মধ্যেকার ( من )টি তাবঈয তথা অংশ বিশেষ বুঝানোর জন্য এসেছে [সম্ভবত সর্বাধিক বিশুদ্ধ কথা হল,এখানে ( من ) টি ( التبيين ) তথা বর্ণনা দেওয়ার জন্য এসেছে যা ব্যাপকতার ফায়েদা দিয়ে থাকে (আল্ মাহমূদ)।]। অথবা ( الاستغراق ) তথা ব্যাপকতা বুঝানোর জন্য এসেছে। আল্লাহর বাণীঃ
( فاجتنبوا الرجس من الأوثان واجتنبوا قول الزور ) এর মধ্যে ( من ) এর মতই এর ব্যবহার যা ব্যাপকতা বুঝানোর জন্য এসেছে। এজন্যই অত্র আয়াত দ্বারা নির্দিষ্ট কোন জামা‘আতের সাথে দাওয়াতের বিষয়টি খাছ করা যাবে না। বরং তা সকলের উপরই ওয়াজিব। বিষয়টির প্রমাণ স্বরূপ পূর্বের দলীলগুলো এবং প্রাগুক্ত আয়ত ( ولتكن منكم ) এর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ যথেষ্ট।
( وَلْتَكُنْ مِنْكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُونَ إِلَى الْخَيْرِ وَيَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ )[ آل عمران :১০৪]
‘তোমাদের মাঝে এমন একটি দল হওয়া উচিত। যারা কল্যাণের পথে আহবান করবে, আর ন্যায়ের আদেশ এবং অন্যায় থেকে নিষেধ করবে।’ (সূরা আলে ইমরানঃ১০৪)
মহান আল্লাহ্ আরো বলেন:
( كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ )[ آل عمران :১১০]
‘তোমরাই হলে সর্বোত্তম জাতি, যাদেরকে বের করা হয়েছে মানুষের কল্যণের জন্য। তোমরা ন্যায়ের আদেশ করবে এবং অন্যায় থেকে নিষেধ করবে এবং আল্লাহর উপর ঈমান আনবে।’ (আলে ইমরানঃ ১১০)।
তা ছাড়াও নবী কারীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ
( مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أَضْعَفُ الإِيمَانِ )[ مسلم ].
তোমাদের কেউ কোন গর্হিত কাজ দেখলে সে যেন তা হাত দিয়ে প্রতিহত করে। যদি তা না পারে, তবে মুখ দিয়ে প্রতিহত করে। যদি তাও না পারে তবে অন্তর দিয়ে প্রতিহত করবে। আর ইহা হল দুর্বলতম ঈমান। (মুসলিম,ঈমান অধ্যায়। হা/৪৯)।
উল্লেখ্য( ولتكن منكم ) এর মধ্যেকার ( من )টি তাবঈয তথা অংশ বিশেষ বুঝানোর জন্য এসেছে [সম্ভবত সর্বাধিক বিশুদ্ধ কথা হল,এখানে ( من ) টি ( التبيين ) তথা বর্ণনা দেওয়ার জন্য এসেছে যা ব্যাপকতার ফায়েদা দিয়ে থাকে (আল্ মাহমূদ)।]। অথবা ( الاستغراق ) তথা ব্যাপকতা বুঝানোর জন্য এসেছে। আল্লাহর বাণীঃ
( فاجتنبوا الرجس من الأوثان واجتنبوا قول الزور ) এর মধ্যে ( من ) এর মতই এর ব্যবহার যা ব্যাপকতা বুঝানোর জন্য এসেছে। এজন্যই অত্র আয়াত দ্বারা নির্দিষ্ট কোন জামা‘আতের সাথে দাওয়াতের বিষয়টি খাছ করা যাবে না। বরং তা সকলের উপরই ওয়াজিব। বিষয়টির প্রমাণ স্বরূপ পূর্বের দলীলগুলো এবং প্রাগুক্ত আয়ত ( ولتكن منكم ) এর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ যথেষ্ট।