১
শরয়ী ইলম সংক্রান্ত কিছু জরূরী জ্ঞাতব্য বিষয়
লেখকঃ আবু আব্দিল ইলাহ্ ছালেহ্ বিন মুক্ববিল আল্ উছায়মী আত্ তামীমী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
প্রথম ভূমিকা: আল্লাহর দিকে দাওয়াতঃ
আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেওয়া সর্বাধিক মহান, নৈকট্য অর্জনকারী বিষয়। এজন্যই এই কাজটি সম্পাদন করেছেন সৃষ্টির সেরা ব্যক্তিত্ব-তথা নবী-রাসূলগণ। আর ইহাই এই দাওয়াতের ফযীলতের প্রমাণ হিসাবে যথেষ্ট। কারণ আমরা সমগ্র মানুষকে জীবনের প্রকৃত দায়িত্বের দিকে আহবান করছি। আর তাহল যথাযথভাবে আল্লাহ তা‘আলার দাসত্ব করা। মহান আল্লাহ এরশাদ করছেনঃ
( وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْأِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ )[ الذاريات :৫৬]
আমি জিন ও মানবজাতীকে সৃষ্টি করেছি শুধুমাত্র আমারই ইবাদত করার জন্যে। (আয্ যারিয়াতঃ৫৬)।
এজন্যই আল্লাহ এর বিনিময় স্বরূপ সুনির্দিষ্ট করেছেন মহান বিনিময়, অফুরন্ত প্রতিদান। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ
( لَأَنْ يَهْدِىَ اللهُ بِِكَ رَجُلاً وَاحِداً خَيْرٌ لَكَ مِنْ حُمْرِ النَّعَمِ ) [ رواه البخاري -كتاب المغازي ৪২১০ ، ومسلم فضائل الصحابة ২৪০৬]
আল্লাহ যদি তোমার মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকেও হেদায়াত দান করেন, তবে ইহাই তোমার জন্য লাল উট অপেক্ষা উত্তম (বুখারী,মাগাযী অধ্যায়,হা/৪২১০,মুসলিম,ফাযায়েলুছ্ ছাহাবাহ্ অধ্যায়,হা/২৪০৬)।
এই মহান পুরষ্কার এজন্যই যে, এই কাজটি অতীব গুরূত্বপূর্ণ। এজন্যই প্রত্যেক মুসলিম ব্যক্তির উচিত হল আল্লাহর পথে দাওয়াত দেওয়ার মৌলিক নীতি জেনে নেওয়া এবং এবং এই উম্মতের পূর্বসূরীদের তরীক্বার অনুসরণ করা যাদের প্রধান হলেন ইসলামের প্রথম দাঈ মুহাম্মাদ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। মহান আল্লাহ্ বলেনঃ
( يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ شَاهِداً وَمُبَشِّراً وَنَذِيراً (৪৫) وَدَاعِياً إِلَى اللَّهِ بِإِذْنِهِ وَسِرَاجاً مُنِيراً (৪৬))[ الأحزاب ]
হে নবী! আমি আপনাকে সাক্ষীদাতা, সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারী হিসাবে, এবং আল্লাহর অনুমতিক্রমে আল্লাহর দিকে আহবানকারী ও প্রদীপ্ত প্রদীপ হিসাবে প্রেরণ করেছি। (আল্ আহ্যাব : ৪৫-৪৬)।
কারণ নবী ও তাঁর অনুসারীদের আল্লাহর পথে দাওয়াত ছিল জাগ্রত জ্ঞান সহকারে। মহান আল্লাহ্ বলেনঃ
( قُلْ هَذِهِ سَبِيلِي أَدْعُو إِلَى اللَّهِ عَلَى بَصِيرَةٍ أَنَا وَمَنِ اتَّبَعَنِي وَسُبْحَانَ اللَّهِ وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ (১০৮)[ يوسف ]
‘(হে রাসূল!) আপনি বলে দিন ইহাই আমার পথ আমি ও আমার অনুসারীগণ আল্লাহর পথে জাগ্রত জ্ঞান সহকারে দাওয়াত দান করি। আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি। এবং আমি মুশরিকদের দলভুক্ত নই। (ইউসুফঃ১০৮)।
( وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْأِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ )[ الذاريات :৫৬]
আমি জিন ও মানবজাতীকে সৃষ্টি করেছি শুধুমাত্র আমারই ইবাদত করার জন্যে। (আয্ যারিয়াতঃ৫৬)।
এজন্যই আল্লাহ এর বিনিময় স্বরূপ সুনির্দিষ্ট করেছেন মহান বিনিময়, অফুরন্ত প্রতিদান। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ
( لَأَنْ يَهْدِىَ اللهُ بِِكَ رَجُلاً وَاحِداً خَيْرٌ لَكَ مِنْ حُمْرِ النَّعَمِ ) [ رواه البخاري -كتاب المغازي ৪২১০ ، ومسلم فضائل الصحابة ২৪০৬]
আল্লাহ যদি তোমার মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকেও হেদায়াত দান করেন, তবে ইহাই তোমার জন্য লাল উট অপেক্ষা উত্তম (বুখারী,মাগাযী অধ্যায়,হা/৪২১০,মুসলিম,ফাযায়েলুছ্ ছাহাবাহ্ অধ্যায়,হা/২৪০৬)।
এই মহান পুরষ্কার এজন্যই যে, এই কাজটি অতীব গুরূত্বপূর্ণ। এজন্যই প্রত্যেক মুসলিম ব্যক্তির উচিত হল আল্লাহর পথে দাওয়াত দেওয়ার মৌলিক নীতি জেনে নেওয়া এবং এবং এই উম্মতের পূর্বসূরীদের তরীক্বার অনুসরণ করা যাদের প্রধান হলেন ইসলামের প্রথম দাঈ মুহাম্মাদ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। মহান আল্লাহ্ বলেনঃ
( يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ شَاهِداً وَمُبَشِّراً وَنَذِيراً (৪৫) وَدَاعِياً إِلَى اللَّهِ بِإِذْنِهِ وَسِرَاجاً مُنِيراً (৪৬))[ الأحزاب ]
হে নবী! আমি আপনাকে সাক্ষীদাতা, সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারী হিসাবে, এবং আল্লাহর অনুমতিক্রমে আল্লাহর দিকে আহবানকারী ও প্রদীপ্ত প্রদীপ হিসাবে প্রেরণ করেছি। (আল্ আহ্যাব : ৪৫-৪৬)।
কারণ নবী ও তাঁর অনুসারীদের আল্লাহর পথে দাওয়াত ছিল জাগ্রত জ্ঞান সহকারে। মহান আল্লাহ্ বলেনঃ
( قُلْ هَذِهِ سَبِيلِي أَدْعُو إِلَى اللَّهِ عَلَى بَصِيرَةٍ أَنَا وَمَنِ اتَّبَعَنِي وَسُبْحَانَ اللَّهِ وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ (১০৮)[ يوسف ]
‘(হে রাসূল!) আপনি বলে দিন ইহাই আমার পথ আমি ও আমার অনুসারীগণ আল্লাহর পথে জাগ্রত জ্ঞান সহকারে দাওয়াত দান করি। আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি। এবং আমি মুশরিকদের দলভুক্ত নই। (ইউসুফঃ১০৮)।