১
শরয়ী ইলম সংক্রান্ত কিছু জরূরী জ্ঞাতব্য বিষয়
লেখকঃ আবু আব্দিল ইলাহ্ ছালেহ্ বিন মুক্ববিল আল্ উছায়মী আত্ তামীমী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭৩
নবীর সুন্নাত প্রত্যাখ্যান করা থেকে সতর্কীকরণঃ
১-মহা মহিয়ান আল্লাহ্ রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশের বিরোধিতা করা থেকে সতর্ক করে বলেনঃ
فَلْيَحْذَرِ الَّذِينَ يُخَالِفُونَ عَنْ أَمْرِهِ أَنْ تُصِيبَهُمْ فِتْنَةٌ أَوْ يُصِيبَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ (৬৩)[ النور ]
অতএব, যারা তার তথা নবীর আদেশের বিরুদ্ধাচারণ করে, তারা এ বিষয়ে সতর্ক হোক যে, বিপর্যয় তাদেরকে স্পর্শ করবে অথবা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি তাদেরকে গ্রাস করবে। (সূরাহ আন্ নূরঃ ৬৩)
নবীর ফায়ছালার সামনে আল্লাহ্ আমাদের কোন প্রকার ইখতিয়ার রাখেননি (বরং তা মেনে নেওয়া ফরয করে দিয়েছেন)
মহান আল্লাহ্ বলেনঃ
( وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَلا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَمْراً أَنْ يَكُونَ لَهُمُ الْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ )[ الأحزاب :৩৬]
অর্থঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্নমত পোষন করার অধিকার নেই। (আল্ আহ্যাবঃ ৩৬)
শুধু তাই নয়, আল্লাহ্ রাসূলকে ফায়ছালাকারীরূপে গ্রহণ করাকে উছূলুল ঈমান তথা ঈমানের মৌলিক বিষয়াবলীর অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি বলেনঃ
فَلا وَرَبِّكَ لا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجاً مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيماً (৬৫)[ النساء ]
‘আপনার রবের ক্বসম! তারা মুমিন হতে পারবে না যতক্ষণ না আপনাকে তারা তাদের বিতর্কিত বিষয়ে ফায়ছালাকারী হিসাবে গ্রহণ করবে, এবং আপনার ফায়ছালাকৃত বিষয়ে নিজ মনে সামান্যতম সংর্কীণতা বোধ করবে না এবং পরিপূর্ণভাবে সে ফায়ছালাকে মেনে নেবে। (আন্ নিসাঃ ৬৫)
এবং নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ
لَا أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ مُتَّكِئاً عَلَى أَرِيْكَتِهِ، يَأْتِيْهِ الْأَمْرُ مِمَّا أَمَرْتُ بِهِ أَوْ نَهَيْتُ عَنْهُ، فَيَقُوْلُ : بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمْ الْقُرْآنُ فَمَا وَجَدْنَا فِيْهِ مِنْ حَلَالٍ أَحْلَلْنَاهُ، وَمَا وَجَدْنَا فِيْهِ مِنْ حَرَامٍ حَرَّمْنَاهُ، أَلَا إِنِّيْ أُوْتِيْتُ الْقُرْآن وَمِثْلَهُ مَعَهُ ( أخرجه أبو داود والترمذي وقال : هذا حديث حسن ).
আমি তোমাদের কাউকে তার শোফায় উপবিষ্ট অবস্থায় যেন এরূপ না দেখতে পাই যে, তার নিকট আমার আদেশ-নিষেধ হতে কোন কিছু আসলে এই কথা বলে, আমাদের ও তোমাদের সামনে রয়েছে আল্ কুরআন। কাজেই তাতে যা আমরা হালাল পাব তাই হালাল গণ্য করব। পক্ষান্তরে তাতে যা হারাম পাবে কেবল তাই হারাম গণ্য করব। সাবধান! নিশ্চয় আমাকে কুরআন ও তার সাথে অনুরূপ আরেকটি বস্ত্ত (হাদীছ) দান করা হয়েছে। (আবু দাউদ,তিরমিযী প্রভৃতি। ইমাম তিরমিযী বলেনঃ হাদীছটি হাসান)।
فَلْيَحْذَرِ الَّذِينَ يُخَالِفُونَ عَنْ أَمْرِهِ أَنْ تُصِيبَهُمْ فِتْنَةٌ أَوْ يُصِيبَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ (৬৩)[ النور ]
অতএব, যারা তার তথা নবীর আদেশের বিরুদ্ধাচারণ করে, তারা এ বিষয়ে সতর্ক হোক যে, বিপর্যয় তাদেরকে স্পর্শ করবে অথবা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি তাদেরকে গ্রাস করবে। (সূরাহ আন্ নূরঃ ৬৩)
নবীর ফায়ছালার সামনে আল্লাহ্ আমাদের কোন প্রকার ইখতিয়ার রাখেননি (বরং তা মেনে নেওয়া ফরয করে দিয়েছেন)
মহান আল্লাহ্ বলেনঃ
( وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَلا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَمْراً أَنْ يَكُونَ لَهُمُ الْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ )[ الأحزاب :৩৬]
অর্থঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্নমত পোষন করার অধিকার নেই। (আল্ আহ্যাবঃ ৩৬)
শুধু তাই নয়, আল্লাহ্ রাসূলকে ফায়ছালাকারীরূপে গ্রহণ করাকে উছূলুল ঈমান তথা ঈমানের মৌলিক বিষয়াবলীর অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি বলেনঃ
فَلا وَرَبِّكَ لا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجاً مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيماً (৬৫)[ النساء ]
‘আপনার রবের ক্বসম! তারা মুমিন হতে পারবে না যতক্ষণ না আপনাকে তারা তাদের বিতর্কিত বিষয়ে ফায়ছালাকারী হিসাবে গ্রহণ করবে, এবং আপনার ফায়ছালাকৃত বিষয়ে নিজ মনে সামান্যতম সংর্কীণতা বোধ করবে না এবং পরিপূর্ণভাবে সে ফায়ছালাকে মেনে নেবে। (আন্ নিসাঃ ৬৫)
এবং নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ
لَا أُلْفِيَنَّ أَحَدَكُمْ مُتَّكِئاً عَلَى أَرِيْكَتِهِ، يَأْتِيْهِ الْأَمْرُ مِمَّا أَمَرْتُ بِهِ أَوْ نَهَيْتُ عَنْهُ، فَيَقُوْلُ : بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمْ الْقُرْآنُ فَمَا وَجَدْنَا فِيْهِ مِنْ حَلَالٍ أَحْلَلْنَاهُ، وَمَا وَجَدْنَا فِيْهِ مِنْ حَرَامٍ حَرَّمْنَاهُ، أَلَا إِنِّيْ أُوْتِيْتُ الْقُرْآن وَمِثْلَهُ مَعَهُ ( أخرجه أبو داود والترمذي وقال : هذا حديث حسن ).
আমি তোমাদের কাউকে তার শোফায় উপবিষ্ট অবস্থায় যেন এরূপ না দেখতে পাই যে, তার নিকট আমার আদেশ-নিষেধ হতে কোন কিছু আসলে এই কথা বলে, আমাদের ও তোমাদের সামনে রয়েছে আল্ কুরআন। কাজেই তাতে যা আমরা হালাল পাব তাই হালাল গণ্য করব। পক্ষান্তরে তাতে যা হারাম পাবে কেবল তাই হারাম গণ্য করব। সাবধান! নিশ্চয় আমাকে কুরআন ও তার সাথে অনুরূপ আরেকটি বস্ত্ত (হাদীছ) দান করা হয়েছে। (আবু দাউদ,তিরমিযী প্রভৃতি। ইমাম তিরমিযী বলেনঃ হাদীছটি হাসান)।