১
শরয়ী ইলম সংক্রান্ত কিছু জরূরী জ্ঞাতব্য বিষয়
লেখকঃ আবু আব্দিল ইলাহ্ ছালেহ্ বিন মুক্ববিল আল্ উছায়মী আত্ তামীমী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৮
আক্বীদাহ্ এর গুরুত্বঃ
১-আকীদা বিশুদ্ধ ইসলামী সমাজের নিখুঁত ভিত্তি। অতএব যে সমাজ তাদের যাবতীয় বিষয়ে ছহীহ আক্বীদাহ্র উপর নির্ভর করে আপনি এরূপ সমাজকে দেখতে পাবেন মজবূত এবং সোজা-সরল। পক্ষান্তরে যে সমাজ এর বিপরীত হবে তথা বক্র ও বিকৃত আক্বীদার উপর ভিত্তিশীল হবে আপনি এরূপ সমাজকে দেখতে পাবেন ছিনণ-বিচ্ছিন্ন ও ধ্বংস হওয়ার দ্বারপ্রান্তে।
২-এই আক্বীদাহ্-ই হল ধর্মের ভিত্তি ও মূল এবং আমল কবুল ও বিশুদ্ধ হওয়ার শর্ত। মহান আল্লাহ্ বলেনঃ
وَمَنْ يَكْفُرْ بِالْأِيمَانِ فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ (৫)[ المائدة ]
আর যে ঈমানের সাথে কুফুরী করবে তার আমল বাতিল হয়ে যাবে, এবং সে আখেরাতে ক্ষতিগ্রস্তদের দলভুক্ত হবে। (সূরা আল্ মায়িদাহ্ঃ৫)
মহান আল্লাহ্ আরো বলেনঃ
وَلَقَدْ أُوحِيَ إِلَيْكَ وَإِلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكَ لَئِنْ أَشْرَكْتَ لَيَحْبَطَنَّ عَمَلُكَ وَلَتَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ (৬৫)[ الزمر ]
আমি তোমার ও তোমার পূর্বে যারা ছিল তাদের প্রতি এই মর্মে অহি করেছি যে, যদি তুমি শিরক কর তবে তোমার আমল বাতিল হয়ে যাবে এবং অবশ্যই তুমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তভুক্ত হবে। (সূরা আয্ যুমারঃ৬৫)
অতএব একজন মুসলিম ব্যক্তির কর্তব্য সে সামর্থ অনুযায়ী প্রচেষ্টা চালাবে এবং নিজ আক্বীদাহ-বিশ্বাসকে পরিশুদ্ধ করার জন্য যথা সাধ্য চেষ্টা সাধনা করবে। কারণ এরই মাধ্যমে নাজাত রয়েছে।
৩-এই আক্বীদাহ্ই হল রাসূলদের দাওয়াতের ভিত্তিঃ
মহান আল্লাহ্ বলেনঃ
وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولاً أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ [ النحل :৩৬]
আমি প্রত্যেক জাতির নিকট রাসূল পাঠিয়েছি এই বার্তা দিয়ে যে তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর, এবং ত্বাগুত-তথা গায়রুল্লাহ্র ইবাদত -থেকে বিরত থাক। (সূরা আন্ নাহলঃ৩৬)
এজন্যই নবী কারীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় ১৩ টি বছর অবস্থান করে তাওহীদের দিকে ও শিরক বর্জনের প্রতি মানুষকে আহবান করেছেন। এবং এরই উপর রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুপ্রতিষ্ঠিত থেকেছেন হিজরতের পরেও। বরং তাঁর শেষ জীবনের দিকেও তিনি কবরসমূহকে মসজিদ বানাতে নিষেধ করেছেন। এই বিষয়ে বহু দলীলাদি রয়েছে।
সালাফে ছালেহীনের নিকট আকীদা গ্রহণের উৎস সমূহঃ
এই উৎস গুলি হল কিতাবুল্লাহ বা আল্ কুরআন এবং বিশুদ্ধ সুন্নাত বা আল্ হাদীছ। এজন্যই সালাফ-পূর্বসূরী পুন্যবান বিদ্বানদের থেকে আক্বীদাহ সংক্রান্ত মাসআলাহ্ মাসায়েলে তাদের মতবিরোধ ঐরূপ প্রসিদ্ধি লাভ করেনি যতটুকু করেছে ফিক্বহ্ সংক্রান্ত মাসআলাহ্ মাসায়েলের ক্ষেত্রে। [আরো অধিক জানার জন্য অধ্যায়ন করুনঃ ফযীলাতুশ্ শাইখ আব্দুর রহমান বিন ছালিহ্ আল্ মাহমূদ -হাফিযাহুল্লাহ-প্রণীত গ্রন্থ ‘মাছদারুত্ তালাক্কী ইন্দাস্ সালাফ’]
২-এই আক্বীদাহ্-ই হল ধর্মের ভিত্তি ও মূল এবং আমল কবুল ও বিশুদ্ধ হওয়ার শর্ত। মহান আল্লাহ্ বলেনঃ
وَمَنْ يَكْفُرْ بِالْأِيمَانِ فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ (৫)[ المائدة ]
আর যে ঈমানের সাথে কুফুরী করবে তার আমল বাতিল হয়ে যাবে, এবং সে আখেরাতে ক্ষতিগ্রস্তদের দলভুক্ত হবে। (সূরা আল্ মায়িদাহ্ঃ৫)
মহান আল্লাহ্ আরো বলেনঃ
وَلَقَدْ أُوحِيَ إِلَيْكَ وَإِلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكَ لَئِنْ أَشْرَكْتَ لَيَحْبَطَنَّ عَمَلُكَ وَلَتَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ (৬৫)[ الزمر ]
আমি তোমার ও তোমার পূর্বে যারা ছিল তাদের প্রতি এই মর্মে অহি করেছি যে, যদি তুমি শিরক কর তবে তোমার আমল বাতিল হয়ে যাবে এবং অবশ্যই তুমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তভুক্ত হবে। (সূরা আয্ যুমারঃ৬৫)
অতএব একজন মুসলিম ব্যক্তির কর্তব্য সে সামর্থ অনুযায়ী প্রচেষ্টা চালাবে এবং নিজ আক্বীদাহ-বিশ্বাসকে পরিশুদ্ধ করার জন্য যথা সাধ্য চেষ্টা সাধনা করবে। কারণ এরই মাধ্যমে নাজাত রয়েছে।
৩-এই আক্বীদাহ্ই হল রাসূলদের দাওয়াতের ভিত্তিঃ
মহান আল্লাহ্ বলেনঃ
وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولاً أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ [ النحل :৩৬]
আমি প্রত্যেক জাতির নিকট রাসূল পাঠিয়েছি এই বার্তা দিয়ে যে তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর, এবং ত্বাগুত-তথা গায়রুল্লাহ্র ইবাদত -থেকে বিরত থাক। (সূরা আন্ নাহলঃ৩৬)
এজন্যই নবী কারীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় ১৩ টি বছর অবস্থান করে তাওহীদের দিকে ও শিরক বর্জনের প্রতি মানুষকে আহবান করেছেন। এবং এরই উপর রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুপ্রতিষ্ঠিত থেকেছেন হিজরতের পরেও। বরং তাঁর শেষ জীবনের দিকেও তিনি কবরসমূহকে মসজিদ বানাতে নিষেধ করেছেন। এই বিষয়ে বহু দলীলাদি রয়েছে।
সালাফে ছালেহীনের নিকট আকীদা গ্রহণের উৎস সমূহঃ
এই উৎস গুলি হল কিতাবুল্লাহ বা আল্ কুরআন এবং বিশুদ্ধ সুন্নাত বা আল্ হাদীছ। এজন্যই সালাফ-পূর্বসূরী পুন্যবান বিদ্বানদের থেকে আক্বীদাহ সংক্রান্ত মাসআলাহ্ মাসায়েলে তাদের মতবিরোধ ঐরূপ প্রসিদ্ধি লাভ করেনি যতটুকু করেছে ফিক্বহ্ সংক্রান্ত মাসআলাহ্ মাসায়েলের ক্ষেত্রে। [আরো অধিক জানার জন্য অধ্যায়ন করুনঃ ফযীলাতুশ্ শাইখ আব্দুর রহমান বিন ছালিহ্ আল্ মাহমূদ -হাফিযাহুল্লাহ-প্রণীত গ্রন্থ ‘মাছদারুত্ তালাক্কী ইন্দাস্ সালাফ’]