১
কিতাবুন নিসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
মুসলিম নারীকে আত্মশুদ্ধি অর্জন করতে হবে
আত্মার পবিত্রতা রক্ষা করা মানুষের একটি প্রধান কর্তব্য। এজন্য ‘তাযকিয়াতুন নফস’ বা আধ্যাত্মিক পরিশুদ্ধি সাধন করা ইসলামের মৌলিক একটি বিষয়। আর তাই আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআনে বার বার অন্তরাত্মাকে পরিশুদ্ধ করার জন্য যেমন তাকিদ দিয়েছেন তেমনি এটা অর্জনের উপরই মানুষের সফলতা ও ব্যর্থতাকে নির্ভরশীল করে দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿قَدْ اَفْلَحَ مَنْ زَكَّاهَا﴾
যে ব্যক্তি নিজেকে পরিশুদ্ধ করে, সেই সফলকাম হয়। (সূরা শামস- ৯)
﴿قَدْ اَفْلَحَ مَنْ تَزَكّٰى﴾
নিশ্চয় যে পরিশুদ্ধতা অবলম্বন করে সে সফলতা লাভ করে। (সূরা আ‘লা- ১৪)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
أَلَا وَإِنَّ فِى الْجَسَدِ مُضْغَةً إِذَا صَلَحَتْ صَلَحَ الْجَسَدُ كُلُّه وَإِذَا فَسَدَتْ فَسَدَ الْجَسَدُ كُلُّه أَلَا وَهِىَ الْقَلْبُ
সাবধান! মানুষের দেহের মধ্যে একটি মাংসপিন্ড রয়েছে, যদি তা পরিশুদ্ধ হয় তবে সমস্ত দেহই পরিশুদ্ধ হয়, আর যদি তা দূষিত হয়ে যায় তবে সমস্ত দেহই দূষিত হয়ে যায়। সেটা হলো কল্ব বা অন্তর। [সহীহ বুখারী, হা/৫২; সহীহ মুসলিম, হা/৪১৭৮; ইবনে মাজাহ, হা/৩৯৮৪; মুসত্মাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/৪৪৩৬; মু‘জামুস সগীর, হা/৩৮২; বায়হাকী, হা/১০১৮০; সুনানে দারেমী, হা/২৫৩১; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হা/২২৪৩৫; জামেউস সগীর, হা/৫৫০৪; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৭৩১; মিশকাত, হা/২৭৬২।]
যে অন্তর তার প্রতিপালকের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে, তাঁর আনুগত্যে সুস্থির হয়েছে, তাঁর স্মরণে ও ভালোবাসায় প্রশান্তি অর্জন করেছে, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সবকিছুই তাঁর উপর সমর্পণ করেছে, তাঁর সাক্ষাৎ ও প্রতিশ্রুতির উপর পূর্ণ আস্থা রেখেছে এবং একমুহূর্তের জন্যও তার প্রতিপালকের জিম্মাদারী থেকে বিচ্যুত হয় না, যে আত্মা গোনাহের কাজে ভয় পায় এবং ভালো কাজে খুশি হয় এরূপ আত্মাকে নফসে মুতমাইন্নাহ বা প্রশামত্ম আত্মা বলা হয়। এরূপ আত্মাকে কিয়ামতের দিন বলা হবে,
﴿يَاۤ أَيَّتُهَا النَّفْسُ الْمُطْمَئِنَّةُ -‐ اِرْجِعِيْۤ إِلٰى رَبِّكِ رَاضِيَةً مَّرْضِيَّةً ‐ - فَادْخُلِيْ فِيْ عِبَادِيْ ‐ - وَادْخُلِيْ جَنَّتِيْ﴾
হে প্রশান্ত আত্মা! তুমি সন্তুষ্ট এবং সন্তোষভাজন হয়ে তোমার প্রতিপালকের দিকে ফিরে আসো। অতঃপর আমার (নেক) বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ করো। (সূরা ফাজর, ২৭-৩০)
﴿قَدْ اَفْلَحَ مَنْ زَكَّاهَا﴾
যে ব্যক্তি নিজেকে পরিশুদ্ধ করে, সেই সফলকাম হয়। (সূরা শামস- ৯)
﴿قَدْ اَفْلَحَ مَنْ تَزَكّٰى﴾
নিশ্চয় যে পরিশুদ্ধতা অবলম্বন করে সে সফলতা লাভ করে। (সূরা আ‘লা- ১৪)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
أَلَا وَإِنَّ فِى الْجَسَدِ مُضْغَةً إِذَا صَلَحَتْ صَلَحَ الْجَسَدُ كُلُّه وَإِذَا فَسَدَتْ فَسَدَ الْجَسَدُ كُلُّه أَلَا وَهِىَ الْقَلْبُ
সাবধান! মানুষের দেহের মধ্যে একটি মাংসপিন্ড রয়েছে, যদি তা পরিশুদ্ধ হয় তবে সমস্ত দেহই পরিশুদ্ধ হয়, আর যদি তা দূষিত হয়ে যায় তবে সমস্ত দেহই দূষিত হয়ে যায়। সেটা হলো কল্ব বা অন্তর। [সহীহ বুখারী, হা/৫২; সহীহ মুসলিম, হা/৪১৭৮; ইবনে মাজাহ, হা/৩৯৮৪; মুসত্মাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/৪৪৩৬; মু‘জামুস সগীর, হা/৩৮২; বায়হাকী, হা/১০১৮০; সুনানে দারেমী, হা/২৫৩১; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হা/২২৪৩৫; জামেউস সগীর, হা/৫৫০৪; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৭৩১; মিশকাত, হা/২৭৬২।]
যে অন্তর তার প্রতিপালকের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে, তাঁর আনুগত্যে সুস্থির হয়েছে, তাঁর স্মরণে ও ভালোবাসায় প্রশান্তি অর্জন করেছে, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সবকিছুই তাঁর উপর সমর্পণ করেছে, তাঁর সাক্ষাৎ ও প্রতিশ্রুতির উপর পূর্ণ আস্থা রেখেছে এবং একমুহূর্তের জন্যও তার প্রতিপালকের জিম্মাদারী থেকে বিচ্যুত হয় না, যে আত্মা গোনাহের কাজে ভয় পায় এবং ভালো কাজে খুশি হয় এরূপ আত্মাকে নফসে মুতমাইন্নাহ বা প্রশামত্ম আত্মা বলা হয়। এরূপ আত্মাকে কিয়ামতের দিন বলা হবে,
﴿يَاۤ أَيَّتُهَا النَّفْسُ الْمُطْمَئِنَّةُ -‐ اِرْجِعِيْۤ إِلٰى رَبِّكِ رَاضِيَةً مَّرْضِيَّةً ‐ - فَادْخُلِيْ فِيْ عِبَادِيْ ‐ - وَادْخُلِيْ جَنَّتِيْ﴾
হে প্রশান্ত আত্মা! তুমি সন্তুষ্ট এবং সন্তোষভাজন হয়ে তোমার প্রতিপালকের দিকে ফিরে আসো। অতঃপর আমার (নেক) বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ করো। (সূরা ফাজর, ২৭-৩০)