১
কিতাবুন নিসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৫
ইসলামের জন্য মুসলিম নারীদের ত্যাগ স্বীকার
ইসলামী সমাজ গঠনে নারীদের বিরাট অবদান রয়েছে। এজন্য তাঁরা বহু দুঃখ-কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার করতেও কুণ্ঠিত হননি; এমনকি রক্তের সম্পর্ককে ছিন্ন করতেও বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করেননি। আপন ঘর-বাড়ি ত্যাগ করে চলে যেতে কিংবা বহিষ্কৃত হতেও বিন্দুমাত্র দুর্বলতা প্রদর্শন করেননি। মোটকথা এ পথে যত বাধা এসেছে, সবকিছুই তারা অতি ধৈর্য ও তীক্ষ্মতা সহকারে মোকাবেলা করে গেছেন।
ইসলামের প্রাথমিক যুগে যেসব ভাগ্যবতী মহিলা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, তাঁদের নির্যাতন ভোগ করার লোমহর্ষক কাহিনী ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিখিত রয়েছে। আম্মার (রাঃ) এর মাতা ছিলেন একজন ঈমানদার মহিলা। তিনি ছিলেন আবু হুযায়ফা ইবনে মুগীরার ক্রীতদাসী। তাকে দ্বীন-ইসলাম ত্যাগ করতে বাধ্য করার জন্য তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। নর-পিশাচ আবু জেহেল তাঁকে বল্লমের আঘাতে-আঘাতে শহীদ করে ফেলে। ইসলামের ইতিহাসে এটিই ছিল প্রথম শাহাদাতবরণ।
এভাবে যুগে যুগে ঈমানদার মহিলারা দ্বীনের ব্যাপারে একনিষ্ঠতা প্রদর্শন করে গেছেন। এমনকি নিজ সমত্মানও যদি দ্বীনের বিরুদ্ধে গিয়ে থাকে কিংবা দ্বীনের একবিন্দু ক্ষতি সাধনে উদ্যোগী হয়ে থাকে, তাহলে তার প্রতিও তাঁরা কঠোর আচরণ করেছেন এবং এতে কোনরূপ দুর্বলতা দেখাননি।
ইসলামের প্রাথমিক যুগে যেসব ভাগ্যবতী মহিলা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, তাঁদের নির্যাতন ভোগ করার লোমহর্ষক কাহিনী ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিখিত রয়েছে। আম্মার (রাঃ) এর মাতা ছিলেন একজন ঈমানদার মহিলা। তিনি ছিলেন আবু হুযায়ফা ইবনে মুগীরার ক্রীতদাসী। তাকে দ্বীন-ইসলাম ত্যাগ করতে বাধ্য করার জন্য তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। নর-পিশাচ আবু জেহেল তাঁকে বল্লমের আঘাতে-আঘাতে শহীদ করে ফেলে। ইসলামের ইতিহাসে এটিই ছিল প্রথম শাহাদাতবরণ।
এভাবে যুগে যুগে ঈমানদার মহিলারা দ্বীনের ব্যাপারে একনিষ্ঠতা প্রদর্শন করে গেছেন। এমনকি নিজ সমত্মানও যদি দ্বীনের বিরুদ্ধে গিয়ে থাকে কিংবা দ্বীনের একবিন্দু ক্ষতি সাধনে উদ্যোগী হয়ে থাকে, তাহলে তার প্রতিও তাঁরা কঠোর আচরণ করেছেন এবং এতে কোনরূপ দুর্বলতা দেখাননি।