১
কিতাবুন নিসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৩
ইস্তিহাযা অবস্থায় করণীয়
ইসিত্মহাযাগ্রসত্ম মহিলার হুকুম স্বাভাবিক মহিলার মতোই। এ সময়-
১. সে নামায পড়বে।
২. রোযা রাখবে।
৩. স্বামীর সাথে সহবাস করতে পারবে।
৪. ইস্তিহাযাগ্রস্ত নারীর জন্য মসজিদে ইতিকাফ করা বৈধ। হাদীসে এসেছে,
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সাথে তাঁর কোন এক স্ত্রী ইতিকাফ করছিলেন। যখন তিনি রক্ত ও হলদে পানি বের হতে দেখতেন তখন তিনি নিচে একটা পাত্র বসিয়ে রাখতেন এবং সে অবস্থায় নামায পড়তেন। [সহীহ বুখারী, হা/৩১০; আবু দাউদ, হা/২৪৭৮; ইবনে মাজাহ, হা/১৭৮০; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৫০৪২; বায়হাকী, হা/১৪৫৬।]
৫. ইস্তিহাযাগ্রস্ত নারীর প্রত্যেক নামাযে ওযু করা উত্তম। আর সে যদি গোসল করতে সক্ষম হয় তাহলে আরো উত্তম। উম্মে হাবীবা (রাঃ) ৭ বছর যাবৎ ইস্তিহাযা রোগে ভুগছিলেন। ফলে তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে তিনি তাকে গোসল করার নির্দেশ দেন। অতঃপর বললেন, এটি শিরা থেকে নিঃসৃত রক্ত। ফলে তিনি প্রত্যেক নামাযের জন্য গোসল করতেন। [সহীহ বুখারী, হা/৩২৭; সহীহ মুসলিম, হা/২৬২।]
ইসিত্মহাযাগ্রসত্ম মহিলা যখন নামায পড়তে চাইবে তখন সে লজ্জাস্থানে পট্টি বাঁধবে; তারপর ওযু করে নামায পড়বে। এ ওযু দ্বারা ঐ ওয়াক্তে ফরয-নফল যা ইচ্ছা আদায় করতে পারবে।
১. সে নামায পড়বে।
২. রোযা রাখবে।
৩. স্বামীর সাথে সহবাস করতে পারবে।
৪. ইস্তিহাযাগ্রস্ত নারীর জন্য মসজিদে ইতিকাফ করা বৈধ। হাদীসে এসেছে,
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সাথে তাঁর কোন এক স্ত্রী ইতিকাফ করছিলেন। যখন তিনি রক্ত ও হলদে পানি বের হতে দেখতেন তখন তিনি নিচে একটা পাত্র বসিয়ে রাখতেন এবং সে অবস্থায় নামায পড়তেন। [সহীহ বুখারী, হা/৩১০; আবু দাউদ, হা/২৪৭৮; ইবনে মাজাহ, হা/১৭৮০; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৫০৪২; বায়হাকী, হা/১৪৫৬।]
৫. ইস্তিহাযাগ্রস্ত নারীর প্রত্যেক নামাযে ওযু করা উত্তম। আর সে যদি গোসল করতে সক্ষম হয় তাহলে আরো উত্তম। উম্মে হাবীবা (রাঃ) ৭ বছর যাবৎ ইস্তিহাযা রোগে ভুগছিলেন। ফলে তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে তিনি তাকে গোসল করার নির্দেশ দেন। অতঃপর বললেন, এটি শিরা থেকে নিঃসৃত রক্ত। ফলে তিনি প্রত্যেক নামাযের জন্য গোসল করতেন। [সহীহ বুখারী, হা/৩২৭; সহীহ মুসলিম, হা/২৬২।]
ইসিত্মহাযাগ্রসত্ম মহিলা যখন নামায পড়তে চাইবে তখন সে লজ্জাস্থানে পট্টি বাঁধবে; তারপর ওযু করে নামায পড়বে। এ ওযু দ্বারা ঐ ওয়াক্তে ফরয-নফল যা ইচ্ছা আদায় করতে পারবে।